| ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারি চাকরিতে ১২ ধরনের ছুটি: কোন ছুটির নিয়ম কী, জানুন বিস্তারিত

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ অক্টোবর ২৩ ১২:৩০:৪৫
সরকারি চাকরিতে ১২ ধরনের ছুটি: কোন ছুটির নিয়ম কী, জানুন বিস্তারিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রয়োজন, অসুস্থতা, চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা, সন্তান জন্মদান কিংবা অবসরের আগে প্রস্তুতির জন্য এসব ছুটি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সব ছুটির মেয়াদ, বেতন এবং অনুমোদনের নিয়ম এক নয়।

কোনো ছুটি কর্মচারীর অর্জিত ছুটির হিসাবের ওপর নির্ভর করে, কোনো ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সনদ প্রয়োজন হয়, আবার কিছু ছুটির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমোদন নিতে হয়। তাই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কোন ছুটি কী প্রয়োজনে নেওয়া যায় এবং আবেদন করার আগে কী কী বিষয় জানা দরকার, তা বোঝা জরুরি।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৬ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীরা তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধিবিধান ও সরকারি আদেশ অনুযায়ী ছুটি পাবেন। অর্থাৎ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তালিকা দেখে ছুটির মেয়াদ নিশ্চিত না করে সংশ্লিষ্ট চাকরিবিধি যাচাই করা প্রয়োজন।

সরকারি চাকরিতে কী কী ধরনের ছুটি রয়েছে?

সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের ছুটির মধ্যে রয়েছে অর্জিত ছুটি, অর্ধ-গড় বেতনে ছুটি, অসাধারণ ছুটি, অক্ষমতাজনিত ছুটি, অধ্যয়ন ছুটি, সংগনিরোধ ছুটি, প্রসূতি ছুটি, চিকিৎসালয় ছুটি, প্রাপ্যতাবিহীন ছুটি, অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি, নৈমিত্তিক ছুটি এবং শ্রান্তি ও বিনোদন ছুটি। তবে সব ধরনের ছুটি প্রত্যেক কর্মচারীর ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

১. গড় বেতনে অর্জিত ছুটি

সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনের সময়ের ভিত্তিতে বিধি অনুযায়ী অর্জিত ছুটি জমা হয়। ব্যক্তিগত প্রয়োজন, পারিবারিক কাজ, ভ্রমণ কিংবা অনুমোদিত অন্য কারণে এ ছুটি নেওয়া যেতে পারে।

কত দিন ছুটি জমা হবে এবং একটানা কত দিন ভোগ করা যাবে, তা কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধি ও ছুটির হিসাবের ওপর নির্ভর করে। আবেদন করার আগে নিজের ছুটির হিসাব যাচাই করা উচিত।

২. অর্ধ-গড় বেতনে ছুটি

প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীরা অর্ধ-গড় বেতনে ছুটি অর্জন করতে পারেন। নির্দিষ্ট শর্তে চিকিৎসার প্রয়োজনে এ ধরনের ছুটি গড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তরের সুযোগও থাকতে পারে।

তবে ছুটি রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সনদ, ছুটির হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট বিধির শর্ত মানতে হয়। তাই আবেদন করার আগে দপ্তরের প্রশাসনিক বা হিসাব শাখা থেকে তথ্য নিশ্চিত করা ভালো।

৩. অসাধারণ ছুটি

কোনো কর্মচারীর অন্য ছুটি প্রাপ্য না থাকলে, অথবা অন্য ছুটি থাকা সত্ত্বেও তিনি লিখিতভাবে অসাধারণ ছুটির আবেদন করলে, প্রযোজ্য বিধি অনুসারে তা মঞ্জুর করা যেতে পারে।

এ ধরনের ছুটি সাধারণত বিনা বেতনে দেওয়া হয়। তবে এর মেয়াদ ও অনুমোদনের শর্ত সংশ্লিষ্ট চাকরিবিধির ওপর নির্ভর করে। তাই আবেদন করার আগে সম্ভাব্য বেতন-ভাতা এবং চাকরির অন্যান্য হিসাবের ওপর প্রভাব জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

৪. অক্ষমতাজনিত ছুটি

সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত কারণে কোনো কর্মচারী শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়লে বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটির বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে ঘটনার বিবরণ, চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং প্রযোজ্য বিধি বিবেচনা করা হয়। সাধারণ অসুস্থতার কারণে নেওয়া ছুটি এবং বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি এক নয়। তাই শুধু অসুস্থ হলেই এ ধরনের ছুটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যায় না।

৫. অধ্যয়ন ছুটি

উচ্চশিক্ষা, বিশেষ প্রশিক্ষণ কিংবা পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অধ্যয়ন ছুটির প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ ছুটি পেতে সাধারণত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হয়।

