আসন্ন ঈদুল ফিতর থেকেই শতভাগ ভাতা ও পে-স্কেলের দাবি
আসন্ন ঈদুল ফিতর থেকেই শতভাগ উৎসব ভাতার দাবি বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ঈদুল ফিতর থেকে শতভাগ উৎসব ভাতা এবং অবিলম্বে নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীরা। সেই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া বর্তমানের মতো এনটিআরসিএ-র অধীনেই রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতার দাবি
দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি শিক্ষকরা সরকারি কর্মচারীদের মতো পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতার দাবি জানিয়ে আসছেন। বর্তমানে তারা মূল বেতনের মাত্র ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা পান। শিক্ষক নেতাদের মতে, দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে সামান্য এই ভাতার মাধ্যমে উৎসব পালন করা অসম্ভব। তাই আসন্ন ঈদুল ফিতর থেকেই শতভাগ উৎসব ভাতা চালুর জন্য তারা সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন
একই সঙ্গে তারা নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারির দাবি তুলেছেন। কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা না হলে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বিলম্ব না করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারীদের স্বস্তি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়া কমিটির হাতে ফেরানোর বিরোধিতা
সংবাদটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এনটিআরসিএ-র (NTRCA) মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থা বজায় রাখা। শিক্ষক সংগঠনগুলো স্পষ্ট জানিয়েছে যে—অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া কোনোভাবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির হাতে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। তাদের মতে, কমিটির হাতে নিয়োগ ক্ষমতা ফিরে গেলে স্বচ্ছতা হারাবে এবং দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সুযোগ তৈরি হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে এই নিয়োগসমূহ এনটিআরসিএ-র মাধ্যমেই সম্পন্ন হওয়া জরুরি বলে তারা মনে করেন।
বক্তব্য ও হুঁশিয়ারি
সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, এই দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হলে তারা কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে বাধ্য হবেন। বিশেষ করে উৎসব ভাতার বৈষম্য নিরসন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা নিয়ে তারা কোনোভাবেই আপস করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সোহাগ/
