পে স্কেল: ৭ ইস্যু নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বসছেন কর্মচারীরা
নবম পে-স্কেল ও ৭ দফা দাবি: তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন সরকারি কর্মচারীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের একটি বিশাল অংশ বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্যোগ নিয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতির আহ্বায়ক ইসহাক কবিরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা বাহিনী (সিএসএফ) কার্যালয়ে এই সাক্ষাতের আবেদন জমা দেন। অনুমতি সাপেক্ষে দ্রুতই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আশা করছেন কর্মচারী নেতারা।
২২ লাখ কর্মচারীর প্রতিনিধিত্ব ও বঞ্চনার অভিযোগ
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’ সচিবালয়ের বাইরের বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ জোট। এই জোটের সঙ্গে শিক্ষকসহ প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত। প্রজাতন্ত্রের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা পালন করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিগত সরকারের ভূমিকা ও বর্তমান সংকট
কর্মচারী নেতাদের দাবি, ২০১৫ সালের বৈষম্যমূলক পে-স্কেল প্রদানের পর থেকেই তারা বিভিন্ন সময় দাবি আদায়ের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বিগত সরকার তাদের দাবি পূরণ না করে বরং বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে হয়রানি ও জুলুম চালিয়েছে। বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং সেবা খাতের ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই বাস্তবতায় তারেক রহমানের কাছে তারা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথা তুলে ধরতে চান।
কর্মচারীদের উত্থাপিত ৭ দফা দাবি
সাক্ষাতের সুযোগ পেলে প্রতিনিধিদলটি প্রধানত নিচের ৭টি দাবি উত্থাপন করবে বলে জানা গেছে:
১. ১:৪ অনুপাতে ১২ ধাপের সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকার বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন করা।
২. যাদের মূল বেতন ইতিমধ্যে শেষ ধাপে পৌঁছেছে, তাদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত করা।
৩. ২০১৫ সালের পে-স্কেল গেজেটে বাতিল হওয়া তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করা।
৪. বেতনের জ্যেষ্ঠতা বা পে-প্রোটেকশন পুনরায় নিশ্চিত করা।
৫. সব স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রথা চালু করা।
৬. বিদ্যমান আনুতোষিক বা গ্রাচুইটির হার ৯০ শতাংশের পরিবর্তে ১০০ শতাংশে উন্নীত করা।
৭. পেনশন গ্রাচুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা হারে নির্ধারণ করা।
প্রতিনিধিদলের সদস্যরা মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের এই বিশাল জনগোষ্ঠীর দাবিদাওয়া পর্যালোচনার ক্ষেত্রে তারেক রহমানের সঙ্গে এই মতবিনিময় অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
সেলিম/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- নবম পে-স্কেল: ৯০% বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ, রিপোর্ট জমা আগামী সপ্তাহেই
- নবম পে স্কেলে যত বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন
- পে স্কেল: ৭ ইস্যু নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বসছেন কর্মচারীরা
- নবম পে স্কেল কাঠামো আসছে ৩ ধাপে, জানুয়ারির শেষে কার্যকর
- পে-স্কেল নিয়ে সুখবর পেলেন যেসব কর্মকর্তারা
- নবম পে স্কেল নিয়ে এলো বড় সুখবর
- ৮ জানুয়ারি পে-কমিশনের মেগা বৈঠক: চূড়ান্ত হতে পারে নবম পে-স্কেল
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
- পে স্কেল নিয়ে তারেক রহমানের দ্বারস্থ সরকারি কর্মচারীরা
- নতুন পে স্কেলে বেতন বাড়ছে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত: কারা পাবেন না এই সুবিধা
- হাড়কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহ: ৭ জেলায় আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বার্তা
- যে ভিটামিনের অভাবে শীতে বেশি ঠান্ডা লাগে
- Redmi Note 15; দাম কত ফিচার কি
- সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বাড়ছে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত: কারা পাচ্ছেন বেশি সুবিধা
- দেশের বাজারে আজকের সোনার দাম
