নতুন পে স্কেল নিয়ে সর্বশেষ যা জানা গেল
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সরকারি চাকুরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত 'নবম পে স্কেল' বা নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে বর্তমানে সরকারি মহলে নানামুখী আলোচনা চলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন থেকে নতুন পে স্কেলের জোরালো দাবি জানানো হলেও, সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা আসেনি।
তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বর্তমান পরিস্থিতির একটি চিত্র পাওয়া গেছে।
১. নতুন পে স্কেলের বর্তমান অবস্থা
এখন পর্যন্ত নতুন বা নবম পে স্কেল ঘোষণার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সবুজ সংকেত পাওয়া যায়নি। সরকারি উচ্চপর্যায়ের সূত্রমতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাজেটের ওপর চাপের কারণে সরকার এখনই বড় কোনো আর্থিক দায়ভার নিতে চাইছে না। তবে কর্মচারীদের দাবির বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
২. ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা ও নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট
নতুন পে স্কেল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কর্মচারীদের সাময়িক স্বস্তি দিতে গত বছর ৫ শতাংশ হারে 'বিশেষ প্রণোদনা' (Special Incentive) কার্যকর করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও নিয়মিত বার্ষিক ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট অব্যাহত রয়েছে। তবে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা এই ৫ শতাংশ বৃদ্ধিকে পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন। তাদের দাবি, মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই হার ১০ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হোক।
৩. গ্রেড সংখ্যা কমানো ও বৈষম্য দূরীকরণ
সরকারি চাকুরিজীবীদের একটি বড় দাবি হলো বর্তমানের ২০টি গ্রেড কমিয়ে ১০টি গ্রেডে নামিয়ে আনা। বিশেষ করে নিম্ন ধাপের কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য দূর করার বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে এই গ্রেড কমানো এবং বেতন কাঠামোর ধাপগুলো পুনর্গঠন করার বিষয়ে একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে।
৪. 'অটোমেটিক পে ফিক্সেশন' এর প্রস্তাবনা
পে স্কেল নিয়ে একটি নতুন ধারণা সামনে এসেছে, তা হলো 'অটোমেটিক পে ফিক্সেশন'। প্রতি ১০ বছর পর পর নতুন পে স্কেল ঘোষণার চিরাচরিত পদ্ধতির বদলে প্রতি বছর মূল্যস্ফীতির হারের ওপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেতন বৃদ্ধির একটি স্থায়ী ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছে সচিব কমিটি। এতে করে বাজারে পণ্যের দাম বাড়লে কর্মচারীদের বেতনও আনুপাতিক হারে বাড়বে।
৫. কর্মচারীদের আল্টিমেটাম
এদিকে, বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ এবং বৈষম্যবিরোধী সরকারি কর্মচারী ফোরাম তাদের দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দ্রুত ৯ম পে স্কেল ঘোষণা, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদান এবং টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করা।
যদিও ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত নতুন পে স্কেলের কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি, তবে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বেতন কাঠামো সংস্কারের আলোচনাটি বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে বাজেট অধিবেশনকে সামনে রেখে নতুন কোনো সুখবর আসতে পারে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন লাখ লাখ সরকারি চাকুরিজীবী।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৪ মার্চ ২০২৬
- দেশের বাজারে আজকের একভরি স্বর্ণের দাম
- বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান: ৯০ মিনিটের খেলা শেষ, Live দেখুন এখানে
- বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান: ৮০ মিনিটের খেলা শেষ, Live দেখুন এখানে
- চরম উত্তেজনায় শেষ বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ম্যাচ: দেখুন ফলাফল
- তিন বিভাগে কালবৈশাখীর দাপট: বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস
- ইরান সম্পর্কে হাদিসের ভবিষ্যৎবাণীগুলো কি তবে সত্যি হতে চলেছে
- শনিবার কি খোলা থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: এলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
- দেশে ফুয়েলের দাম ৮০ শতাংশ বাড়ালো
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৫ মার্চ ২০২৬
- এবার জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
- দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার তানিয়া বৃষ্টির
- সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস
- আরব আমিরাতে হঠাৎ রেড অ্যালার্ট জারি!
- পৃথিবীতে আর কত তেল জমা আছে
