পে স্কেল: ৩০ নভেম্বরের ডেডলাইন বনাম কমিশনের ১৪ ফেব্রুয়ারি
নিজস্ব প্রতিবেদক: নবম পে স্কেল বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে সরকারি চাকরিজীবীরা এবং নবম পে কমিশন এখন মুখোমুখি অবস্থানে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দ্রুত নতুন বেতন কাঠামো চান কর্মচারীরা। তারা কমিশনকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশ চূড়ান্ত করার আল্টিমেটাম দিয়েছেন, অন্যথায় ডিসেম্বরে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে কমিশন বলছে, তাদের কাজ শেষ করার আনুষ্ঠানিক সময়সীমা রয়েছে আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
কর্মচারীদের আল্টিমেটাম: আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, কমিশনের কাজ দীর্ঘায়িত হওয়ায় তারা হতাশ। তাদের দাবি:
* ডেডলাইন: ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে হবে।
* বাস্তবায়ন: ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে হবে।
* আন্দোলনের হুমকি: যদি নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশ জমা না হয়, তবে ডিসেম্বরের শুরু থেকেই তারা বৃহত্তর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবেন।
সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বদিউল কবির বলেন, "যেহেতু অন্তর্বর্তী সরকারই পে কমিশন গঠন করেছে, তাই নতুন পে-স্কেলও এই সরকারকেই দিতে হবে।" তিনি ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশ জমা না পড়লে কমিশনের ওপর চাপ বাড়ানোর কথা বলেন।
কমিশনের সময়সীমা ও সরকারের অবস্থান
নবম পে কমিশনের সদস্যরা বলছেন, তাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় আছে। এই সময়ের মধ্যেই তারা সরকারকে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেবেন। তবে তারা নভেম্বরের মধ্যেই সব কার্যক্রম শেষ করে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
এদিকে, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বুধবার সচিবালয়ে জানান, পে স্কেল বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে।
তিনি বলেন: "কমিশনের রিপোর্ট দেখে ওটাকে আবার রিকনসাইল করতে হবে। এর পর এডমিনিস্ট্রেট কতগুলো প্রসেস আছে, সচিব কমিটি আছে ওরা দেখবে, তারপর মোপা (জনপ্রশাসন) আছে ওরা দেখবে। একেবারে আমাদের সময়ে ইমপ্লিমেন্ট করা যেতে নাও পারি। সেজন্য আমি বলেছি যে রিপোর্ট হওয়ার পর মোটামুটি একটা ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে যাব।"
অর্থ উপদেষ্টার কথায় স্পষ্ট, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এটি কেবল রূপরেখা দেওয়া সম্ভব, পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর নির্ভর করছে।
প্রত্যাশা: মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয়
চাকরিজীবীরা আশা করছেন, এবারের বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন বৃদ্ধি, গ্রেড কমানো এবং ভাতা সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে অর্থ বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে পে কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
সিদ্দিকা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- নতুন পে-স্কেলে যত বাড়তে পারে শিক্ষকদের বেতন
- নতুন পে-স্কেলে কার লাভ কত, প্রাথমিক শিক্ষকরা কি পাচ্ছেন বড় সুখবর
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৩ মে ২০২৬
- তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কমতে পারে তাপমাত্রা
- নবম পে-স্কেলে আধা-স্বায়ত্তশাসিত কর্মীদের জন্য বড় সুখবর
- শনিবারের মধ্যেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন, না হলে গুনতে হবে জরিমানা
- ঈদের আগে স্বস্তি, দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ২৪ মে ২০২৬
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ২৩ মে ২০২৬
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৪ মে ২০২৬
- প্রধানমন্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে মন্তব্য, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ
- তাপপ্রবাহ নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা, ভারি বৃষ্টির আভাস
- ঈদের দিন কোথায় কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া
- সোমবার থেকে টানা ঈদের ছুটি শুরু, যারা পাবেন না ছুটি
- শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে নতুন আলোচনা
