অবশেষে বিজয় ও আফিফের ব্যাটে বাংলাদেশের সম্মানজনক পুঁজি, দেখেনিন তাদের রান
হারারেতে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে সতর্ক শুরু করেছিলেন তামিম ইকবাল। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে জোড়া বাউন্ডারি মেরে শেল থেকে বেরিয়ে আসার আভাস দেন তিনি। আরেক ওপেনার বিজয়ও অধিনায়কের উপস্থিতিতে হাত খুলে বাউন্ডারি মেরে রান রেট বাড়ান।
কিন্তু বিপর্যয় নেমে আসে ইনিংসের অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে। বিজয় অফসাইডের দিকে সিঙ্গেল খেলার ডাক দেন। জবাবে মিডফিল্ডে চলে যান তামিম। কিন্তু স্কয়ার অঞ্চল থেকে বল আটকান ওয়েসলি মাধব। নাগারাভা ঘড়ির কাঁটা তামিমকে বাই বলেছিল যিনি টস দিয়ে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন এবং ১৯ রান করেন।
সেই ওভারেই এক্সট্রা কভারের ওপর দিয়ে দৃষ্টিনন্দন একটি ছক্কা হাঁকান বিজয়। কিন্তু পরের ওভারেই ঘটে বিপর্যয়। ওভারের প্রথম বলে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে ধরা পড়েন নাজমুল শান্ত। দুই বল পর আপার কাট করে থার্ড ম্যাচে এনগারাভার দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন মুশফিকুর রহিম। দুজনের কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি।
দুই ওভারের মধ্যে তিন উইকেট হারালেও সাহস হারাননি বিজয়। বরং যেখানে থেমেছিলেন তামিম, সেখান থেকেই দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন এ ডানহাতি ওপেনার। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরের ওভারেই ফাইন লেগ দিয়ে ছক্কা হাঁকান তিনি। দুই ওভার পর ব্র্যাডলি ইভান্সকে ভাসান স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে।
ইনিংসের ১৭তম ওভারের চতুর্থ বলে সিঙ্গেল নিয়ে ব্যক্তিগত পঞ্চাশ পূরণ করেন বিজয়। সাবলীল ব্যাটিংয়ে মাত্র ৪৮ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ের মারে এ রান করেন তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে বিজয়ের এটি পঞ্চম ফিফটি, চলতি সিরিজের দ্বিতীয়। ফিফটির পরেও থামেনি বিজয়ের ব্যাট।
২১তম ওভারে ইভান্সের করা পায়ের ওপরের ডেলিভারিতে দারুণ এক ফ্লিক শটে সোজা গ্যালারির ছাদে পাঠিয়ে দেন এ ডানহাতি ওপেনার। পরের বলেই আবার হাঁকান বাউন্ডারি। অপরপ্রান্তে মাহমুদউল্লাহ ধীর ব্যাটিং করায় দলীয় শতরান পূরণ করতে খেলতে হয় এই ২১তম ওভার পর্যন্ত।
মনে হচ্ছিল প্রথম ম্যাচের না পাওয়া সেঞ্চুরিটি আজ হয়তো করে ফেলবেন বিজয়। কিন্তু লুক জঙউইর করা ২৫তম ওভারে ঘটে বিপক্ষে। অফস্ট্যাম্পের বাইরের বলে লেট কাট করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন বিজয়। তার ৭১ বলে ৭৬ রানের ইনিংসে ছিল ৬ চারের সঙ্গে ৪টি ছয়ের মার।
এরপর আফিফ হোসেনের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর ৫৭ বলে ৪৯ রানের জুটি। জুটিটি ভাঙে ধীরগতির মাহমুদউল্লাহ এনগারাভার একটি বল উইকেটে টেনে এনে বোল্ড হলে। ৬৯ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ৩৯ রান করেন মাহমুদউল্লাহ।
এরপর মেহেদি হাসান মিরাজও ২৪ বলে ১৪ রান করে সিকান্দার রাজার বলে এলবিডব্লিউ হন। তাইজুল রানআউট হন ৫ রানে। ২২০ রানে ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সেখান থেকে আফিফ হোসেন ধ্রুব প্রায় একাই দলকে লড়াকু পুঁজি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত থেকে বাংলাদেশকে এনে দেন ২৫৬ রানের সংগ্রহ। ৮১ বলে আফিফের ৮৫ রানের ইনিংসটিতে ছিল ৬ বাউন্ডারি আর ২টি ছক্কার মার।
জিম্বাবুইয়ান বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন ব্র্যাড ইভান্স আর লুক জঙউই।
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- দেশের বাজারে আজ একভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- Vivo S2 Pro; জেনে নিন সম্ভাব্য দাম ও ফিচার
- ফল প্রকাশের আগে এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে নতুন মোড়
- নতুন বাজাজ পালসার ১২৫-এর ঝলক, আসছে একগুচ্ছ বড় পরিবর্তন
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ০৪ আগস্ট ২০২৬
- এসএসসি ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্তে ৬ আগস্ট আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সভা
- ৫ আগস্ট থেকে টানা ৪ দিনের সরকারি ছুটি; কারা পাবেন না
- ৫ আগস্ট ছুটি হলেও যাদের অফিস খোলা থাকবে
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ০৩ আগস্ট ২০২৬
- আইএমএফের আপত্তি উপেক্ষা করেই নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে সরকার
- গেজেটে দেরি কেন; নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল
- ভারত-ব্রাজিল প্রীতি ম্যাচ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বাইচুং ভুটিয়া
- এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ-আফগানিস্তান: যেভাবে দেখবেন
- মঙ্গলবার টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের ২০% দরপতন, বাংলাদেশে কত কমলো
