তিন ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে নবম পে-স্কেল: সর্বনিম্ন বেতন ৩২ হাজার
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল নিয়ে নতুন তোড়জোড় শুরু হয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্দোলন কিছুটা শিথিল থাকলেও, বেতন কাঠামো নিয়ে নিজেদের দাবিতে অনড় রয়েছে 'সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ'। আগামী জানুয়ারি মাসে পে-কমিশন তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রস্তাবিত পে-স্কেলের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ
নতুন বেতন কাঠামোতে আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যার লক্ষ্য জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে বেতনের সামঞ্জস্য বিধান করা:
* ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন: একবারে নয়, বরং ৩টি ধাপে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
* গ্রেড সংকোচন: বর্তমানের ২০টি গ্রেডকে কমিয়ে ১৩টি গ্রেডে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
* বেতন সীমা: প্রস্তাবিত সর্বনিম্ন মূল বেতন ৩২,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,২৮,০০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে।
* বৃদ্ধির হার: বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পে-কমিশন বেতন ৯০% থেকে ৯৭% পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে।
আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষাপট ও আল্টিমেটাম
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে এবং রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতির কারণে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত থাকলেও কর্মচারীরা নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
* নতুন কর্মসূচি: আগামী শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করা হবে।
* গেজেট প্রকাশের দাবি: ঐক্য পরিষদের দাবি অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
* কঠোর হুঁশিয়ারি: ১ জানুয়ারির মধ্যে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।
বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময়সীমা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের দেওয়া ইঙ্গিত অনুযায়ী, পে-কমিশনের সুপারিশ যাচাই-বাছাই শেষে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে নতুন এই বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে।
খসড়া বেতন কাঠামোর একটি চিত্র (প্রস্তাবিত):
| সর্বোচ্চ (গ্রেড-২) | ১,২৭,৪২৬ টাকা |
| মধ্যম (গ্রেড-৫) | ৮৩,০২০ টাকা |
| নিম্ন-মধ্যম (গ্রেড-১০) | ৩০,৮৯১ টাকা |
| সর্বনিম্ন (দাবি অনুযায়ী) | ৩২,০০০ টাকা |
কেন এই নতুন পে-স্কেলের প্রয়োজনীয়তা?
সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে তিনটি প্রধান কারণ তুলে ধরা হয়েছে:
* বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: বর্তমান বাজার দরের সাথে বর্তমান বেতন কাঠামো একেবারেই অসংগতিপূর্ণ।
* বেতন বৈষম্য নিরসন: উচ্চপদস্থ ও নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের মধ্যে বিদ্যমান বিশাল আর্থিক ব্যবধান কমিয়ে আনা।
* প্রশাসনিক গতিশীলতা: আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও গতি আনা।
প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটাতে এবং লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারীর জীবনমান উন্নয়নে একটি সম্মানজনক ও বৈষম্যহীন বেতন কাঠামো দ্রুত বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার; যা জানা গেল
- ৫ লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন ক্যানসারে ভুগছেন
- আজ এক ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- ফ্যামিলি কার্ড আবেদন: লাগবে যেসব কাগজপত্র
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির তালিকায় বড় পরিবর্তন
- নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো সুপারিশ
- যে দুই জেলা দিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের যাত্রা শুরু
- টানা ১০ দিনের সরকারি ছুটির সুযোগ
- কমলো এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, জানুন নতুন দর
- এবার ঈদুল ফিতরে কত দিনের ছুটি; জেনে নিন হিসাব-নিকাশ
- দেশের বাজারে আজ এক ভরি স্বর্ণের দাম
- সংরক্ষিত নারী আসনে থাকবেন কারা, জানালেন মির্জা ফখরুল
- বিদায়বেলায় পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর দিয়ে গেলেন অর্থ উপদেষ্টা
