দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণে বড় পদক্ষেপ, প্রথম বাজেটেই বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে দুটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু হয়েছে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটেও প্রাথমিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এলাকায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং বিদ্যমান যমুনা সেতুর আশপাশে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ দুটি প্রকল্প সরকারের প্রথম উন্নয়ন বাজেটেই অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্তমান যমুনা সেতু ও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি রুটে যানবাহনের চাপ দ্রুত বাড়ছে। ফলে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপে ফ্রান্স, কোরিয়া ও বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ করছে। ২০২৭ সালের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। সমীক্ষার মাধ্যমে সেতুর সম্ভাব্য রুট, নকশা, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ব্যয় এবং রেলসংযোগের বিষয় নির্ধারণ করা হবে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকায় এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বিদ্যমান যমুনা সেতুর সক্ষমতা আগামী ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে সীমায় পৌঁছাতে পারে। তাই দ্রুত বিকল্প সেতু নির্মাণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে নির্মাণের বিষয়টি সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ বলেও জানান তিনি।
অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই দুই সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে।
বর্তমানে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলার মানুষকে ঢাকায় যেতে দীর্ঘ সময় ফেরিঘাটে অপেক্ষা করতে হয়। নতুন সেতু নির্মাণ হলে এই দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে আগামী অর্থবছরের এডিপির আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতুর প্রাথমিক কাজের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ কোটি টাকা।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ২০৩২ সালের মধ্যে নির্মাণের লক্ষ্য রয়েছে। সেতুটির দৈর্ঘ্য হতে পারে প্রায় ৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার এবং এতে রেল সংযোগও থাকবে।
অন্যদিকে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর সম্ভাব্য রুট হিসেবে বগুড়া-জামালপুর, বালাসী ঘাট-দেওয়ানগঞ্জ ঘাট এবং বিদ্যমান যমুনা সেতুর আশপাশের এলাকাও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক গতি আরও বাড়াতে এবং রাজধানীর সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে এই দুই সেতু ভবিষ্যতে বড় ভূমিকা রাখবে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- দেশের বাজারে আজকের সোনার দাম: ০৮ মে ২০২৬
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৯ মে ২০২৬
- পে স্কেল ২০২৬-২৭: প্রথম ধাপে কারা পাচ্ছেন স্বস্তির খবর
- টানা ৫ দিনের বৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া অফিসের নতুন পূর্বাভাস
- শনিবার টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নবম পে-স্কেলে কত বাড়তে পারে বেতন? যা জানা গেল
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ০৯ মে ২০২৬
- ৯ম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- রাতে ৭ জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা, ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- রোববার থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না
- ২৩-২৪ মে খোলা থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান
- দেশের বাজারে আজ একভরি স্বর্ণের দাম: ০৯ মে ২০২৬
- বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, কয়েকদিন থাকতে পারে বৃষ্টি
- পে স্কেল: দ্বিগুণ বাড়তে পারে মাসিক ভাতা
- বাংলাদেশের আকাশে রহস্যময় আলোর ঝলক
