| ঢাকা, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

২৬ দিনে ৯ বার কাঁপল দেশ: যে কোন সময় বড় ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৬ ১৪:৫৬:৫৬
২৬ দিনে ৯ বার কাঁপল দেশ: যে কোন সময় বড় ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে বাংলাদেশের ভূ-গর্ভস্থ প্লেটগুলোতে এক অস্বাভাবিক অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাসের মাত্র ২৬ দিনের ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত নয়বার মৃদু ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বারবার এই কম্পন জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করার পাশাপাশি বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

সর্বশেষ পরিস্থিতির বিবরণ

আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিম রাজ্যে, যা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অত্যন্ত কাছে। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে বুধবার রাতেও ৫.১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দেশ, যার কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারে।

ফেব্রুয়ারির ধারাবাহিক কম্পনচিত্র

ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই দেশের মানচিত্রে ভূমিকম্পের এক ধারাবাহিক চিত্র ফুটে উঠেছে:

১. ১ ফেব্রুয়ারি: সিলেট অঞ্চলে ৩ মাত্রার কম্পন।

২. ৩ ফেব্রুয়ারি: মিয়ানমার কেন্দ্রিক দুটি কম্পনের পাশাপাশি সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প।

৩. ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি: সিলেট অঞ্চলে যথাক্রমে ৩.৩ ও ৪ মাত্রার দুটি কম্পন।

৪. ১৯ ফেব্রুয়ারি: সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প।

৫. ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত: ছোট-বড় মিলিয়ে মোট নয়টি ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের কারণ

ভূতত্ত্ববিদদের মতে, আগে বড় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাধারণত ভারত বা মিয়ানমারে হতো। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, কম্পনের কেন্দ্রবিন্দুগুলো দেশের ভেতরেই অবস্থান করছে। নরসিংদী, সাভার বা রাজধানীর বাড্ডার মতো এলাকাগুলো এপিসেন্টারে পরিণত হওয়া ইঙ্গিত দেয় যে, বাংলাদেশের ভূ-অভ্যন্তরে থাকা টেকটোনিক প্লেটগুলো অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

বিপর্যয়ের আশঙ্কা ও প্রস্তুতি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছোট ছোট এই কম্পনগুলো অনেক সময় জমে থাকা শক্তি মুক্ত করে বড় ঝুঁকি কমায়। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বড় কোনো শক্তি মুক্ত না হলে তা মহাবিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা ও এর আশপাশের নরম মাটির ওপর গড়ে ওঠা অপরিকল্পিত ভবনগুলো মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পেও বড় ধরনের ধ্বংসলীলার শিকার হতে পারে।

প্রকৃতি যখন বারবার সংকেত দিচ্ছে, তখন উদ্ধার অভিযানের প্রস্তুতির চেয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার বা অপসারণের মাধ্যমেই কেবল সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে তারা মনে করছেন।

সেলিম/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

আইপিএলের প্লে-অফ নিশ্চিত, কবে কোন দলের ম্যাচ

আইপিএলের প্লে-অফ নিশ্চিত, কবে কোন দলের ম্যাচ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৫-এর প্লে-অফের চার দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে। রোববার (২৪ ...

ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বড় লাফ

ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বড় লাফ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আইসিসির সর্বশেষ ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে সুখবর পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। অবস্থানের পরিবর্তন না হলেও ...

ফুটবল

জাপানের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিবে ব্রাজিল!

জাপানের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিবে ব্রাজিল!

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগেই আলোচনার ঝড় উঠেছে এক চমকপ্রদ পূর্বাভাস ঘিরে। ...

হামজাদের নতুন কোচ থমাস ডুলি

হামজাদের নতুন কোচ থমাস ডুলি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন সাবেক মার্কিন ফুটবলার ...