যে আমলের মাধ্যমে রিজিক বাড়ে
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিটি মানুষই চায় তার জীবনে সচ্ছলতা ও বরকত আসুক। ইসলামে বৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন বা ধনাঢ্যতাকে মোটেও নিষেধ করা হয়নি; বরং নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনেক সাহাবীই সম্পদশালী ছিলেন। তবে এই প্রাচুর্যের সঙ্গে ইসলামের কিছু বিধান যুক্ত থাকে, যা পালন করলে রিজিকে অকল্পনীয় বরকত আসে। আসুন জেনে নিই রিজিক বৃদ্ধির ৫টি প্রধান আমল—
১. সময়মতো নামাজ ও ইবাদতে একাগ্রতা:
রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম শর্ত হলো সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন পরিবারকে নামাজের আদেশ দিতে এবং নিজের ওপর অটল থাকতে। আল্লাহ ঘোষণা করেছেন, তিনি আমাদের কাছে রিজিক চান না, বরং তিনিই আমাদের রিজিক দান করেন। হাদীসে কুদসীতে এসেছে, যদি কোনো বান্দা আল্লাহর ইবাদতের জন্য নিজেকে ঝামেলামুক্ত করে, তবে আল্লাহ তার অন্তরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন এবং দারিদ্র্য দূর করবেন।
২. মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা (তাওয়াক্কুল):
আল্লাহর ওপর সঠিক ভরসা রাখলে তিনি এমন উৎস থেকে রিজিক দান করেন যা মানুষ কল্পনাও করতে পারে না। নবীজি (সা.) বলেছেন, তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথার্থ ভরসা রাখতে, তবে তিনি তোমাদের পাখিদের মতো রিজিক দিতেন; যারা সকালে খালি পেটে বাসা থেকে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।
৩. অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা:
ইস্তেগফার পাঠ করলে কেবল পাপমোচন হয় না, বরং এটি অভাব দূর করারও এক মহৌষধ। সূরা নূহ-এ বর্ণিত হয়েছে যে, যারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহ তাদের ওপর বৃষ্টিধারা বর্ষণ করেন এবং ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দেন। হাদীস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি নিয়মিত তওবা-ইস্তেগফার করে, আল্লাহ তাকে সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করেন।
৪. যথাযথভাবে জাকাত আদায়:
ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ হলো জাকাত। এটি কেবল ধর্মীয় দায়িত্বই নয়, বরং অভাবমুক্ত সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি। আল-কুরআনের সূরা তাওবায় জাকাত পাওয়ার আটটি খাতের কথা স্পষ্ট বলা হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষী, খলিফা ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের সময় জাকাত ব্যবস্থার সফল প্রয়োগের ফলে আরবে জাকাত নেওয়ার মতো কোনো দরিদ্র খুঁজে পাওয়া যেত না। তাই সম্পদ পবিত্র ও বৃদ্ধি করতে সামর্থ্যবানদের নিয়মিত জাকাত দেওয়া জরুরি।
৫. নিয়মিত দান-সদকা করা:
দান করলে সম্পদ কমে না, বরং বৃদ্ধি পায়। কুরআনের ঘোষণা অনুযায়ী, আল্লাহর পথে যা ব্যয় করা হয়, তিনি তার উত্তম বিনিময় দান করেন। সহীহ বুখারী ও মুসলিমের হাদীস অনুযায়ী, প্রতিদিন সকালে দুজন ফেরেশতা আকাশ থেকে নেমে আসেন। তাদের একজন দোয়া করেন, ‘হে আল্লাহ! দানকারীকে উত্তম প্রতিদান দিন।’ আর অপরজন কৃপণের ধ্বংস কামনা করেন।
পরিশেষে, একজন মুমিনের কর্তব্য হলো পরিশ্রমের পাশাপাশি এই আমলগুলোর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। তবেই ইহকাল ও পরকালে প্রকৃত সচ্ছলতা লাভ করা সম্ভব।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর; ২৫ আগস্ট ২০২৬
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর, ২৬ আগস্ট ২০২৬
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬
- ২৬ আগস্টের ছুটি পাবেন না যেসব কর্মী
- ২৪-২৭ আগস্ট ভারতে লঞ্চ হচ্ছে যে ৭টি নতুন স্মার্টফোন
- নতুন Bajaj Pulsar 150 বনাম পুরোনো মডেল, কী কী পরিবর্তন হলো
- ভয়াবহ হওয়ার আগেই ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বাড়ার খবর মিলবে
- নতুন পে স্কেল নিয়ে হিসাব-কিতাব চলছে!
- ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬
- বড় ব্যাটারি নিয়ে Nokia 300 Charge ফিচার ফোনের আত্মপ্রকাশ
- পানি-ধুলা ও পড়ে যাওয়ার ভয় নেই, নতুন এই স্মার্টফোনে
- মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তানদের প্রশিক্ষণে মিলবে ৭৫ লাখ টাকা
- চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন ৫ ব্যাংকের গ্রাহকেরা
- বাংলাদেশে আসছে ব্রাজিল; মিলল নতুন আশার খবর
