পে স্কেল নিয়ে তারেক রহমানের দ্বারস্থ সরকারি কর্মচারীরা
নবম পে-স্কেল ও বৈষম্য নিরসন: তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ চান ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের একটি বড় অংশ বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শরণাপন্ন হয়েছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতির আহ্বায়ক ইসহাক কবিরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা বাহিনী (সিএসএফ) কার্যালয়ে এই সংক্রান্ত একটি সাক্ষাতের আবেদন জমা দিয়েছেন। অনুমতি মিললে দ্রুতই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছেন কর্মচারী নেতারা।
২২ লাখ কর্মচারীর বঞ্চনার চিত্র
আবেদনকারী জোট ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’ সচিবালয়ের বাইরের বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মচারীর প্রতিনিধিত্ব করছে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক। কর্মচারী নেতাদের অভিযোগ, প্রজাতন্ত্রের সব উন্নয়নমূলক কাজ তৃণমূল পর্যায়ে তারাই বাস্তবায়ন করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বছরের পর বছর ধরে তারা ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন।
আর্থিক সংকট ও মানবিক বিপর্যয়
প্রতিনিধিদলটি তাদের আবেদনে উল্লেখ করেছে যে, ২০১৫ সালে ঘোষিত পে-স্কেল ছিল চরম বৈষম্যমূলক। বিগত সরকার সেই বৈষম্য দূর করার কোনো উদ্যোগ নেয়নি, বরং যৌক্তিক দাবি আদায়ে আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক কর্মচারী জুলুম ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। বর্তমানে বাজারে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সেবা খাতের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে তারা তারেক রহমানের কাছে তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরতে চান।
সাক্ষাতের জন্য নির্ধারিত ৭ দফা দাবি
সাক্ষাতের সুযোগ পেলে প্রতিনিধিদলটি প্রধানত সাতটি দাবি উত্থাপন করার পরিকল্পনা নিয়েছে। দাবিগুলো হলো:
১. ১:৪ অনুপাতে ১২ ধাপের সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকার একটি বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল দ্রুত ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করা।
২. যাদের মূল বেতন ইতিমধ্যে শেষ ধাপে পৌঁছেছে, তাদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত রাখা।
৩. ২০১৫ সালের পে-স্কেল গেজেটে বাতিল হওয়া তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনরায় চালু করা।
৪. বেতনের জ্যেষ্ঠতা বা পে-প্রোটেকশন কার্যকর করা।
৫. সব স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচুইটির পাশাপাশি পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৬. গ্রাচুইটির হার ৯০ শতাংশের পরিবর্তে ১০০ শতাংশে উন্নীত করা।
৭. পেনশন গ্রাচুইটি ১ টাকার বিপরীতে ৫০০ টাকা হারে নির্ধারণ করা।
কর্মচারী ঐক্য পরিষদের নেতারা মনে করছেন, বর্তমান দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের এই বিশাল জনগোষ্ঠীর দাবিদাওয়া গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার ক্ষেত্রে তারেক রহমানের সঙ্গে এই মতবিনিময় অত্যন্ত ইতিবাচক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার; যা জানা গেল
- ৫ লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন ক্যানসারে ভুগছেন
- আজ এক ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- ফ্যামিলি কার্ড আবেদন: লাগবে যেসব কাগজপত্র
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির তালিকায় বড় পরিবর্তন
- নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো সুপারিশ
- যে দুই জেলা দিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের যাত্রা শুরু
- টানা ১০ দিনের সরকারি ছুটির সুযোগ
- কমলো এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, জানুন নতুন দর
- এবার ঈদুল ফিতরে কত দিনের ছুটি; জেনে নিন হিসাব-নিকাশ
- দেশের বাজারে আজ এক ভরি স্বর্ণের দাম
- সংরক্ষিত নারী আসনে থাকবেন কারা, জানালেন মির্জা ফখরুল
- বিদায়বেলায় পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর দিয়ে গেলেন অর্থ উপদেষ্টা