অধ্যয়নের বিষয় চাকরির সঙ্গে কতটা সম্পর্কিত, কোথায় পড়াশোনা করা হবে এবং প্রশিক্ষণ শেষে চাকরিতে ফেরার বিষয়ে কোনো অঙ্গীকার প্রয়োজন কি না, তা বিবেচনা করা হতে পারে। নির্দিষ্ট মেয়াদ জানার জন্য নিজের দপ্তরের প্রযোজ্য বিধি দেখতে হবে।

৬. সংগনিরোধ বা কোয়ারেন্টাইন ছুটি

সংক্রামক রোগের সংস্পর্শে আসা কিংবা জনস্বাস্থ্যগত কারণে কোনো কর্মচারীকে নির্দিষ্ট সময় আলাদা থাকার প্রয়োজন হলে প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী সংগনিরোধ ছুটি দেওয়া হতে পারে।

এ ধরনের ছুটির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট চাকরিবিধি গুরুত্বপূর্ণ। সব কর্মচারীর জন্য নির্দিষ্ট ২১ বা ৩০ দিনের ছুটি প্রযোজ্য, এমন দাবি যাচাই ছাড়া করা ঠিক নয়।

৭. প্রসূতি ছুটি

নারী সরকারি কর্মচারীদের সন্তান জন্মদানের আগে ও পরে বিশ্রাম এবং পরিচর্যার জন্য প্রসূতি ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এর মেয়াদ ও প্রাপ্যতার শর্ত সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধি ও সরকারি আদেশ অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।

আবেদন করার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ছুটি শুরুর সময় এবং অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা জেনে নেওয়া উচিত।

৮. চিকিৎসালয় ছুটি

কিছু নির্দিষ্ট পদ, প্রতিষ্ঠান বা চাকরিবিধিতে চিকিৎসালয় ছুটির বিশেষ ব্যবস্থা থাকতে পারে। এটি সাধারণ অসুস্থতার ছুটি বা অর্জিত ছুটির সঙ্গে এক বিষয় নয়।

এ ধরনের ছুটির ক্ষেত্রে কর্মচারীর দায়িত্বের ধরন, চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষ বিধান বিবেচনা করা হয়। তাই নির্দিষ্ট মেয়াদ সবার জন্য একই ধরে নেওয়া উচিত নয়।

৯. প্রাপ্যতাবিহীন ছুটি

ছুটির হিসাবে পর্যাপ্ত ছুটি জমা না থাকলেও নির্দিষ্ট শর্তে প্রাপ্যতাবিহীন ছুটি বা Leave Not Due মঞ্জুর করা যেতে পারে।

এটি ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে এমন ছুটির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এই ছুটি স্বয়ংক্রিয় অধিকার নয়। চিকিৎসাগত প্রয়োজন, চাকরির ধরন, প্রযোজ্য বিধি এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১০. অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি

চাকরিজীবনের শেষ পর্যায়ে অবসরের আগে ছুটি নেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে ছুটির প্রাপ্যতা, বেতন এবং অন্যান্য সুবিধা প্রযোজ্য বিধির ওপর নির্ভর করে।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৭ ধারায় শর্তসাপেক্ষে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত অবসর-উত্তর ছুটির বিধান রয়েছে। তবে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি ও অবসর-উত্তর ছুটির প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধান যাচাই করা জরুরি।

১১. নৈমিত্তিক ছুটি

ব্যক্তিগত বা পারিবারিক জরুরি প্রয়োজন, স্বল্পমেয়াদি কাজ কিংবা অনিবার্য পরিস্থিতিতে নৈমিত্তিক ছুটি নেওয়া হয়।

এ ছুটির বার্ষিক সীমা, একটানা ভোগের নিয়ম এবং সাপ্তাহিক বা সরকারি ছুটির সঙ্গে সংযুক্ত করার শর্ত প্রযোজ্য নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে। কোনো দপ্তরের জন্য নির্ধারিত নিয়ম অন্য সব সরকারি কর্মচারীর ক্ষেত্রেও একই হবে, এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়।

১২. শ্রান্তি ও বিনোদন ছুটি

দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের পর বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য সরকারি কর্মচারীদের শ্রান্তি ও বিনোদন ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময় পরপর কত দিনের ছুটি পাওয়া যাবে, তা সংশ্লিষ্ট বিধি ও সরকারি আদেশের ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে হবে।

আবেদনের সময় ছুটির প্রাপ্যতার প্রত্যয়নপত্র, পূর্বে ছুটি ভোগের তথ্য এবং অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের শর্ত যাচাই করা প্রয়োজন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সেবা-সংক্রান্ত তথ্যেও শ্রান্তি ও বিনোদন ছুটির জন্য ছুটি প্রাপ্যতার প্রত্যয়নপত্র এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

সরকারি চাকরিতে কোন ছুটি কত দিনের?

