ফ্যামিলি কার্ড আবেদন: লাগবে যেসব কাগজপত্র
তিন ধাপের কঠোর যাচাইয়ে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড: জানুন আবেদনের খুঁটিনাটি
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে তিনটি ধাপে কঠোর পর্যবেক্ষণ ও যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
সরকারের এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়ে তাদের ক্ষমতায়ন এবং পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। মন্ত্রী দাবি করেন, ডিজিটাল ডাটাবেস ব্যবহারের ফলে এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না।
স্বচ্ছ আবেদন ও ডেটাবেস প্রক্রিয়া:
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে একই ব্যক্তি বারবার সুবিধা নেওয়া বা ভুয়া তালিকা তৈরির পথ বন্ধ হবে। শুরুতে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তালিকা চূড়ান্ত করে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
পুরোদমে আবেদন শুরু হওয়ার আগে সম্ভাব্য উপকারভোগীদের নির্দিষ্ট কিছু নথি প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। আবেদনের জন্য যা যা প্রয়োজন হবে:
১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।
২. পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক রঙিন ছবি।
৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর (নগদ বা বিকাশের মতো অ্যাকাউন্টের জন্য)।
আবেদন করার স্থান ও মাধ্যম:
পাইলট কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি ফরম সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রতিটি পরিবারের বিপরীতে কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে যার মাধ্যমে মাসিক নগদ টাকা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাবে।
ঈদের আগে বিশেষ উদ্যোগ:
আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই কয়েকটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
সিদ্দিকা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা
- ৬ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা
- নতুন পে-স্কেল নিয়ে জট খুলছে: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সুখবর
- পে স্কেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বড় সুখবর
- আজকের সোনার বাজারদর: ৮ এপ্রিল ২০২৬
- ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা; যারা পাবেন যারা পাবেন না
- ২০২৬ সালের ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানালেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা
- পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের নতুন কৌশল
- বাংলাদেশে ঈদুল আজহা কবে? জেনে নিন সম্ভাব্য তারিখ ও ছুটির খবর
- আজ রাতেই একটি সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে
- আবারও বাড়ল ফুয়েলের দাম
- বৃহস্পতিবার সারাদিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- প্রথমবারের মতো ইউরোপে খেলবে হামজারা, প্রতিপক্ষ কারা
- সভাপতি হয়েই বিসিবিতে তামিম ইকবাল
- সিলিন্ডারের ৩৮৭ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম
