সোহাগ আহমদে
সিনিয়র রিপোর্টার
ইরানের হুঁশিয়ারি: অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ
হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধের দামামা: ট্রাম্পের হুঙ্কার ও ইরানের পাল্টা চ্যালেঞ্জ
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এখন উত্তাল পারস্য উপসাগর। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের জবাবে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের অনুমতি ছাড়া এই জলপথে কোনো জাহাজ চলবে না। তেহরানের এই অনড় অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে এখন যুদ্ধের আবহ বিরাজ করছে।
ট্রাম্পের ঘোষণা ও তেলের বাজারে অস্থিরতা
ঘটনার সূত্রপাত ট্রাম্পের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে। সেখানে তিনি ঘোষণা করেন, বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে মার্কিন নৌবাহিনী এখন থেকে হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারগুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাবে। এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের (ব্র্যান্ড ক্রুড অয়েল) দাম প্রতি ব্যারেলে ৯৩ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। হোয়াইট হাউস আশা করেছিল মার্কিন সামরিক শক্তির দাপটে ইরান পিছু হটবে, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন রূপ নিয়েছে।
ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি ও ঐতিহাসিক সতর্কতা
ইরানি গার্ডের মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি মার্কিন পদক্ষেপকে উপহাস করে বলেছেন, তারা মার্কিন সেনাদের উপস্থিতির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তবে এই বার্তার আড়ালে লুকিয়ে আছে চরম সতর্কতা। আইআরজিসি ১৯৮৭ সালের কুখ্যাত 'ব্রিজটন' ট্যাংকার দুর্ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেছে, মাইনের আঘাতে যেভাবে সেই মার্কিন জাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছিল, বর্তমান নৌসেনাদের কপালে তেমন কিছুই অপেক্ষা করছে। তেহরানের বার্তা পরিষ্কার—তাদের আঙ্গিনায় কোনো দখলদারকে বরদাস্ত করা হবে না।
সমুদ্রে শক্তির মহড়া ও জাহাজ হামলা
কথার লড়াই ছাপিয়ে সমুদ্রের বুকেও শক্তিমত্তা প্রদর্শন শুরু করেছে ইরান। গত ৭ মার্চ মাল্টার পতাকাবাহী 'প্রিমা' নামক একটি তেল ও রাসায়নিক ট্যাংকারের ওপর হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানি সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, সতর্ক সংকেত উপেক্ষা করে জাহাজটি নিষিদ্ধ পথে যাওয়ার চেষ্টা করায় তারা এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই উত্তেজনায় এ পর্যন্ত অন্তত নয়টি বিশালকার জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে গভীর সংকটে ফেলেছে।
অনিশ্চয়তার মুখে বিশ্ব অর্থনীতি
ট্রাম্প দাবি করছেন, তার নেওয়া বীমা ব্যবস্থা ও কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং যুদ্ধ শেষ হলে তেলের দাম কমে যাবে। তবে যুদ্ধের সমাপ্তি কোথায়, তা নিয়ে খোদ পেন্টাগনই এখন দ্বিধাদ্বন্দ্বে। ট্রাম্পের 'পলিটিক্যাল রিস্ক ইনস্যুরেন্স' দেওয়ার ঘোষণাটি ট্যাংকার মালিকদের আশ্বস্ত করার একটি কৌশল মাত্র। কিন্তু ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলা এই বীমার তোয়াক্কা করবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
হরমুজ প্রণালী এখন কেবল একটি নৌপথ নয়, বরং পরাশক্তিদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এক মরণপণ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- কেন পে-স্কেল দিতে পারল না অন্তর্বর্তী সরকার? আসল কারণ জানালেন শফিকুল আলম
- ঈদের আগেই কি নতুন পে-স্কেল; যা জানা গেল
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর
- আজকের সোনার বাজারদর: ২০ এপ্রিল ২০২৬
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মিলতে পারে নবম পে-স্কেল
- টানা ১০ দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা: কোন কোন জেলায় ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঝড়
- সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ মনোনয়ন: তালিকায় যারা
- ৯০ মিনিটের খেলা শেষ, আর্জেন্টিনা বনাম কলম্বিয়া ফাইনাল; জানুন ফলাফল
- আজকের সোনার বাজারদর: ২১ এপ্রিল ২০২৬
- দেশের বাজারে আজ একভরি স্বর্ণের দাম
- নতুন পে-স্কেল নিয়ে বড় আপডেট: কবে বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন
- Sri Lanka Women Vs Bangladesh Women; সরাসরি দেখুন এখানে
- আজকের সকল টাকার রেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬
- কত বাড়ছে বাস ভাড়া!
- কাল শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক ১৪ নির্দেশনা
