আশা ইসলাম
রিপোর্টার
যে ৮ শ্রেণীর মানুষকে আল্লাহ ভালবাসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইহকাল ও পরকালের সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা অর্জন করা। পবিত্র কুরআন এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহর বিভিন্ন স্থানে এমন কিছু বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা কোনো ব্যক্তির মধ্যে থাকলে তিনি আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হন। ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও গবেষণার আলোকে এমন প্রধান আট শ্রেণীর মানুষের কথা নিচে তুলে ধরা হলো যারা মহান রবের বিশেষ অনুগ্রহের অধিকারী।
১. যারা তওবা করে (তওবাকারী):
মানুষ ভুল বা গোনাহ করবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু গোনাহের পর যারা অনুতপ্ত হয়ে মহান আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন’ (সূরা বাকারা: ২২২)।
২. যারা পবিত্রতা অর্জন করে:
শারীরিক ও মানসিক পবিত্রতা ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যারা সব সময় পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন থাকে, আল্লাহ তাদের পছন্দ করেন। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন’ (সূরা তওবা: ১০৮)।
৩. যারা পরহেজগার বা খোদাভীরু:
যাদের মনে আল্লাহর ভয় রয়েছে এবং যারা জীবনের প্রতিটি পদে পদে আল্লাহর বিধান মেনে চলার চেষ্টা করে, তারাই প্রকৃত মুত্তাকি। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ পরহেজগারদের ভালোবাসেন’ (সূরা আল-ইমরান: ৭৬)।
৪. যারা সৎকর্মশীল (মুহসিনিন):
অন্যের কল্যাণ করা এবং নিজের ইবাদত ও কাজে সর্বোত্তম নিষ্ঠা বজায় রাখা মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন’ (সূরা বাকারা: ১৯৫)।
৫. যারা ধৈর্যশীল:
বিপদ-আপদ বা কষ্টের সময়ে যারা বিচলিত না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করে সবর করেন, আল্লাহ তাদের সঙ্গী হন। কুরআনে এসেছে, ‘আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন’ (সূরা আল-ইমরান: ১৪৬)।
৬. যারা আল্লাহর ওপর ভরসা করে (তাওয়াক্কুলকারী):
যেকোনো কাজ করার পর ফলাফলের জন্য যারা দৃঢ়ভাবে আল্লাহর ওপর নির্ভর করে, আল্লাহ তাদের অভিভাবক হয়ে যান। এরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর ওপর ভরসাকারীদের ভালোবাসেন’ (সূরা আল-ইমরান: ১৫৯)।
৭. যারা ন্যায়বিচারক:
জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে যারা ইনসাফ বা ন্যায়বিচার কায়েম করে এবং কারো প্রতি জুলুম করে না, আল্লাহ তাদের বিশেষ মর্যাদা দেন। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচারকদের ভালোবাসেন’ (সূরা মায়িদা: ৪২)।
৮. যারা বীরত্ব ও ঐক্যের সঙ্গে লড়াই করে:
দীনের প্রয়োজনে এবং ন্যায়ের পক্ষে যারা সীসাঢালা প্রাচীরের মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। সূরা আস-সাফ-এর ৪ নম্বর আয়াতে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
উল্লিখিত গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে একজন মুমিন খুব সহজেই আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারেন। আলেমদের মতে, রমজান পরবর্তী সময়েও এই গুণগুলো নিজেদের জীবনে ধরে রাখা ঈমানের দাবি। মহান আল্লাহর ভালোবাসা পেলে দুনিয়ার জীবন যেমন শান্তিময় হয়, তেমনি পরকালেও নিশ্চিত হয় জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- পে-স্কেল ২০২৬: প্রথম ধাপে স্বস্তির আভাস, অগ্রাধিকার পাচ্ছেন যারা
- শনিবারের ছুটি বাতিল সরকারি চাকরিজীবীদের
- সর্বনিম্ন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১.৬০ লাখ প্রস্তাব
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৭ মে ২০২৬
- ১০৮ আসন পেয়েও মুখ্যমন্ত্রী হতে পারছেন না থালাপতি বিজয়
- নবম পে-স্কেল: সর্বনিম্ন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার
- ৫ দিনের পূর্বাভাস: তাপমাত্রা বাড়বে, আসছে বৃষ্টি
- পে-স্কেল পরিবর্তন: প্রথম ধাপে বড় সুবিধা কারা পাচ্ছেন
- নবম পে-স্কেল: সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ০৭ মে ২০২৬
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৮ মে ২০২৬
- সিদ্ধ ডিম আসল নাকি নকল? সহজ কিছু উপায়ে চিনে নিন
- একদিনের ব্যবধানে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে কবে হতে পারে কোরবানি ঈদ
- নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত হল
