| ঢাকা, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

সোহাগ আহমদে

সিনিয়র রিপোর্টার

১৪০ বছর পর যে বিপদে পড়তে যাচ্ছে পৃথিবী

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ এপ্রিল ২৪ ২১:৫৩:৩৬
১৪০ বছর পর যে বিপদে পড়তে যাচ্ছে পৃথিবী

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ ১৪০ বছরের আবহাওয়ার ইতিহাস ওলটপালট করে দিয়ে ধেয়ে আসছে এক দানবীয় প্রাকৃতিক শক্তি—সুপার এল নিনো। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের যে সতর্কবার্তা বিজ্ঞানীরা এতদিন দিয়ে আসছিলেন, তাকে ছাড়িয়ে এক চরম ও অসহনীয় উষ্ণতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পৃথিবী। এর প্রভাবে আগামী বছর বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে, যার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়বে ভয়াবহ ঝড়, খরা ও বন্যার মতো দুর্যোগ।

সুপার এল নিনো আসলে কী?

প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশের পানির তাপমাত্রা যখন স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যায়, তখন তাকে ‘এল নিনো’ বলা হয়। কিন্তু এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি যখন ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন তাকে বলা হয় ‘সুপার এল নিনো’। বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রশান্ত মহাসাগরে ঠিক এমনই এক শক্তিশালী এল নিনো দানা বাঁধছে।

বৈশ্বিক প্রভাবের চরম রূপ:

মার্কিন জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এবারের এল নিনো গত ১৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে। এর প্রভাব হবে বৈচিত্র্যময় ও চরম:

* তীব্র খরা: অস্ট্রেলিয়া, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আমাজন রেইন ফরেস্টে দেখা দিতে পারে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ ও খরা।

* অতিবৃষ্টি ও বন্যা: যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্য দক্ষিণ এশিয়ায় অতিবৃষ্টির ফলে হঠাৎ বন্যার ঝুঁকি বাড়বে।

বাংলাদেশের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য এল নিনোর প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগের। এর ফলে:

১. বৃষ্টিপাত হ্রাস: মৌসুমী বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ায় বর্ষাকালে বৃষ্টি কমে যাবে, যা আমন ও আউশ ধানের চাষাবাদকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে।

২. চরম তাপমাত্রা: শীতকালে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গরম অনুভূত হবে এবং গ্রীষ্মকালে দীর্ঘমেয়াদী ও তীব্র হিটওয়েভ বা তাপপ্রবাহ দেখা দেবে।

৩. খাদ্য নিরাপত্তা: দীর্ঘ খরা ও অনাবৃষ্টি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

অতীতের অভিজ্ঞতা:

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ২০১৫ সালের সুপার এল নিনোর প্রভাবে ইথিওপিয়ায় চরম খরা এবং পুয়ের্তো রিকোয় তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছিল। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, প্রকৃতির এই সম্ভাব্য রুদ্রমূর্তি মোকাবিলায় এখনই বিশ্বজুড়ে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এর ভয়াবহতা সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্টি হওয়া সুপার এল নিনোর কারণে আগামী বছর বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সব রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে। বাংলাদেশের কৃষিখাত ও জনজীবনে এর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান; সরাসরি দেখুন এখানে

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান; সরাসরি দেখুন এখানে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বহুল ...

রাজনীতিতে নিজের অবস্থান জানালেন সাকিব

রাজনীতিতে নিজের অবস্থান জানালেন সাকিব

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। তিনি ...

ফুটবল

বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য ভবিষ্যদ্বাণী; চ্যাম্পিয়ন নতুন দেশ

বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য ভবিষ্যদ্বাণী; চ্যাম্পিয়ন নতুন দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে এবার আলোচনায় এসেছে এক চমকপ্রদ পূর্বাভাস। প্যানমোর লিব্রাম নামের ...

বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার জোড়া মিশন: প্রতিপক্ষ কারা

বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার জোড়া মিশন: প্রতিপক্ষ কারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জুন মাসে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে ...