সোহাগ আহমদে
সিনিয়র রিপোর্টার
ভোটের মাঠে এই ৫ প্রার্থীকে হারানো অসম্ভব!
ভোটের মাঠে ‘অজেয়’ ৫ প্রার্থী: যাদের হারানো প্রায় অসম্ভব বলছে রাজনৈতিক পরিসংখ্যান
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনীতির মাঠে বইছে আগাম হাওয়া। মাঠ পর্যায়ের জনসমর্থন এবং জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে উঠে আসছে এমন কিছু প্রার্থীর নাম, যাদের নিজ নিজ আসনে পরাজিত করা প্রতিপক্ষের জন্য পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পাঁচজন প্রার্থীর ব্যক্তিগত কারিশমা ও সাংগঠনিক শক্তি তাদের আসনে একচেটিয়া আধিপত্য তৈরি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পাঁচজন প্রার্থীকে ভোটের লড়াইয়ে হারানো প্রায় অলৌকিক ঘটনার মতো।
১. মনজুরুল হক রাহাত (বাগেরহাট-১)
তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন বাগেরহাট-১ আসনের মনজুরুল হক রাহাত, যিনি স্থানীয়ভাবে রাহাত ভাই নামে পরিচিত। ২০২৪ সালের নির্বাচনের সময় দীর্ঘ দুই বছর কারাগারে থেকেও তার জনপ্রিয়তা কমেনি, বরং বেড়েছে। জেলের দেয়াল ভেদ করে তার প্রতি সাধারণ মানুষের যে সহানুভূতি ও সমর্থন তৈরি হয়েছে, তা তাকে এই আসনে একচ্ছত্র অধিপতি করে তুলেছে। এমনকি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোও এখানে তার বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রার্থী দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
২. মুফতি আমির হামজা (কুষ্টিয়া-৩)
কুষ্টিয়া-৩ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা মুফতি আমির হামজা। শুরুতে অনেকে তাকে কেবল মাহফিলের বক্তা হিসেবে দেখলেও, বর্তমানে তিনি গণমানুষের নেতায় পরিণত হয়েছেন। রিকশাচালক থেকে শুরু করে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের সাথে তার নিবিড় সংযোগ তাকে ভোটের মাঠে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। কুষ্টিয়ার এই আসনটি এখন জামায়াতের অন্যতম দুর্ভেদ্য ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।
৩. ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ (পটুয়াখালী-২)
পটুয়াখালী-২ আসনে ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদের অবস্থান সুসংহত। তার বাগ্মিতা এবং ছাত্রজীবন থেকে গড়ে ওঠা সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে তার দুর্নীতিমুক্ত ভাবমূর্তি বা ক্লিন ইমেজ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। চাদাবাজি ও জুলুমের বিরুদ্ধে তার শক্ত অবস্থানের কারণে পটুয়াখালীর মানুষ তাকে ঘিরেই পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে।
৪. অ্যাডভোকেট শিশির মনির (সুনামগঞ্জ-২)
সুনামগঞ্জের রাজপথে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত নাম অ্যাডভোকেট শিশির মনির। একজন দক্ষ আইনজীবী এবং মার্জিত ব্যক্তি হিসেবে তার পরিচিতি দেশজুড়ে। সম্প্রতি সাধারণ মানুষের সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা এবং অভাবী মানুষের তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধানের ঘটনাগুলো তাকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে নিয়ে গেছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, নির্বাচিত হলে সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা নিজের জন্য গ্রহণ করবেন না—এমন নৈতিক অবস্থান তাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে।
৫. মাসুদ সাঈদী (পিরোজপুর-১)
তালিকার সর্বশেষ এবং অন্যতম আলোচিত প্রার্থী পিরোজপুর-১ আসনের মাসুদ সাঈদী। তিনি প্রয়াত আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর পুত্র। পিরোজপুরের মাটিতে সাঈদী পরিবারের যে বিশাল আবেগীয় ও রাজনৈতিক ভিত্তি রয়েছে, মাসুদ সাঈদী বর্তমানে তার যোগ্য উত্তরাধিকার হিসেবে সেই ধারা বজায় রেখেছেন। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা তাকে পিরোজপুর-১ আসনে এক অপরাজিত শক্তিতে রূপান্তর করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পাঁচ প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ এবং দলীয় সক্রিয়তা আগামী নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। অন্য দলগুলোর নিষ্ক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বলে দিচ্ছে যে, এই আসনগুলোতে জয়-পরাজয়ের সমীকরণ অনেকটা একতরফা হওয়ার পথেই এগোচ্ছে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- নবম পে স্কেলে যত বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন
- নবম পে-স্কেল: ৯০% বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ, রিপোর্ট জমা আগামী সপ্তাহেই
- পে স্কেল: ৭ ইস্যু নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বসছেন কর্মচারীরা
- পে-স্কেল নিয়ে সুখবর পেলেন যেসব কর্মকর্তারা
- নবম পে স্কেল কাঠামো আসছে ৩ ধাপে, জানুয়ারির শেষে কার্যকর
- নতুন পে স্কেলে বেতন বাড়ছে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত: কারা পাবেন না এই সুবিধা
- নবম পে স্কেল নিয়ে এলো বড় সুখবর
- নতুন পে স্কেলে ৯০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি নিয়ে যা জানাল কমিশন
- জকসু নির্বাচন ফলাফল: (Live) দেখুন সর্বশেষ তথ্য
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
- সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বাড়ছে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত: কারা পাচ্ছেন বেশি সুবিধা
- ৮ জানুয়ারি পে-কমিশনের মেগা বৈঠক: চূড়ান্ত হতে পারে নবম পে-স্কেল
- নবম পে স্কেল: সুপারিশ সামনের সপ্তাহে বেতন বাড়ছে ৯০ শতাংশ!
- নবম পে-স্কেলের ভাগ্য নির্ধারণ বৃহস্পতিবার: চূড়ান্ত সভায় বসছে বেতন কমিশন
- পে স্কেল নিয়ে তারেক রহমানের দ্বারস্থ সরকারি কর্মচারীরা
