| ঢাকা, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইউরোপের বিশেষ পরিকল্পনা; জোটে নেই যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্ব ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১২:৩৭:১৪
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইউরোপের বিশেষ পরিকল্পনা; জোটে নেই যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে এক বিশাল ‘যুদ্ধোত্তর পরিকল্পনা’ হাতে নিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলো। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে প্রস্তাবিত এই আন্তর্জাতিক জোটের মূল লক্ষ্য হলো প্রণালি থেকে মাইন অপসারণ ও নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে এই পরিকল্পনার সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হলো, কৌশলগত কারণে এই মিশনে যুক্তরাষ্ট্রকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দেওয়ার কারণ:

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ মঙ্গলবার স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মিশনে সরাসরি ‘যুদ্ধরত কোনো পক্ষ’ অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল কিংবা ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। ইউরোপীয় কূটনীতিকদের মতে, মূলত ইরানের সম্মতি আদায় এবং অঞ্চলে উত্তেজনা কমাতেই এই পদক্ষেপ। এই মিশনে নিয়োজিত ইউরোপীয় জাহাজগুলো মার্কিন কমান্ডের অধীনে পরিচালিত হবে না।

জার্মানির অংশগ্রহণ ও জোটের শক্তি:

এই পরিকল্পনার একটি বড় সাফল্য হলো জার্মানির অংশগ্রহণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী আইনি ও রাজনৈতিক বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও জার্মানি এই মিশনে যুক্ত হতে রাজি হয়েছে, যা ইউরোপীয় দেশগুলোর ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করেছে। মূলত শিপিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাই এই জোটের প্রধান উদ্দেশ্য।

শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক:

আগামী শুক্রবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক অনলাইন বৈঠকের আয়োজন করেছেন। সেখানে চীন ও ভারতসহ ডজনখানেক দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও যুক্তরাষ্ট্রকে রাখা হয়েছে আমন্ত্রিত তালিকার বাইরে। যদিও ব্রিটেন আশঙ্কা করছে যে যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দেওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হতে পারেন, তবে ফ্রান্স মনে করছে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে মার্কিনহীন এই জোটই বেশি কার্যকর হবে।

পরিকল্পনার তিনটি প্রধান ধাপ:

১. লজিস্টিক সহায়তা: বর্তমানে প্রণালিতে আটকে পড়া শত শত বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে বের করে আনা।

২. মাইন অপসারণ: সমুদ্রতলে পুঁতে রাখা মাইনগুলো পরিষ্কার করা। উল্লেখ্য, মাইন অপসারণের ক্ষেত্রে ইউরোপের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও উন্নত প্রযুক্তি ও জাহাজ রয়েছে।

৩. সামরিক নজরদারি: নিয়মিত প্রহরার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জাহাজ চলাচল নিরাপদ করা।

বাস্তবায়নের শর্ত:

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোট জানিয়েছেন, এই মিশনটি কেবল তখনই কার্যকর হবে যখন অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে এবং সব ধরনের শত্রুতা বন্ধ হবে। এই জোট ইরান ও ওমানের সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। মূলত ২০২৪ সালে লোহিত সাগরে পরিচালিত ‘অপারেশন অ্যাসপিডস’-এর আদলে এই নতুন পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

কলকাতায় যোগ দিচ্ছেন পাথিরানা!

কলকাতায় যোগ দিচ্ছেন পাথিরানা!

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) বাধ্যতামূলক ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেয়েছেন তরুণ ...

দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুসংবাদ

দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুসংবাদ

জ্বালানি সংকটে স্বস্তির খবর: চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাল ডিজেলের বড় দুটি জাহাজ নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির ...

ফুটবল

বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার শক্তিশালী দল ঘোষণা

বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার শক্তিশালী দল ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র দুই মাস। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে ...

বিশ্বকাপের দুই মাস বাকি: স্কালোনি চূড়ান্ত করলেন আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড

বিশ্বকাপের দুই মাস বাকি: স্কালোনি চূড়ান্ত করলেন আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড

ক্রীড়া প্রতিবেদক: বিশ্বমঞ্চে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশনে নামার আর মাত্র দুই মাস বাকি। এর মধ্যেই ...