| ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

'শতাব্দীর ভয়াবহতম ঝড়' নিয়ে উদ্বেগজনক নতুন তথ্য!

বিশ্ব ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৫ জুলাই ১৭ ১০:৪৮:১১
'শতাব্দীর ভয়াবহতম ঝড়' নিয়ে উদ্বেগজনক নতুন তথ্য!

যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে ভয়াবহ তুষারপাত, বৃষ্টি আর বন্যা নিয়ে আছড়ে পড়া সবচেয়ে বিধ্বংসী নর’ইস্টার ঝড়গুলো জলবায়ু দূষণের প্রভাবে আরও বেশি প্রলয়ঙ্করী হয়ে উঠছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় এমনটাই জানানো হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে নর’ইস্টার ঝড়ের সৃষ্টি হয়। উত্তরের ঠান্ডা আর্কটিক বাতাস এবং আটলান্টিক মহাসাগরের উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাসের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণেই এই ঝড়গুলো জন্ম নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর জন্য এই ধরনের ঝড় বরাবরই এক বিশাল হুমকি হয়ে দেখা দেয়। খবর সিএনএনের।

১৯৯৩ সালে ‘শতাব্দীর ভয়াবহতম ঝড়’ বা ‘স্টর্ম অব দ্য সেঞ্চুরি’ ঘণ্টায় ১০০ মাইলের বেশি গতির ঝোড়ো বাতাস নিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল। কোথাও কোথাও প্রায় ৬০ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাত হয়েছিল এবং এতে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া, ২০১০ সালের 'স্নোম্যাগেডন' পেনসিলভানিয়া, মেরিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া এবং ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় ২০ ইঞ্চির বেশি তুষারপাত ঘটায়। সেই ঝড়ে ৪১ জন নিহত হন এবং লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন।

পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিজ্ঞানী মাইকেল মান, যিনি এই নতুন গবেষণার সহ-লেখক, তিনি জানান যে স্নোম্যাগেডন ঝড়ের সময় তিনি ফিলাডেলফিয়ার একটি হোটেল রুমে তিন দিন আটকা পড়েছিলেন। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতাই তার মনে প্রশ্ন জাগিয়েছিল— জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই ঝড়গুলোর আচরণ কীভাবে পাল্টাচ্ছে?

গবেষকরা ১৯৪০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়কালের ৯০০টি নর’ইস্টার ঝড় নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। একটি বিশেষ সাইক্লোন ট্র্যাকিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এই গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে শক্তিশালী নর’ইস্টার ঝড়গুলোর গড় সর্বোচ্চ বাতাসের গতি ১৯৪০ সালের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ৬ শতাংশ গতি বৃদ্ধিই ঝড়ের ধ্বংসক্ষমতা প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে। গবেষক মান বলেন, "এটা এক বিশাল বিষয়।" ঝড়গুলোর বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের হারও প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, উষ্ণ পৃথিবীর কারণে নর’ইস্টার ঝড়ের সংখ্যা হয়তো কমে যাবে। কারণ আর্কটিক অঞ্চলের উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ায় ঠাণ্ডা ও উষ্ণ বাতাসের মধ্যকার পার্থক্য কমে আসছে, যা এই ঝড় তৈরিতে মূল উপাদান ছিল। তবে ঝড়ের সংখ্যা কমলেও, যেগুলো সৃষ্টি হবে, সেগুলো হবে আরও বেশি তীব্র ও বিধ্বংসী। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের এক স্পষ্ট এবং ভয়ঙ্কর প্রভাব বলে গবেষকরা সতর্ক করেছেন।

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

ব্যক্তিগত পুরস্কার জেতায় শীর্ষে সূর্যবংশী: পেলেন যত টাকা

ব্যক্তিগত পুরস্কার জেতায় শীর্ষে সূর্যবংশী: পেলেন যত টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ আইপিএলের পর্দা নেমেছে জমজমাট এক ফাইনালের মধ্য দিয়ে। আহমেদাবাদের মহারণে গুজরাট টাইটান্সকে ...

ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বড় লাফ

ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বড় লাফ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আইসিসির সর্বশেষ ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে সুখবর পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। অবস্থানের পরিবর্তন না হলেও ...

ফুটবল

মার্টিনেজের বিকল্প কে? বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট নিয়ে নতুন আলোচনা

মার্টিনেজের বিকল্প কে? বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট নিয়ে নতুন আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট মানেই এখন এক নাম, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। কাতার বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সে দলকে ...

বাংলাদেশ থেকে ইউটিউবে ফ্রিতে দেখা যাবে ২০২৬ বিশ্বকাপ; জেনে নিন সহজ উপায়

বাংলাদেশ থেকে ইউটিউবে ফ্রিতে দেখা যাবে ২০২৬ বিশ্বকাপ; জেনে নিন সহজ উপায়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় অপেক্ষা এখন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে। বিশ্বজুড়ে উত্তেজনার মধ্যেই বাংলাদেশের ...