| ঢাকা, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

এলোপাতাড়ি গো'লা'ব'র্ষ'ণে ১২০ জনের মৃ'ত্যু

বিশ্ব ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৫ জানুয়ারি ১৫ ০৮:৫৭:০৬
এলোপাতাড়ি গো'লা'ব'র্ষ'ণে ১২০ জনের মৃ'ত্যু

সুদানের রাজধানী খার্তুমের বৃহত্তর এলাকায় ভয়াবহ গোলাবর্ষণের ফলে কমপক্ষে ১২০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। দেশব্যাপী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে সংঘর্ষের তীব্রতা বাড়ার কারণে এই মর্মান্তিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ওমদুরমানের পশ্চিমাঞ্চলে সোমবারের এই এলোপাতাড়ি গোলাবর্ষণে ১২০ জন নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকর্মীদের নেটওয়ার্ক ‘ওমবাদা ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুম’ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তবে হামলার জন্য দায়ী পক্ষ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, গোলাবর্ষণে বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী প্রয়োজন। তবে, চরম স্বাস্থ্য সংকটের কারণে অনেককেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও আরএসএফ-এর মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই চলছে। বর্তমানে ওমদুরমানের বেশিরভাগ এলাকা সেনাবাহিনীর দখলে থাকলেও, আরএসএফ খার্তুমের উত্তরের অংশসহ রাজধানীর আরও কিছু এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানে, নীল নদের উভয় তীরে প্রতিদিনই গোলাবর্ষণের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ উভয় পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে, পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা এবং আবাসিক এলাকায় নির্বিচারে গোলাবর্ষণের অভিযোগ উঠছে।

ওমদুরমানের ওমবাদা এলাকায় গত আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মারাত্মক অপুষ্টি, ম্যালেরিয়া এবং ডায়রিয়ায় ৭০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা বলছেন, চিকিৎসাসামগ্রী না থাকায় আহতদের সঠিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) শুক্রবার জানিয়েছে, এ বছর সুদানে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৩২ লাখ শিশু তীব্র অপুষ্টির শিকার হতে পারে।

আইপিসির (ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদানের পাঁচটি এলাকায় ইতিমধ্যে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে। এছাড়া, দুই কোটি ৪৬ লাখেরও বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (আইপিসি) সতর্ক করেছে যে, কেবলমাত্র একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতি দেশটিকে দুর্ভিক্ষের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। তবে, সেনাবাহিনী ও আরএসএফ-এর মধ্যে সংঘর্ষ বন্ধের কোনো লক্ষণ এখনও দৃশ্যমান নয়।

সুদানের এই মানবিক সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। যতদিন যুদ্ধ থামবে না, ততদিন সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে।

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক: বৃষ্টির কারণে এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর পুরুষ ক্রিকেটে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি ...

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ। নিরাপত্তা শঙ্কার ...

ফুটবল

বিশ্বকাপের পর প্রথমবার মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ বলিভিয়া

বিশ্বকাপের পর প্রথমবার মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ বলিভিয়া

খেলাধুলা ডেস্ক: ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জমকালো আসর শেষ হওয়ার পর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ...

ব্রাজিল বনাম ভারত; সরাসরি যেভাবে দেখবেন

ব্রাজিল বনাম ভারত; সরাসরি যেভাবে দেখবেন

স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় ধামাকা নিয়ে উপমহাদেশের মাটিতে পা রাখছে লাতিন ...