| ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

'শতাব্দীর ভয়াবহতম ঝড়' নিয়ে উদ্বেগজনক নতুন তথ্য!

বিশ্ব ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৫ জুলাই ১৭ ১০:৪৮:১১
'শতাব্দীর ভয়াবহতম ঝড়' নিয়ে উদ্বেগজনক নতুন তথ্য!

যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে ভয়াবহ তুষারপাত, বৃষ্টি আর বন্যা নিয়ে আছড়ে পড়া সবচেয়ে বিধ্বংসী নর’ইস্টার ঝড়গুলো জলবায়ু দূষণের প্রভাবে আরও বেশি প্রলয়ঙ্করী হয়ে উঠছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় এমনটাই জানানো হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে নর’ইস্টার ঝড়ের সৃষ্টি হয়। উত্তরের ঠান্ডা আর্কটিক বাতাস এবং আটলান্টিক মহাসাগরের উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাসের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণেই এই ঝড়গুলো জন্ম নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর জন্য এই ধরনের ঝড় বরাবরই এক বিশাল হুমকি হয়ে দেখা দেয়। খবর সিএনএনের।

১৯৯৩ সালে ‘শতাব্দীর ভয়াবহতম ঝড়’ বা ‘স্টর্ম অব দ্য সেঞ্চুরি’ ঘণ্টায় ১০০ মাইলের বেশি গতির ঝোড়ো বাতাস নিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল। কোথাও কোথাও প্রায় ৬০ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাত হয়েছিল এবং এতে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া, ২০১০ সালের 'স্নোম্যাগেডন' পেনসিলভানিয়া, মেরিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া এবং ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় ২০ ইঞ্চির বেশি তুষারপাত ঘটায়। সেই ঝড়ে ৪১ জন নিহত হন এবং লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন।

পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিজ্ঞানী মাইকেল মান, যিনি এই নতুন গবেষণার সহ-লেখক, তিনি জানান যে স্নোম্যাগেডন ঝড়ের সময় তিনি ফিলাডেলফিয়ার একটি হোটেল রুমে তিন দিন আটকা পড়েছিলেন। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতাই তার মনে প্রশ্ন জাগিয়েছিল— জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই ঝড়গুলোর আচরণ কীভাবে পাল্টাচ্ছে?

গবেষকরা ১৯৪০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়কালের ৯০০টি নর’ইস্টার ঝড় নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। একটি বিশেষ সাইক্লোন ট্র্যাকিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এই গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে শক্তিশালী নর’ইস্টার ঝড়গুলোর গড় সর্বোচ্চ বাতাসের গতি ১৯৪০ সালের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ৬ শতাংশ গতি বৃদ্ধিই ঝড়ের ধ্বংসক্ষমতা প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে। গবেষক মান বলেন, "এটা এক বিশাল বিষয়।" ঝড়গুলোর বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের হারও প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, উষ্ণ পৃথিবীর কারণে নর’ইস্টার ঝড়ের সংখ্যা হয়তো কমে যাবে। কারণ আর্কটিক অঞ্চলের উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ায় ঠাণ্ডা ও উষ্ণ বাতাসের মধ্যকার পার্থক্য কমে আসছে, যা এই ঝড় তৈরিতে মূল উপাদান ছিল। তবে ঝড়ের সংখ্যা কমলেও, যেগুলো সৃষ্টি হবে, সেগুলো হবে আরও বেশি তীব্র ও বিধ্বংসী। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের এক স্পষ্ট এবং ভয়ঙ্কর প্রভাব বলে গবেষকরা সতর্ক করেছেন।

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

সেপ্টেম্বরে নয়, ভারত আসতে পারে আগামী বছরের জানুয়ারিতে

সেপ্টেম্বরে নয়, ভারত আসতে পারে আগামী বছরের জানুয়ারিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে ভারতের ক্রিকেট দলের প্রস্তাবিত সফর নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আগামী ...

সাব্বিরের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার টানা জয় বাংলাদেশের

সাব্বিরের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার টানা জয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাব্বির রহমানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে হোবার্ট হারিকেন্স একাডেমিকে হারিয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স ...

ফুটবল

মেসির পর আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি কার গায়ে উঠবে

মেসির পর আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি কার গায়ে উঠবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: যে দিনটির অপেক্ষা কেউ করতে চাননি, শেষ পর্যন্ত সেই দিনই এসে গেল। লিওনেল ...

এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি। দুই দশকের বেশি ...