তারেক রহমানের নতুন আলটিমেটাম বেকায়দায় মন্ত্রী পরিষদ
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রচলিত রাজনৈতিক ধারাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান। প্রতিদিন সকাল ৯টায় অফিস করা, চলাচলের গাড়িবহর ছোট করে আনা এবং প্রয়োজন ছাড়া সরকারি জ্বালানি ব্যবহার না করার মতো সিদ্ধান্তগুলো তাকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর শৃঙ্খলার কারণে বেশ খানিকটা বেকায়দায় পড়েছেন তার মন্ত্রিসভার অনেক সদস্য।
১৮০ দিনের ‘পরীক্ষা’ ও সচিবালয়ে তোলপাড়
সচিবালয়ের করিডোরে এখন সবথেকে আলোচিত শব্দ হলো ১৮০ দিন। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য ছয় মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা আল্টিমেটাম বেঁধে দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে প্রত্যেক মন্ত্রীর কাজের মূল্যায়ন করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, এটি আসলে মন্ত্রীদের জন্য এক ধরনের পরীক্ষা। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, যারা এই ১৮০ দিনের মূল্যায়নে কার্যকর ফল দেখাতে ব্যর্থ হবেন, তাদের মন্ত্রিত্ব হারাতে হতে পারে কিংবা মন্ত্রণালয় বদলে যেতে পারে।
জবাবদিহিতার আওতায় মন্ত্রিসভা
বর্তমান মন্ত্রিসভায় সদস্যদের সংখ্যা খুব বেশি নয়, বরং অনেককেই একাধিক দপ্তর সামলাতে হচ্ছে। দ্রুত মন্ত্রিসভার আকার বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও একটি বিষয় স্পষ্ট—প্রত্যেককেই জবাবদিহিতার আওতায় থাকতে হবে। তারেক রহমানের এই কঠোর অবস্থান অনেককেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই বিখ্যাত উক্তির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, যেখানে তিনি বলেছিলেন রাজনীতিকে রাজনীতিকদের জন্য কঠিন করে দেবেন। তারেক রহমান যেন প্রতিটি পদে পদে সেই কঠিন বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন।
রাজনীতিতে শিষ্টাচারের নতুন উদাহরণ
নির্বাচনে বিশাল জয় পাওয়ার পর পরাজিত প্রতিপক্ষকে আক্রমণ না করে বরং শুভেচ্ছা জানিয়ে চমক দিয়েছেন তারেক রহমান। জামায়াত আমির, এনসিপি প্রধান নাহিদ ইসলাম কিংবা চরমোনাই পীরের বাসভবনে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিরল সৌন্দর্য হিসেবে দেখা দিচ্ছে। তার এই উদার ও কৌশলী রাজনীতি এখন কট্টর সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
বদলে যাওয়া বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রীর দর্শন
রাস্তা বন্ধ না করে সাধারণ মানুষের মতো যাতায়াত করা, নিজের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা ত্যাগ করা কিংবা মন্ত্রীদের সচিবালয়ে ডেকে না এনে নিজেই সেখানে গিয়ে বৈঠক করার মতো সিদ্ধান্তগুলো ছোট মনে হলেও এর গভীরতা অনেক। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পথ অনুসরণ করে বেশ কয়েকজন মন্ত্রীও সরকারি গাড়ি ত্যাগ করে ব্যক্তিগত গাড়িতে চলাচল শুরু করেছেন। গত দেড় দশকের যে পারিবারিক কাজে সরকারি সম্পদ ব্যবহারের সংস্কৃতি ছিল, তা থেকে রাষ্ট্র মুক্তি পেতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ উক্তিটি এখন ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি যে কেবল ক্ষমতায় থাকার জন্য নয়, বরং বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ার একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন, তা তার কর্মকাণ্ডেই ফুটে উঠছে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- India Vs England; লাইভ দেখুন এখানে
- ঈদুল ফিতরের আগেই নতুন পে-স্কেল
- আজকের সোনার বাজারদর: ৬ মার্চ ২০২৬
- দেশের বাজারে আজ এক ভরি স্বর্ণের দাম
- বাংলাদেশে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
- তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি ও পে স্কেল বাস্তবায়ন: সর্বশেষ অগ্রগতি
- আজ এক ভরি স্বর্ণের দাম
- জুলাই ২০২৬ থেকে নবম পে স্কেল কার্যকর
- তেলের দাম এক সপ্তাহে বাড়লো ২০ শতাংশ
- ৮ মার্চ থেকে নতুন নিয়মে তেল বিক্রি
- আজকের সকল টাকার রেট: ৬ মার্চ ২০২৬
- রাজধানীর বাস কাউন্টারগুলোতে টিকিট বিক্রি বন্ধ
- আজকের সোনার বাজারদর: ৭ মার্চ ২০২৬
- টাইম স্কেলধারীদের উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তি বহাল: অর্থ মন্ত্রণালয়ের রিভিউ খারিজ
- যুদ্ধাবস্থায় প্রবাসীদের জন্য কুয়েত সরকারের বড় ঘোষণা
