| ঢাকা, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

এক নজরে দেখেনিন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পেস বোলারদের সফলতা

ক্রিকেট ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৩ নভেম্বর ১৩ ১৭:১০:২৩
এক নজরে দেখেনিন,  বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পেস বোলারদের সফলতা

বিশ্বকাপে ব্যর্থতার মিশন শেষ করে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ। নয় ম্যাচে মাত্র দুটি জয়, এবং সেইসঙ্গে বহু হিসেব-নিকেশ শেষ করে ৮ম হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন। প্রাপ্তির খাতায় যে গল্প জমা আছে তাতেও মিশে আছে বড় রকমের লজ্জা। মাসব্যাপী সফর শেষে এখন ছুটিতে আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। দলের সাফল্য-ব্যর্থতার বিশ্লেষণ চলছে। আর সেই ব্যর্থতার গল্পের একটা বড় অংশ হল বোলিং ইউনিট।

এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা ছিল দেশের পেসাররা। বিশ্বকাপের আগে, আগস্টের একটি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের আশা বাড়িয়ে দিয়েছে। যেখানে আমরা দেখেছি, ২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে বোলিং বিভাগ দাপট সাথে খেলছে। বোলিং লাইনআপের হিসেবে পেস বোলিং এর বিচারে টাইগার পেসাররা ছিলেন ২য় স্থানে। আর স্পিনে বিশ্বসেরার তকমাই জুটেছে বাংলাদেশের।

কিন্তু লিগপর্ব শেষে পরিসংখ্যান সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা গেল। সাদামাটা নিরীহদর্শন বোলিং বাংলাদেশকে পুরো আসরে বারবার হতাশা উপহার দিয়েছে। প্রতিপক্ষকে অলআউট করা ছিল রীতিমত স্বপ্নের। এমনকি আফগানিস্তান ও নেদারল্যান্ডস ম্যাচ বাদ দিলেও প্রতিপক্ষের ওপর এই অর্থে চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি বাংলাদেশ।

পেস বোলিং দিয়ে শুরু করা যাক। বিশ্বকাপের ৯টি ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের পেসাররা নিয়েছেন মাত্র ২৬ উইকেট। বাংলাদেশের পেছনে শুধু আফগানিস্তান। তাদের উইকেট ২১। তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী আফগানিস্তানের নিচেই থাকতে হবে টাইগার বোলারদের।

বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বোলিং বিভাগ পুরোপুরি স্পিননির্ভর ছিল। রশিদ খান, মুজিব-উর রহমান, মোহাম্মদ নবী আর নূর আলীদের ভিড়ে নাভিন-উল হক বা ফজল হক ফারুকিরা খুব বেশি বল করার সুযোগ পাননি। বাংলাদেশের পেসাররা বিশ্বকাপে করেছেন ২০৯.২ ওভার। আর আফগানিস্তান করেছে ১৩১.৪ ওভার। প্রতি উইকেটের জন্য টাইগার পেসাররা খরচ করেছেন প্রায় ৫১ রান। আর আফগান পেসারদের খরচ করতে হয়েছে মোটে ৪০.৪৭ রান।

বাংলাদেশ আর আফগানিস্তান ছাড়া বিশ্বকাপে বাকি সব দেশের পেসাররাই নিয়েছেন কমপক্ষে ৪০ উইকেট। অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের পেসাররা পেয়েছেন ৪০ উইকেট। ৪১ উইকেট শ্রীলঙ্কান পেসারদের আর ৪২ উইকেট ইংলিশ পেসারদের। ৫৩ টি করে উইকেট পেয়েছেন পাকিস্তান এবং ভারতের বোলাররা। যদিও ভারতের পেসাররা উইকেটপ্রতি খরচ করেছেন মাত্র ১৮.৭৭ রান। যেখানে পাকিস্তানের পেসাররা খরচ করেছেন ২৯ এর বেশি।

সবচেয়ে বেশি ৬০ উইকেট পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাটে বলে দাপট দেখানো প্রোটিয়ারা তাদের পেস বিভাগের সুবাদে এগিয়ে আছে অনেকটা। উইকেটপ্রতি রান দেওয়ার বেলাতেও তারা আছে তালিকার দুইয়ে। প্রতি উইকেটের জন্য ২৫.৫৬ রান খরচ করতে হয়েছে তাদের।

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে; দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শেষ, জানুন ফলাফল

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে; দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শেষ, জানুন ফলাফল

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হার দিয়ে সিরিজ শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ...

১৫ ওভারের খেলা শেষ; জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ; লাইভ দেখুন এখানে

১৫ ওভারের খেলা শেষ; জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ; লাইভ দেখুন এখানে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বিপক্ষে চলমান ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করছে জিম্বাবুয়ে। ১৫.৬ ওভার শেষে ...

ফুটবল

নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ম্যাচ বল, দাম কত!

নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ম্যাচ বল, দাম কত!

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ম্যাচের একটি বল এবার উঠছে নিলামে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ...

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি গণনা হবে গোল্ডেন বুটে

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি গণনা হবে গোল্ডেন বুটে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা নামতে আর বাকি মাত্র দুটি ম্যাচ। আগামী রোববার ফাইনালে ...