কমল এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডারে স্বস্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)–এর প্রধান মূল্যসূচক সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস (সৌদি সিপি) উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় দেশের বেসরকারি খাতের এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। জুলাই মাসের জন্য নতুন এ মূল্যহার ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে।
বিইআরসির প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে সৌদি আরামকো প্রোপেনের কনট্রাক্ট প্রাইস প্রতি মেট্রিক টনে ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের মূল্য নির্ধারণ করেছে ৬০০ মার্কিন ডলার। ৩৫:৬৫ অনুপাতে গড় সৌদি সিপি দাঁড়িয়েছে ৫৯১ ডলার, যা জুন মাসে ছিল ৬৮০ ডলার। অর্থাৎ মাত্র এক মাসের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে গড় মূল্য কমেছে ৮৯ ডলার।
আন্তর্জাতিক বাজারে এই মূল্যহ্রাসের প্রভাবেই দেশের বাজারে এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।
নতুন দামে রেটিকুলেটেড ব্যবস্থায় তরল অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির মূল্য প্রতি কেজি ১২৩ টাকা ৫৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ৭২ দশমিক ৪৮ পয়সা বা প্রতি ঘনমিটার ৭২৪ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অটোগ্যাসের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৮০ পয়সা, যা আগের মাসের তুলনায় কম। তবে সরকারি খাতের ১২ দশমিক ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখে ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এবার কমেছে ৩৫৭ টাকা। ফলে নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫২৮ টাকা। এর আগে জুন মাসেও এই সিলিন্ডারের দাম ৫৫ টাকা কমানো হয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম দ্রুত বেড়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে দেশীয় বাজারেও। গত এপ্রিলে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড হয়। প্রথম দফায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা এবং একই মাসে দ্বিতীয় দফায় আরও ২১২ টাকা বাড়ানো হয়। ফলে তখন একেকটি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম পৌঁছায় ১ হাজার ৯৪০ টাকায়।
পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির পর আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম কমতে শুরু করলে দেশীয় বাজারেও ধাপে ধাপে মূল্য হ্রাস পেতে থাকে। জুন মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নেমে আসে ১ হাজার ৮৮৫ টাকায়, আর জুলাইয়ে তা আরও কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৫২৮ টাকায়।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি উৎপাদনের প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেনের আন্তর্জাতিক মূল্য প্রতি মাসে প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো, যা সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) নামে পরিচিত।
এই সৌদি সিপিকে ভিত্তি ধরে আমদানি ব্যয়, আন্তর্জাতিক পরিবহন খরচ, ডলারের বিনিময় হার, বন্দর ব্যয় ও বিপণন খরচসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশে এলপিজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে বিইআরসি।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশে এলপিজির কাঁচামাল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওঠানামার প্রভাব সরাসরি দেশীয় বাজারে পড়ে। এবার সৌদি সিপি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় তার সুফল পেয়েছেন দেশের ভোক্তারা।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- ৯ম পে-স্কেলের খসড়া: গ্রেড-১ এ ১ লাখ ৩০ হাজার, গ্রেড-২০ এ ২০ হাজার
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ১৫ আগস্ট ২০২৬
- ৮০ মিনিটের খেলা শেষ; ইন্টার মায়ামি বনাম ন্যাশভিল, জানুন ফলাফল
- ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় সেরা ৫ স্মার্টফোন
- চলতি মাসেই বাজারে আসছে Yamaha R2, শুরু প্রি-বুকিং
- শনিবার টানা ৮ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত, জানা গেল নতুন প্রস্তাব
- ৯০ মিনিটের খেলা শেষ; ইন্টার মায়ামি বনাম ন্যাশভিল, জানুন ফলাফল
- ২০০MP ক্যামেরায় সেরা ৫ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন
- দুই ধাপে বাস্তবায়ন হচ্ছে নবম পে স্কেল, খসড়া যাচ্ছে মন্ত্রিসভায়
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ১৫ আগস্ট ২০২৬
- জানুয়ারির শুরুতেই ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা
- দুই ধাপে বাস্তবায়ন হচ্ছে নবম পে-স্কেল
- Xiaomi 18 Pro-তে থাকবে না গ্লাস ব্যাক, আসছে ৫ রঙে
- ফিফা আসিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ
