নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন কেন জরুরি: যা জানাল BASA
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতন স্কেল নিয়ে যখন আলোচনা-সমালোচনা চলছে, তখন এর স্বপক্ষে পরিসংখ্যানসহ জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করেছে বিএএসএ (BASA)। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো প্রত্যাশার চেয়ে কম হলেও দেশের সার্বিক আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় তারা একে স্বাগত জানিয়েছে। তবে একটি মহলের ‘মূল্যস্ফীতি বাড়বে’—এমন দাবির বিপরীতে সংগঠনটি বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে।
BASA-এর বক্তব্যের মূল পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
বেতন বৈষম্য ও মেধা পাচার
বিএএসএ জানায়, বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি খাতের বেতনের পার্থক্য প্রায় ১৫ থেকে ১৭ গুণ। একজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সিইও যে বেতন পান, সরকারের একজন সচিবের বেতন তার তুলনায় নগন্য। এই বিশাল ব্যবধানের কারণে মেধাবীরা সরকারি চাকুরিতে আগ্রহ হারাচ্ছে।
অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব
অর্থনীতিতে ‘ফিসকাল মাল্টিপ্লায়ার’ তত্ত্ব অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের ১ টাকা বেতন বাড়লে সামগ্রিক অর্থনীতিতে তার প্রভাব পড়ে ৪.৩ টাকা। কর্মচারীদের বেতন বাড়লে ভোগ, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এছাড়া নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে বিপুল সংখ্যক কর্মচারী আয়করের আওতায় আসবেন, যা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি করবে।
মূল্যস্ফীতির সাথে সম্পর্ক নেই
বিগত এক দশকে সরকারি ব্যয় প্রায় ৩ গুণ বাড়লেও সে অনুযায়ী নতুন পে-স্কেল দেওয়া হয়নি। অর্থ বিভাগের গবেষণায় দেখা গেছে, পূর্ববর্তী বেতন বৃদ্ধির সময় মূল্যস্ফীতির ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ শতাংশ সরকারি চাকুরে, তাই এই সামান্য অংশকে দেওয়া বেতন বৃদ্ধিতে বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না বলেই বিএএসএ মনে করে।
ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র
পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৫ সালের ১০০ টাকার ক্রয়ক্ষমতা ২০২৫ সালে এসে ৫১.৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, ২০১৫ সালের জীবনমান বজায় রাখতে হলেও বেতন কমপক্ষে ১.৯৩ গুণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। বর্তমানে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারী মাত্র ১৫ হাজার টাকা পান, যা একজন রিকশাচালক বা দৈনিক শ্রমিকের আয়ের (গড়ে ৩০ হাজার টাকা) চেয়েও অনেক কম। এই বেতন দিয়ে ৪ সদস্যের পরিবার চালানো বর্তমান বাজারে অসম্ভব।
দাবি ও প্রত্যাশা
একটি দক্ষ, সৎ ও জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য ন্যূনতম এই বেতন কাঠামো অত্যন্ত যৌক্তিক বলে দাবি করেছে বিএএসএ। তারা মনে করে, প্রস্তাবিত স্কেলটি বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় অপ্রতুল হলেও রাষ্ট্রের সামর্থ্য বিবেচনায় এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা উচিত।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- India Vs New Zealand Final Match; সরাসরি দেখুন এখানে
- সরকারি চাকরিতে বড় পরিবর্তন: ৩ বছরের ‘ব্যাকডেট’ সুবিধা
- দেশে লিটারে ১৭ টাকা বাড়লো জেট ফুয়েলের দাম
- সরকারি চাকরিতে বড় সুখবর: নতুন পে স্কেলের পথে সরকার
- জুলাই ২০২৬ থেকে নবম পে স্কেল কার্যকর
- ৮ মার্চ থেকে নতুন নিয়মে তেল বিক্রি
- আরব আমিরাত ও বাংলাদেশে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
- ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ফাইনাল: কে জিতবে জানাল জ্যোতিষী টিয়া
- আজকের সোনার বাজারদর: ৭ মার্চ ২০২৬
- জুলাই ২০২৬ থেকে নবম পে স্কেল; ১২ই মার্চ আসছে বড় সিদ্ধান্ত
- ২০২৬ সালের জুলাই থেকে নবম পে স্কেল কার্যকরের পরিকল্পনা
- জাতীয়করণ যেভাবে করা হবে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- সোনার দামে বড় পতন: আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে ভরি
- বাংলাদেশে আজ এক ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- বাংলাদেশে ঈদ ২০ মার্চ না ২১ মার্চ! জ্যোতির্বিজ্ঞানের চুড়ান্ত সময় ঘোষণা
