আশা ইসলাম
রিপোর্টার
১০৪ খানা আসমানী কিতাব কোথায়!
১০৪ খানা আসমানী কিতাব ও তাদের বর্তমান অবস্থা: একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা
নিজস্ব প্রতিবেদক: ধর্মীয় ইতিহাস ও ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, মহান আল্লাহ যুগে যুগে নবী ও রাসূলদের মাধ্যমে মানুষের হেদায়েতের জন্য মোট ১০৪টি আসমানী কিতাব নাজিল করেছেন। এর মধ্যে ৪টি বড় কিতাব এবং ১০০টি ছোট সহিফা রয়েছে। সহিফা হলো নবীদের ওপর অবতীর্ণ ছোট ছোট ঐশী বার্তা বা পুস্তিকা।
সহিফা ও তাদের বণ্টন
ইসলামী স্কলারদের মতে, ১০০টি সহিফা মোট চারজন নবীর ওপর নাজিল করা হয়েছিল। হযরত আদম আলাইহিস সালামের ওপর ১০টি, হযরত শীষ আলাইহিস সালামের ওপর ৫০টি, হযরত ইদ্রিস আলাইহিস সালামের ওপর ৩০টি এবং হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের ওপর ১০টি সহিফা অবতীর্ণ হয়। এগুলো মূলত মৌখিকভাবে চর্চা করা হতো এবং কোনো স্থায়ী কাঠামোতে সংরক্ষিত না থাকায় সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে বা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
প্রধান চারটি আসমানী কিতাব
১. তাওরাত: এটি হযরত মুসা আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ হয়। খ্রিষ্টপূর্ব ৫৮৬ সালে জেরুজালেম আক্রান্ত হলে এর মূল কপি হারিয়ে যায়। বর্তমানে ইহুদিদের কাছে থাকা তোরাহ বা তাওরাতকে মুসলমানরা মূল কিতাবের বিকৃত রূপ হিসেবে গণ্য করে।
২. জাবুর: হযরত দাউদ আলাইহিস সালামের ওপর নাজিল হওয়া এই কিতাবটি ছিল মূলত স্তুতি ও প্রার্থনার সংকলন। বর্তমানে এটি আলাদা কিতাব হিসেবে নেই, তবে বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টের সামস বা গীতসংহিতা অংশকে এর অবশিষ্টাংশ মনে করা হয়।
৩. ইঞ্জিল: হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ এই কিতাবটি বর্তমানে খ্রিস্টানদের গসপেল বা বাইবেল হিসেবে পরিচিত হলেও ইসলামের দৃষ্টিতে তা মূল ইঞ্জিলের পরিবর্তিত রূপ। মূল ইঞ্জিল ঈসা আলাইহিস সালামের তিরোধানের পর অবিকৃত অবস্থায় থাকেনি।
৪. আল-কুরআন: সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ আসমানী কিতাব যা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর নাজিল হয়েছে। এটি পূর্ববর্তী সব কিতাবের সত্যায়নকারী এবং চূড়ান্ত বিধান। কুরআন নাজিলের পর থেকে আজ পর্যন্ত সম্পূর্ণ অবিকৃত রয়েছে। কারণ এটি সরাসরি মুখস্থ করার মাধ্যমে এবং সাহাবীদের লিখিত পাণ্ডুলিপির সাহায্যে নিখুঁতভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
কেন আমরা শুধু কুরআন অনুসরণ করি
ইসলামী বিধান অনুযায়ী, কুরআন হলো মহান আল্লাহর সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ বার্তা। পূর্ববর্তী কিতাবগুলো নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট জাতির জন্য ছিল। এছাড়া পূর্বের কিতাবগুলো মানুষের হস্তক্ষেপে পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় সেগুলো আর আল্লাহর বিশুদ্ধ বাণী হিসেবে অবশিষ্ট নেই। কুরআন যেহেতু কিয়ামত পর্যন্ত সব মানুষের জন্য এবং এর সংরক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহ নিজেই নিয়েছেন, তাই বর্তমানে শুধুমাত্র কুরআন অনুসরণ করাই মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- ঈদুল ফিতরের আগেই কি আসবে নতুন পে-স্কেল
- ফ্যামিলি কার্ড কীভাবে পাবেন: আবেদনের নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজ
- দেশে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড; যেভাবে আবেদন করবেন
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার; যা জানা গেল
- দেশের বাজারে আজ ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- ফ্যামিলি কার্ড আবেদন: লাগবে যেসব কাগজপত্র
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির তালিকায় বড় পরিবর্তন
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি
- সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকায় থাকছেন যারা
- আজ এক ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- যে দুই জেলা দিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের যাত্রা শুরু
- আজকের ইফতারের সময়; ৪ রমজান
- দেশের চার বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
- সংরক্ষিত নারী আসনে থাকবেন কারা, জানালেন মির্জা ফখরুল
