বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ভয়ংকর সতর্কবার্তা: ধেয়ে আসছে 'সুপার এল নিনো'
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জলবায়ু বিপর্যয়ের নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, চলতি বছরের মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে শক্তিশালী এল নিনো তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরবর্তীতে ভয়ংকর সুপার এল নিনোতে রূপ নিতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজউইকের এক প্রতিবেদনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
এল নিনো ও বৈশ্বিক প্রভাব
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) তথ্যমতে, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে এল নিনো তৈরির সম্ভাবনা ৬১ শতাংশ। এই প্রাকৃতিক অবস্থা ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের গড় তাপমাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকলে তাকে সুপার এল নিনো বলা হয়। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ২০২৪ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার ১৫ শতাংশ শঙ্কা রয়েছে।
অঞ্চলভেদে আবহাওয়ার পরিবর্তন
এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আবহাওয়া চরম রূপ ধারণ করতে পারে:
* ভারত ও এশিয়া: ওয়াশিংটন পোস্টের আবহাওয়াবিদ বেন নোল জানিয়েছেন, আসন্ন অক্টোবরে মধ্য ও উত্তর ভারতে তীব্র খরা দেখা দিতে পারে। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ঘাটতি কৃষি উৎপাদনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনেও খরার ঝুঁকি রয়েছে।
* যুক্তরাষ্ট্র: দেশটির মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত বাড়লেও উপকূলীয় অঞ্চলগুলো দীর্ঘ সময় শুষ্ক থাকতে পারে। তবে টেক্সাসসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহের ঝুঁকি রয়েছে।
* আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা: এসব মহাদেশের বিভিন্ন অংশে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং মধ্যপ্রাচ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় আবহাওয়া পরিস্থিতি বেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে।
* সমুদ্র ও ঝড়: আটলান্টিক মহাসাগরে হারিকেন বা ক্রান্তীয় ঝড়ের সংখ্যা কমলেও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঝড়ের সক্রিয়তা অনেক বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অনিশ্চয়তা ও সতর্কতা
ইউরোপীয় আবহাওয়া সংস্থাগুলোর মতে, বসন্তকালীন পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কৃষিনির্ভর দেশগুলোকে আসন্ন খরা ও তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
সারকথা: প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ জলপ্রবাহ বা এল নিনোর কারণে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। এটি কেবল তাপমাত্রাই বাড়াবে না, বরং এশিয়ায় খরা এবং আমেরিকায় তীব্র তাপপ্রবাহের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বয়ে আনতে পারে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- একটু পর শুরু, বাংলাদেশ বনাম সিরিয়া অনূর্ধ্ব-২০: লাইভ দেখুন এখানে
- চলছে বাংলাদেশ-সিরিয়া অনূর্ধ্ব-২০ ম্যাচ, লাইভ দেখুন এখানে
- ৯০ মিনিটের খেলা শেষ; বাংলাদেশ-সিরিয়া অনূর্ধ্ব-২০, জানুন ফলাফল
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- সরকারি চাকরিজীবীদের মোবাইল ভাতায় বড় পরিবর্তন
- ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬: গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে কখন
- যে কোনো সময় নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ
- আগামীকাল সিরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ; লাইভ যেভাবে দেখবেন
- ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের দাম কমল, নতুন দাম কত
- বিকেল ৫টায় সিরিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ, লাইভ দেখবেন যেভাবে
- একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু!
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- ৩ মাসে ৬ লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের আভাস, জানাল আবহাওয়া অফিস
- নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা, মিলছে বড় সুখবর
- এক ব্যক্তির নামে সিম ৫টিতে নামানোর উদ্যোগ, বন্ধ হতে পারে ৪ কোটি
