ইসলামে যে ৫ ধরনের পেশা ও আয়ের উৎস হারাম
নিজস্ব প্রতিবেদক: মানুষের জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ করা ইসলামে উৎসাহিত করা হয়েছে। হালাল উপায়ে উপার্জনকে ইবাদতের মর্যাদা দেওয়া হলেও এমন কিছু পেশা ও আয়ের উৎস রয়েছে, যেগুলো ইসলাম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কারণ এসব কর্মকাণ্ড ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের নৈতিকতা এবং ঈমান-আকিদার জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচিত।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “তিনিই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বাসযোগ্য ও চলাচলের উপযোগী করেছেন। তাই তোমরা এর পথে-প্রান্তরে বিচরণ করো এবং তাঁর দেওয়া রিজিক থেকে আহার করো। আর পুনরুত্থান তো তাঁর কাছেই।” (সুরা মুলক: ১৫)
ইসলামী শরিয়তে যেসব পেশা ও আয়ের উৎস হারাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি হলো:
১. সুদের কারবার
ইসলামে সুদ (রিবা) কঠোরভাবে হারাম এবং বৈধ ব্যবসাকে হালাল ঘোষণা করা হয়েছে। কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।” (সুরা বাকারা: ২৭৫)
শুধু সুদ গ্রহণই নয়, সুদের লেনদেন লেখা, সাক্ষী থাকা বা এ ধরনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করাও নিষিদ্ধ। সহিহ মুসলিমের হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদগ্রহীতা, সুদদাতা, লেখক ও সাক্ষী সবাইকে সমান অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
২. মদ ও মাদক সংশ্লিষ্ট পেশা
মদ ও সব ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য উৎপাদন, বিক্রি, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় কিংবা পরিবেশনের সঙ্গে জড়িত থাকা ইসলামে হারাম। সুনানে তিরমিজির একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) মদসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর অভিশাপের কথা উল্লেখ করেছেন।
৩. পতিতাবৃত্তি
ইসলামে ব্যভিচার ও পতিতাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের কোনো অনুমতি নেই। কোরআনের সুরা নূরের ৩৩ নম্বর আয়াতে দাসীদেরও জোরপূর্বক ব্যভিচারে বাধ্য করতে নিষেধ করা হয়েছে। ইসলাম মানবসম্মান ও পবিত্রতা রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং এ ধরনের উপার্জনকে সম্পূর্ণ হারাম ঘোষণা করেছে।
৪. অশ্লীলতা ছড়ায় এমন শিল্প ও বিনোদন
যেসব কাজ অশ্লীলতা, যৌন উত্তেজনা বা ব্যভিচারের পথ তৈরি করে, ইসলাম সেগুলো থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। কোরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট পথ।” (সুরা বনি ইসরাইল: ৩২)
এই কারণে অশ্লীল নৃত্য, নগ্ন অভিনয় কিংবা অশ্লীলতা প্রচার করে এমন কর্মকাণ্ড ইসলামী শিক্ষায় নিষিদ্ধ হিসেবে বিবেচিত।
৫. মূর্তি নির্মাণ ও উপাসনার উদ্দেশ্যে প্রতিকৃতি তৈরি
সহিহ বুখারির একটি হাদিসে প্রাণীর প্রতিকৃতি বা মূর্তি নির্মাণের বিষয়ে সতর্কবার্তা এসেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন ইসলামি আলেম ও ফিকহি মতের মধ্যে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য থাকলেও উপাসনার উদ্দেশ্যে মূর্তি নির্মাণ ও সংরক্ষণকে ইসলামে নিষিদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসলামে হালাল উপায়ে উপার্জনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তাই জীবিকা নির্বাচনের ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্দেশনা অনুসরণ এবং হারাম উপার্জন থেকে দূরে থাকার প্রতি মুসলমানদের উৎসাহিত করা হয়েছে।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- ৯০ মিনিটের খেলা শেষ; সান্তোস বনাম ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রাল, জানুন ফলাফল
- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ২৩ দিনের ছুটি
- আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে থাকছে নতুন ফিচারের ছড়াছড়ি
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ২৭ জুলাই ২০২৬
- আসছে টানা ৪ দিনের সরকারি ছুটি!
- আসছে OnePlus 16; দাম কত ফিচার কি
- টানা ৫ দিন দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস
- বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা!
- সাগরে গভীর নিম্নচাপ, ঢাকাসহ সারাদেশে টানা ৫ দিনের ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস
- দেশের বাজারে আজ ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট সোনার দাম
- বিশ্বকাপ ফাইনালের এক সপ্তাহ পর আবেগঘন বার্তায় মুখ খুললেন স্কালোনি
- টুথপেস্টে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক কতটা ক্ষতিকর
- বিশ্বকাপ শেষ হতেই তাড়াহুড়ো করে অবসরে গেলেন আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের রেফারি
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ২৮ জুলাই ২০২৬
- খেলোয়াড়দের জন্য কি আলাদা টুথপেস্ট ব্যাবহার করেন!
