ইউনূসের আশ্বাস: ৪-৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সাথে, নির্বাচন বানচালের যেকোনো অপচেষ্টাকে সম্মিলিতভাবে রুখে দেওয়ার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল শনিবার বিকেলে ১৪টি রাজনৈতিক দলের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে রাজনৈতিক দলের নেতারা এই তথ্য জানান। একই বৈঠকে তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্যও প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ করেন।
বৈঠক ও আলোচনার মূল বিষয়বস্তু
দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস শনিবার বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আরও ১৪টি রাজনৈতিক দলের সাথে বৈঠকে বসেন।
বৈঠকের শুরুতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে অগ্রসর হলেই নানা ষড়যন্ত্র সামনে আসছে। এই ষড়যন্ত্রগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রত্যাশা ও দাবি
বৈঠক শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা জানান, প্রধান উপদেষ্টা জুলাই সনদ ঘোষণার পাশাপাশি নির্বাচনী রোডম্যাপও ঘোষণা করবেন**। তারা নিশ্চিত করেন যে, আগামী তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আভাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
রাজনৈতিক দলের একজন নেতা বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা ক্যাটাগরিকালি উনি বলেছেন আগামী চার পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচনের একটা সুনির্দিষ্ট সময়সীমা, তারিখ উনি ঘোষণা করবেন।"
আরেকজন নেতা মন্তব্য করেন, "প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের প্রধান মিশনই হচ্ছে নির্বাচন এবং এই ১৭ বছর কিন্তু আমরা নির্বাচনের জন্যই আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি। এই যে আওয়ামী দোষরা সব জায়গায় যেগুলো সৃষ্টি করতে চেষ্টা করছে এগুলো একত্রিতভাবে যেমন আমরা মোকাবেলা করতে চেষ্টা করেছি এর আগেও, এখন আরো শক্ত হাত এগুলো সব দমন করার জন্য একত্রিতভাবে আমরা কাজ করব।"
রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা আরও জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভেতর থেকে ফ্যাসিবাদী ব্যক্তিদের সরাতে হবে, অন্যথায় সুষ্ঠু নির্বাচনে প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে।
তারা আরও বলেন, "আমরা সহযোগিতা করছি উনাকে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যদি উন্নতি না ঘটে তাহলে সেটা কিভাবে হবে?"
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল আপত্তি জানিয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা তাদের আশ্বস্ত করেছেন এবং দলগুলো নিশ্চিত হতে চেয়েছে যে, সরকার তড়িঘড়ি করে এককভাবে কোনো পদক্ষেপ নেবে না, বরং দেশের সকল অংশীজন, বিশেষ করে বড় রাজনৈতিক পক্ষগুলোকে এর সাথে অন্তর্ভুক্ত করবে। এছাড়াও, তারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ওপর জোর দেন।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা!
- আজকের সোনার বাজারদর: ৫ এপ্রিল ২০২৬
- আজকের সকল টাকার রেট: ৫ এপ্রিল ২০২৬
- দেশের বাজারে আজকের স্বর্ণের দাম
- আজ শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি; কারা পাবেন
- আসছে টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগ
- ‘পে-স্কেল’ নিয়ে বড় জটিলতায় সরকার
- কমে গেল কর্মঘণ্টা; নতুন সময়সূচিতে চলবে সরকারি-বেসরকারি অফিস
- যে অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা
- তরমুজের বীজ কি ক্ষতিকর!
- সরকারি চাকরিতে প্রবেশে নতুন বয়সসীমা করে সংসদে বিল পাস
- এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ছে না
