টাকার বস্তা নিয়ে হাজির অস্ট্রেলিয়া
প্যারিস অলিম্পিকের এখনও এক বছরেরও বেশি সময় বাকি। পরের মৌসুম হবে লস অ্যাঞ্জেলেসে। ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়া ২০৩২ সালের অলিম্পিকের প্রস্তুতি শুরু করেছে। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থকে সফল করতে তারা একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চায়। তাই আগাম সব পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।
ব্রিসবেন অলিম্পিক হবে অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় অলিম্পিক। তারা প্রথম মেলবোর্নে ১৯৫৬ সালে বিশ্ব ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন করে। তারপর অলিম্পিক ২০০০ সালে সিডনি হয়ে দেশে ফিরে আসে। ৩২ বছর পর আবারো এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করছে দেশটি।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যাশটন আলবানি অলিম্পিক আয়োজনের বিষয়ে বলেছেন, "এটি ব্রিসবেনের জন্য একটি দুর্দান্ত দিন।" এছাড়াও সমগ্র অস্ট্রেলিয়ার জন্য। এর আগে আমাদের অলিম্পিক আয়োজনের কৃতিত্ব রয়েছে। আমরা আশা করি এবার আমরা আগের সব সাফল্যকে ছাড়িয়ে যাব। তাই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।'
অস্ট্রেলিয়ান সরকার অলিম্পিককে সফল করতে৪.৯০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে। বাংলা টাকায় যা প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার খরচ করবে ১.৭ বিলিয়ন ডলার। বাকিটা কুইন্সল্যান্ড প্রশাসনের জন্য সংরক্ষিত।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এটা একটা বিশাল অঙ্ক যা আমাদের খরচ করতে হবে। তবে সব বাড়বে। শুধু তাই নয় আমরা উপকৃত হব। এটি কেবল কুইন্সল্যান্ডের জন্য নয়, পুরো অস্ট্রেলিয়ার জন্য অলিম্পিকের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর বাইরে খেলাধুলায় উন্নতির কিছু আছে।'
ব্রিসবেন অলিম্পিকের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান গাব্বায় অনুষ্ঠিত হবে। এখানে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হবে।
