বিশ্বকাপে স্পেনের দুই ম্যাচে বেটিং সন্দেহ, তদন্তের মুখে বিশ্বচ্যাম্পিয়রা
নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতেছে স্পেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে লা রোহা। তবে শিরোপা জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বিশ্বকাপে স্পেনের দুটি ম্যাচকে ঘিরে ওঠা বেটিং-সংশ্লিষ্ট সন্দেহ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম *দ্য অ্যাথলেটিক*-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পোর্টস বেটিং পর্যবেক্ষণকারী স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্রুপ অব কোপেনহেগেন বিশ্বকাপের সাতটি ম্যাচে অস্বাভাবিক কার্যক্রম শনাক্ত করেছে। এসব ম্যাচের বিষয়ে তারা ফিফার কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। ওই তালিকায় রয়েছে স্পেনের দুটি ম্যাচও।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রুপপর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের গোলশূন্য ড্র ম্যাচটি বিশেষভাবে নজরে এসেছে। ম্যাচটির আগে বিভিন্ন বেটিং প্ল্যাটফর্মে বিপুল পরিমাণ বাজি ধরা হয়েছিল যে স্পেন জয় পাবে না। ফলে ম্যাচের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং সেটি পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হয়।
এ ছাড়া সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচে ফেররান তোরেসের একটি গোল বাতিলে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) দীর্ঘ সময় নেওয়াও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওই সিদ্ধান্তের কারণ এবং পুরো প্রক্রিয়া নিয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে এই দুটি ম্যাচকে এখনই ম্যাচ পাতানো বা কারচুপির ঘটনা হিসেবে দেখছে না সংশ্লিষ্ট সংস্থা। ম্যাচগুলোকে কেবল ‘ইয়েলো অ্যালার্ট’ বা সতর্কতামূলক পর্যায়ে রাখা হয়েছে। সাধারণত অস্বাভাবিক বেটিং ধারা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব কিংবা তথ্যের অস্বাভাবিক প্রবাহ দেখা গেলে এমন সতর্কতা জারি করা হয়।
গ্রুপ অব কোপেনহেগেনের সাবেক সহযোগী ও ক্রীড়া বিশ্লেষক ক্রিশ্চিয়ান কালব জানিয়েছেন, কোনো ম্যাচে সতর্কবার্তা জারি মানেই সেখানে কারচুপি হয়েছে, এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। তার ভাষায়, অনেক সময় বেটিং বাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা, তারল্যের পরিবর্তন কিংবা অন্যান্য স্বাভাবিক কারণেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এদিকে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফিফা স্পষ্ট জানিয়েছে, টুর্নামেন্টজুড়ে ম্যাচ পাতানো বা সন্দেহজনক বেটিংয়ের কোনো প্রমাণ তাদের হাতে আসেনি। একই অবস্থান নিয়েছে গ্রুপ অব কোপেনহেগেনও। সংস্থাটি বলেছে, এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচে কারচুপি বা অবৈধ বেটিংয়ের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে যেসব ম্যাচে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে ফিফার কাছ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
স্পেনের ম্যাচ ছাড়াও আরও কয়েকটি ম্যাচ পর্যবেক্ষণে রেখেছে সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বা জোয়ান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ড-সংক্রান্ত ঘটনাগুলো। বিশেষ করে বালোগুনকে ঘিরে নির্দিষ্ট একটি বেটিং বাজারে অস্বাভাবিক কার্যক্রম লক্ষ্য করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে স্পেনের দুটি ম্যাচ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এখন পর্যন্ত ম্যাচ পাতানো বা অবৈধ বেটিংয়ের কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত বা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।
আয়শা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আবারও মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন-আর্জেন্টিনা, তারিখ নিয়ে যা জানা গেলো
- আবারও স্পেন-আর্জেন্টিনা মহারণ! কবে কখন শুরু
- এসএসসি ফল প্রকাশে নতুন সিদ্ধান্ত, যা জানাল বোর্ড
- নতুন পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ২৩ জুলাই ২০২৬
- খুলনায় রান্নার সময় সবুজ হয়ে গেল গরুর মাংস, ঘটনায় চাঞ্চল্য
- ইউরো-কোপা আমেরিকায়; কবে বসছে ফুটবলের পরবর্তী বড় আসর
- এসএসসির ফল প্রকাশ জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে, ফল দেখুন ‘একক্লিকে’
- কনটেন্ট ক্রিয়েটর বনি আমিনকে বেধড়ক পেটাল প্রবাসী যুবকেরা
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ২২ জুলাই ২০২৬
- বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা করল ফিফা
- জামায়াত এমপির বিয়ে নিয়ে সব গোপন তথ্য ফাঁস করলেন কাজী
- জেন-জি আন্দোলনের মধ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিজয়
- আবারও বাড়ল স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরিতে কত হলো
- টটেনহ্যাম ছাড়ার সিদ্ধান্ত রোমেরোর, নতুন গন্তব্য কোথায়
