পে-স্কেল নিয়ে বড় ‘অনিশ্চয়তা’, নতুন ভরসা ১১ জুন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পে-স্কেলের সুপারিশ করা হলেও, নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর বাস্তবায়ন নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থের ভিন্ন খাতে ব্যয় এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা। তবে সব অনিশ্চয়তা ছাপিয়ে এখন সবার দৃষ্টি আগামী ১১ জুন পেশ হতে যাওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের দিকে।
বাজেট ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
আগামী ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটে দারিদ্র্য নিরসন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও, সেখানে 'নবম পে-স্কেল' স্থান পাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
কেন এই অনিশ্চয়তা?
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কিছু কারণে পে-স্কেল বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে:
* অর্থের ভিন্নমুখী ব্যবহার: পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দকৃত ৪০ হাজার কোটি টাকার একটি বড় অংশ ফ্যামিলি কার্ড ও জ্বালানি ভর্তুকিতে ব্যয় হওয়ায় অর্থ সংকট প্রকট হয়েছে।
* বৈশ্বিক প্রভাব: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
* রাজস্ব ঘাটতি: অর্থমন্ত্রীর মতে, বর্তমানে দেশের ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, যা বড় কোনো আর্থিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রশাসনে চাপা অসন্তোষ
দীর্ঘদিন নতুন পে-স্কেল না হওয়া এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রায় নাভিশ্বাস উঠেছে। 'বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি'-র আহ্বায়ক আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, কর্মচারীরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, জানুয়ারি থেকে সম্ভব না হলেও আগামী জুলাই থেকে যেন নতুন স্কেল কার্যকর করা হয়। দাবি আদায় না হলে রাজপথে বড় আন্দোলন না হলেও স্মারকলিপি ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
সরকারের অবস্থান
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পে-স্কেলের সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি প্রয়োজন হতে পারে। সার্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখে ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়নের কথা ভাবছে অর্থ বিভাগ।
সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা, নতুন সরকার তাদের অভাব দূর করতে আসন্ন বাজেটে পে-স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখবে। অন্যথায় প্রশাসনে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিদ্দিকা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, ছুটি ৬ দিন
- আজকের সোনার বাজারদর: ১৫ এপ্রিল ২০২৬
- আজকের সোনার বাজারদর: ১৬ এপ্রিল ২০২৬
- লাফিয়ে কমলো স্বর্ণের দাম
- আজকের সকল টাকার রেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬
- রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম; এক ভরি কত হল
- পে-স্কেলের ভাগ্য নির্ধারণ হবে ১১ জুন
- আজকের সকল টাকার রেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬
- আগামী ৫ দিন ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা; কমতে পারে তাপপ্রবাহ
- চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল চূড়ান্ত: শেষ চারে কে কার মুখোমুখি
- সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- ৪ কোম্পানির জ্বালানি তেল আমদানি বন্ধ
- বিশ্বকাপের দুই মাস বাকি: স্কালোনি চূড়ান্ত করলেন আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড
- ভেজাল কলা চিনুন ১ মিনিটে
- জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থানে সরকার
