৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে ওই দিন সব ধরনের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের শূন্য পদে উপ-নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের স্থগিত হওয়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটদানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সাধারণ ছুটি কার্যকর করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন পরিস্থিতি:
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিমের তথ্যমতে, এই আসনে ত্রিমুখী লড়াই হতে যাচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একজন প্রার্থী (ফুলকপি)। উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে এই আসন থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জয়ী হয়েছিলেন। তবে তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি গ্রহণ করায় বিধি অনুযায়ী বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয় এবং বর্তমানে সেখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী প্রেক্ষাপট:
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এখানেও তিনজন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) একজন প্রার্থী (কাঁচি)। গত ১২ ফেব্রুয়ারির মূল নির্বাচনের সময় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর আকস্মিক মৃত্যুতে এই আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল, যা এখন পুনর্নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটির ফলে সাধারণ ভোটাররা কোনো প্রকার দাপ্তরিক ব্যস্ততা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবেন।
আশা/
