মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তির আবেদন যাচ্ছে জামুকায়, সিরিয়াল নম্বর দেখবেন যেভাবে
নিজস্ব প্রতিবেদক: বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলো জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আবেদনগুলোর সিরিয়াল নম্বর বা ডকেট নম্বর পর্যায়ক্রমে মন্ত্রণালয় ও জামুকার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) প্রকাশিত মন্ত্রণালয়ের এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত ৭ অক্টোবরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা পড়া আবেদনগুলো জামুকায় পাঠানো হবে। এ বিষয়ে আবেদনকারীদের মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অনলাইনে যেভাবে আবেদনের সিরিয়াল নম্বর দেখবেন
আবেদনকারীরা সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পর্যায়ক্রমে নিজেদের আবেদনের সিরিয়াল নম্বর বা ডকেট নম্বর দেখতে পারবেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়: https://www.molwa.gov.bd
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা): https://www.jamuka.gov.bd
ওয়েবসাইটে তথ্য প্রকাশ করা হলে আবেদনকারীরা সেখানে নিজেদের আবেদনের নম্বর খুঁজে দেখতে পারবেন। তবে সব আবেদনের তথ্য একসঙ্গে প্রকাশ না করে পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
কোন তারিখ পর্যন্ত জমা পড়া আবেদন পাঠানো হবে?
মন্ত্রণালয়ের নোটিশ অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের মধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলো জামুকায় পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ১ অক্টোবর বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৭ অক্টোবর।
আবেদন যাচাই করবে জামুকা
বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তি ও গেজেটভুক্তির প্রক্রিয়ায় আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্ব পালন করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল। মন্ত্রণালয় থেকে আবেদনগুলো জামুকায় পাঠানোর পর পরবর্তী প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এগোবে।
আবেদনকারীদের তাই আবেদনের সিরিয়াল নম্বর বা ডকেট নম্বর প্রকাশের জন্য মন্ত্রণালয় ও জামুকার ওয়েবসাইটে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের নোটিশ অনুযায়ী, এ বিষয়ে খোঁজ নিতে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মনে রাখবেন: আবেদনের সিরিয়াল নম্বর বা ডকেট নম্বর প্রকাশিত হওয়া মানেই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাওয়া নয়। তালিকাভুক্তি ও গেজেটভুক্তির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
সোহাগ/
