পেঁয়াজ ও আদার ঝাঁজ বৃদ্ধি, ডিম ও মুরগির দাম চড়া
নিজস্ব প্রতিবেদক: ছুটির দিনে রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি ক্রেতাদের অস্বস্তিতে ফেলেছে। পেঁয়াজ, আদা, ডিম এবং মুরগির দাম এখনো চড়া, যা গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাড়ছে।
পেঁয়াজ ও আদার দাম বৃদ্ধি
এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। কারওয়ান বাজারের একজন ব্যবসায়ী জানান, পুরোনো পেঁয়াজের মজুত কমে যাওয়ায় সরবরাহ কমেছে এবং দাম বেড়েছে। তবে নতুন পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ডিম ও মুরগির বাজার
ডিমের দাম গত সপ্তাহের মতোই ডজনপ্রতি ১০ টাকা বেশি। খুচরা বাজারে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা ডজন দরে। পাইকারি বাজারে সাদা ডিম ১২০ টাকা এবং লাল ডিম ১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে, মুরগির দামও চড়া। গত তিন সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে এখন ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ৩১০ থেকে ৩২০ টাকায় পৌঁছেছে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ছুটির দিনে ক্রেতাদের ভিড় বেশি থাকায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে।
সবজির চড়া বাজার
মৌসুমি বৃষ্টির কারণে সবজির দামও এখনো বেশি। কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মরিচের সরবরাহ কম থাকায় ভারত থেকে আমদানি করা মরিচের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে, যা দাম বৃদ্ধির একটি কারণ। অধিকাংশ সবজির দাম ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে থাকলেও, বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। দেশি টমেটো প্রায় উধাও, আর আমদানি করা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়।
চালের দাম অপরিবর্তিত
তবে চালের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। মাস দেড়েক আগে মিনিকেট চালের দাম বেড়েছিল, এখনো সেই দামেই তা বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
আয়শা/