ছুটির মেয়াদ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি দেখা যায়। সব সরকারি কর্মচারীর জন্য ১২ ধরনের ছুটির নির্দিষ্ট মেয়াদ এক তালিকায় দেওয়া ঠিক নয়। কারণ ছুটির ধরন, কর্মচারীর পদ, চাকরির বিধি, ছুটির হিসাব এবং সরকারি আদেশ অনুযায়ী মেয়াদ ভিন্ন হতে পারে।

বিশেষ করে অসাধারণ ছুটি, অধ্যয়ন ছুটি, চিকিৎসালয় ছুটি, সংগনিরোধ ছুটি এবং অক্ষমতাজনিত ছুটির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধি না দেখে নির্দিষ্ট দিনের সংখ্যা উল্লেখ করলে ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে।

অবসর-উত্তর ছুটির ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৭ ধারায় সর্বোচ্চ এক বছরের বিধান রয়েছে। অন্য ছুটির ক্ষেত্রে নিজের দপ্তরের প্রযোজ্য বিধি ও সর্বশেষ সরকারি আদেশ দেখে মেয়াদ নিশ্চিত করা উচিত।

ছুটির আবেদন করার আগে যে ৬টি বিষয় যাচাই করবেন

সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি নিয়ে জটিলতা এড়াতে নিচের বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি।

১. ছুটির হিসাব: সার্ভিস বুক বা সংশ্লিষ্ট নথিতে কত দিন ছুটি জমা আছে, তা যাচাই করুন।

২. সঠিক ছুটির ধরন: ব্যক্তিগত প্রয়োজন, চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা কিংবা অবসর প্রস্তুতির জন্য কোন ছুটি প্রযোজ্য, তা নিশ্চিত করুন।

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: চিকিৎসা সনদ, মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ, অধ্যয়নের অনুমতিপত্র বা অন্য নথি প্রয়োজন কি না, জেনে নিন।

৪. অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ: সংশ্লিষ্ট ছুটি মঞ্জুর করার ক্ষমতা কার রয়েছে, তা নিশ্চিত করুন।

৫. ছুটির মেয়াদ: আবেদন করা সময়সীমা প্রযোজ্য বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, যাচাই করুন।

৬. বেতন ও অন্যান্য সুবিধা: ছুটির সময়ে পূর্ণ বেতন, অর্ধ বেতন অথবা বিনা বেতনের কোন বিধান প্রযোজ্য হবে, তা আগে জেনে নিন।

মনে রাখতে হবে, ছুটির আবেদন জমা দেওয়া আর ছুটি মঞ্জুর হওয়া এক বিষয় নয়। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ছুটিতে গেলে দাপ্তরিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।

সরকারি ছুটির নিয়ম কোথায় যাচাই করবেন?

সরকারি চাকরিজীবীরা ছুটি-সংক্রান্ত বিধান যাচাই করতে বাংলাদেশ সরকারের আইনভান্ডার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের সরকারি ওয়েবসাইট দেখতে পারেন।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৬ ধারায় ছুটির সাধারণ ভিত্তি এবং ৪৭ ধারায় অবসর-উত্তর ছুটির বিধান উল্লেখ রয়েছে। তবে সব ধরনের ছুটির বিস্তারিত নিয়ম জানতে সংশ্লিষ্ট সার্ভিস রুলস, বিধিমালা এবং পরবর্তী সরকারি আদেশও দেখতে হবে।

সরকারি আইনভান্ডার: https://bdlaws.minlaw.gov.bd/

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সুবিধা। তবে কোন কর্মচারী কত দিনের ছুটি পাবেন, ছুটির সময়ে কী পরিমাণ বেতন প্রাপ্য হবেন এবং কোন শর্তে ছুটি মঞ্জুর হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও দাপ্তরিক অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে।

তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তালিকা দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের দপ্তরের প্রশাসনিক বা হিসাব শাখা থেকে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়াই নিরাপদ। এতে ছুটি মঞ্জুর, বেতন-ভাতা এবং চাকরির হিসাবসংক্রান্ত অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে।

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

১৬ ডিসেম্বর হতে পারে আইপিএলের নিলাম, কোথায় হবে আয়োজন

১৬ ডিসেম্বর হতে পারে আইপিএলের নিলাম, কোথায় হবে আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ২০২৭ মৌসুমের মিনি নিলাম আগামী ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে ...

লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ৪৪৩

লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ৪৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন বাংলাদেশের লিটন দাস। ...

ফুটবল

ব্যালন ডি’অর ২০২৬: সম্ভাব্য সেরা ১০-এর তালিকায় শীর্ষে হ্যারি কেইন, দুইয়ে ইয়ামাল

ব্যালন ডি’অর ২০২৬: সম্ভাব্য সেরা ১০-এর তালিকায় শীর্ষে হ্যারি কেইন, দুইয়ে ইয়ামাল

ফুটবলের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ সম্মানগুলোর একটি ব্যালন ডি’অর। ২০২৬ সালের এই পুরস্কার ঘিরে আলোচনায় উঠে এসেছে ...

আর্জেন্টিনার কোচ থাকছেন স্কালোনিই, জানুন কত দিন

আর্জেন্টিনার কোচ থাকছেন স্কালোনিই, জানুন কত দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে চুক্তি নবায়নের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম। প্রাথমিকভাবে ...