সাপের কামড় নিয়ে হাসপাতালে; ঘাড়ে ১৫ কোটি টাকার বিল
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বিষধর র্যাটলস্নেকের কামড়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন এক ব্যক্তি। তবে জীবন বাঁচানোর পর হাসপাতাল থেকে পাওয়া চিকিৎসা বিল দেখে নতুন করে হতবাক হয়েছেন তিনি। তার চিকিৎসার মোট খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫ কোটিরও বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিস হাওয়ার্থ নামের ওই ব্যক্তিকে বাঁচাতে চিকিৎসকদের মোট ৫৪ ডোজ অ্যান্টি-ভেনম প্রয়োগ করতে হয়েছে। বিষের তীব্রতার কারণে একটি হাসপাতালের অ্যান্টি-ভেনমের পুরো মজুত শেষ হয়ে গেলে জরুরি ভিত্তিতে তাকে হেলিকপ্টারে করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনাটি ঘটে যখন আইডাহো থেকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ক্যালিফোর্নিয়ার ওরোভিলে যান ক্রিস। এক বৃষ্টিভেজা দিনে মায়ের বাগানে হাঁটার সময় অসাবধানতাবশত তিনি একটি বিষধর র্যাটলস্নেকের ওপর পা দেন। প্রথমে তিনি বিষয়টিকে গাছের কাঁটার আঘাত বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই শ্বাসকষ্ট, জিহ্বা অবশ হয়ে যাওয়া এবং শরীরের লিম্ফ নোড ফুলে ওঠার মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়।
পরিস্থিতির অবনতি হলে তার স্ত্রী জেনি হাওয়ার্থ দ্রুত তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা ৩৬টি অ্যান্টি-ভেনম প্রয়োগ করেন। তবে এতেই হাসপাতালের মজুত শেষ হয়ে যায়। পরে তাকে হেলিকপ্টারে করে স্ট্যানফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে আরও ১৮টি অ্যান্টি-ভেনম প্রয়োগের মাধ্যমে তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়।
ক্রিসের স্ত্রী জেনি জানান, প্রতিটি অ্যান্টি-ভেনমের দাম ছিল প্রায় ১৩ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া স্ট্যানফোর্ড হাসপাতালে প্রতিরাতের চিকিৎসা ব্যয় ছিল প্রায় ৬১ হাজার ডলার। অ্যান্টি-ভেনম, রক্ত সঞ্চালন, সিটি স্ক্যান এবং বিভিন্ন জটিল পরীক্ষার খরচ মিলিয়েই চিকিৎসা বিল ১৩ লাখ ডলারে পৌঁছায়।
তিনি আরও জানান, পরিবারের স্বাস্থ্যবিমা এই ব্যয়ের একটি অংশ বহন করবে। তবে প্রকাশিত ১৩ লাখ ডলারের বিলটি বিমার অর্থ সমন্বয়ের আগের হিসাব।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্রিসের শরীরে 'ডিসেমিনেটেড ইনট্রাভাসকুলার কোয়াগুলেশন (ডিআইসি)' নামে একটি জটিল রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা দেখা দেয়, যা তার জীবনকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলে। পুরো সময়টিই পরিবারের জন্য ছিল চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার।
গত ২৬ মে থেকে তিনি কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি। এরই মধ্যে তার সব ধরনের বেতনসহ ছুটিও শেষ হয়ে গেছে। টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে আয় বন্ধ থাকায় এবং বিশাল চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ সামলাতে পরিবারটি এখন আর্থিক সংকটে রয়েছে।
বর্তমানে ক্রিস প্রায় ৮০ শতাংশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে এখনও তার পায়ে ফোলাভাব এবং অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো শারীরিক জটিলতা রয়ে গেছে।
এদিকে এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের সহায়তায় গঠিত একটি তহবিলের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ১০ হাজার ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, যা চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ কিছুটা হলেও কমাতে সহায়তা করবে।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর ১৮ আগস্ট ২০২৬
- সামনে ৬ দিন সরকারি ছুটি, তবে আছে দুঃসংবাদও
- দেশের বাজারে আজ ২১ ক্যারেট সোনার দাম
- মাতৃত্বকালীন ভাতা ২০২৬: অনলাইনে আবেদন, শর্ত ও কত টাকা পাবেন
- এসএসসি ও সমমানের খাতা চ্যালেঞ্জের ফলাফল কবে
- নবম পে স্কেলে বড় সুখবর, দুই ধাপে বাড়বে বেতন
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালে ২১ ক্যারেট সোনার দাম কত হতে পারে
- র্যাব বিলুপ্ত করে নতুন বাহিনী এসআরবি, পুলিশের অধীনে থাকবে
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ১৮ আগস্ট ২০২৬
- আজ ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট সোনার দাম
- অর্থবছরের সময়সীমায় বড় পরিবর্তন, নতুন হিসাব এপ্রিল-মার্চ
- ২০২৬ সালেই পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে: অর্থমন্ত্রী
- Xiaomi 18 নিয়ে বড় ফাঁস, স্ট্যান্ডার্ড মডেল আসছে ডিসেম্বরে
- এসএসসি খাতা চ্যালেঞ্জে রেকর্ড আবেদন, ফল প্রকাশ কবে
