আশা ইসলাম
রিপোর্টার
ঘরে যে ৪ প্রানী থাকলে সংসারে অভাব লেগেই থাকে
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্বাস ও লোকসংস্কৃতিতে ঘরের বরকত ও অভাব দূর করার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ধারণা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু প্রাণী ঘরে থাকলে অভাব লেগেই থাকে—এমন কোনো স্পষ্ট বা সহিহ ধর্মীয় দলিল নেই। মূলত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং ক্ষতিকর স্বভাবের কারণে কিছু প্রাণীকে ঘরে রাখা বা পুষতে নিরুৎসাহিত করা হয়।
লোকবিশ্বাস ও স্বাস্থ্যগত দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে ৪টি প্রাণীর বিবরণ দেওয়া হলো:
১. ইঁদুর (সংসারে অপচয় ও রোগ ছড়ায়)
* অভাবের সম্পর্ক: ইঁদুর ঘরে থাকা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এরা ঘরের চাল, ডাল, কাপড়-চোপড় এবং মূল্যবান জিনিসপত্র কেটে নষ্ট করে। সংসারে এই ধরণের অপচয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি অভাব ডেকে আনে।
* স্বাস্থ্যঝুঁকি: ইঁদুর প্লেগসহ নানা রকম মারাত্মক রোগ ছড়ায়, যা পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসায় বড় অঙ্কের ব্যয় বাড়ায়।
২. মাকড়সা (অপরিচ্ছন্নতার প্রতীক)
* অভাবের সম্পর্ক: ঘরে মাকড়সার জাল থাকা অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ। লোকবিশ্বাসে মনে করা হয়, যে ঘরে মাকড়সার জাল থাকে, সে ঘরে বরকত কমে যায় এবং দারিদ্র্য ভর করে।
* পরিচ্ছন্নতা: ঘর নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে মাকড়সা জাল বোনে। ইসলামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অঙ্গ বলা হয়েছে, তাই ঘর নোংরা রাখা বরকত কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।
৩. ক্ষতিকর কালো কুকুর (ফেরেশতা প্রবেশে বাধা)
* ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ: ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, শিকার, ফসলের নিরাপত্তা বা পাহারাদারির প্রয়োজন ছাড়া শখ করে ঘরের ভেতরে কুকুর রাখা নিষিদ্ধ। সহিহ হাদিস অনুযায়ী, যে ঘরে কুকুর বা প্রাণীর ছবি থাকে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। রহমতের ফেরেশতা না এলে ঘরের শান্তি ও বরকত চলে যায়।
* ব্যতিক্রম: ঘরের বাইরে পাহারাদারি বা নিরাপত্তার জন্য কুকুর রাখায় কোনো বাধা নেই।
৪. বিষাক্ত ও ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ (যেমন: বিচ্ছু বা চামচিকা)
* অভাবের সম্পর্ক: ঘরের অন্ধকার কোণে বা অবিন্যস্ত জায়গায় চামচিকা, বিচ্ছু বা বিষাক্ত পোকা-মাকড় বাসা বাঁধলে তা ঘরের নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে। এগুলো পরিবারের সদস্যদের মনে ভয় ও মানসিক অশান্তি বাড়ায়, যা পরোক্ষভাবে সংসারের প্রগতিতে বাধা দেয়।
সংসারে অভাব দূর করার প্রকৃত উপায়
ইসলামী বিধান অনুযায়ী সংসারে অভাব দূর করতে এবং বরকত বাড়াতে নিচের আমলগুলো করা উচিত:
* নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত: বিশেষ করে ঘরে নিয়মিত সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করলে অভাব দূর হয়।
* তওবা ও ইস্তিগফার: বেশি বেশি ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করলে আল্লাহ রিজিক বাড়িয়ে দেন।
* সদকা বা দান করা: সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সদকা করলে সম্পদে বরকত আসে।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ১৫ আগস্ট ২০২৬
- ৯ম পে-স্কেলের খসড়া: গ্রেড-১ এ ১ লাখ ৩০ হাজার, গ্রেড-২০ এ ২০ হাজার
- ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় সেরা ৫ স্মার্টফোন
- শনিবার টানা ৮ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ৮০ মিনিটের খেলা শেষ; ইন্টার মায়ামি বনাম ন্যাশভিল, জানুন ফলাফল
- চলতি মাসেই বাজারে আসছে Yamaha R2, শুরু প্রি-বুকিং
- নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত, জানা গেল নতুন প্রস্তাব
- সোনার দাম আবারও বাড়ল, ভরিতে নতুন দর কত
- বাংলাদেশে ইনফিনিক্স HOT 70 Pro 5G, দাম কত ফিচার কি
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
- ২০০MP ক্যামেরায় সেরা ৫ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন
- জানুয়ারির শুরুতেই ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ১৫ আগস্ট ২০২৬
- দুই ধাপে বাস্তবায়ন হচ্ছে নবম পে স্কেল, খসড়া যাচ্ছে মন্ত্রিসভায়
- Xiaomi 18 Pro-তে থাকবে না গ্লাস ব্যাক, আসছে ৫ রঙে
