সারাদেশে যে কারনে তীব্র শীত জানালো আবহাওয়া অফিস
শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। প্রচণ্ড শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত পাঁচ দিন ধরে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে দিনভর ঘন কুয়াশা ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। সোমবার রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছাকাছি রেকর্ড করা হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে সৈয়দপুর, রাজশাহী ও সিলেট বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফেরি চলাচলও ব্যাহত হয়। আর শীতজনিত রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে হাসপাতালগুলোতে। এতে শিশু ও বৃদ্ধ সবারই ভুগতে হয়।
আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, মূলত কুয়াশার কারণে দেশে তীব্র শীতের এলাকা বাড়ছে। একসময় জানুয়ারিতে দেশের উত্তরাঞ্চল ও সিলেট বিভাগে মূলত তীব্র শীতের অনুভূতি থাকত। উপকূলীয় জেলাগুলোতে শীত পড়ত কম। কারণ, সমুদ্রের কাছাকাছি এলাকায় জলীয় বাষ্প বেশি থাকে। ফলে হিমালয় পেরিয়ে আসা শীতের শুষ্ক বাতাস উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলে প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু হয়ে মধ্যাঞ্চল, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত তীব্র শীত থাকছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, তা মূলত কুয়াশার কারণে ঘটছে।
বাংলাদেশে শীত নামে মূলত হিমালয় পেরিয়ে পঞ্চগড় দিয়ে শীতল বাতাস আসার কারণে। একইভাবে সিলেটে মেঘালয় থেকে আসা শীতল বাতাস প্রবেশ করে তাপমাত্রা কমায়। এশিয়ার বড় অংশজুড়ে মাসের বেশিরভাগ সময় কুয়াশা দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমিয়ে দিচ্ছে। ফলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে না গেলেও তীব্র শীতের অনুভূতি থাকছে।
ঢাকায় জেঁকে বসেছে শীত
এক সপ্তাহ ধরে ঢাকার দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকছে। ফলে তীব্র শীতে রাজধানীর জীবনযাত্রা রীতিমতো স্থবির হয়ে পড়েছে। গত ৩৩ বছরে ঢাকার আবহাওয়ার গড় তাপমাত্রার রেকর্ড বলছে, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ার কথা। কিন্তু আট বছর ধরে ঢাকার গড় তাপমাত্রা বিবেচনায় নিলে তা কোনোভাবেই ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামেনি। এ বছরও ঢাকায় ডিসেম্বরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গড়ে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ছিল। আর জানুয়ারির প্রথম ১৫ দিনে তা প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকছে। ঢাকায় এ বছর শৈত্যপ্রবাহ না হলেও তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে তীব্র শীতের অনুভূতিই পাচ্ছেন রাজধানীবাসী।
আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, কুয়াশার দাপটের কারণে সূর্যের আলো ভূমিতে আসতে পারছে না। ফলে রোদ কম আসায় দিনেও তীব্র শীতের কষ্ট বাড়ছে। অন্যদিকে ওই ঘন নিচু মেঘের কারণে আটকে যাচ্ছে দৃষ্টিসীমা। উড়োজাহাজ থেকে শুরু করে নৌযান ও সড়কের যানবাহন চলাচলে সমস্যা বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে দিনে রোদ কম আসা ও শীতের অনুভূতি বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করা হচ্ছে। মাঠে শীতকালীন ফসল ধান ও সবজির উৎপাদনেও সমস্যা বাড়াচ্ছে।
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- ১৯ থেকে ২৮ মার্চ টানা ছুটি; ঈদুল ফিতরে বড় সুখবর
- ১৮ মার্চ কি সাধারণ ছুটি
- জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ল
- আজ এক ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাড়ল স্বর্ণের দাম
- পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সর্বশেষ যা জানা গেল
- আজ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে দেখার সময় জানুন
- আজকের সোনার বাজারদর: ৪ মার্চ ২০২৬
- পে স্কেল: সরকারের ইতিবাচক সংকেত ও কর্মচারীদের আল্টিমেটাম
- আজকের সোনার বাজারদর: ৩ মার্চ ২০২৬
- bangladesh vs china; সরাসরি দেখুন এখানে
- ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় জামায়াতের যে পাঁচ সংসদ সদস্য
- কেন ইরানকে বাঁচাতে আসছে না চীন-রাশিয়া
- চন্দ্রগ্রহণে গর্ভবতী নারীদের করণীয়
- শক্তিশালী চীনের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ; যেভাবে দেখবেন
