হাড় কাঁপানো শীতে স্থবির জনজীবন থাকবে যতদিন
বছরের শুরুতেই প্রবল শীতের প্রভাব পড়েছে জনজীবনে। হাড় কাঁপানো শীতের কারণে রাজধানীসহ সারা দেশেই জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ অবস্থা আরও তিন দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। শুধু তাই নয়, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তীব্র থেকে মাঝারি এবং অন্যান্য অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার দুই-তিনটি শৈত্যপ্রবাহেরও সম্ভাবনা রয়েছে।
৭৬ বছর বয়স পার করলেও, দেলোয়ার হোসেন রুটি-রুজির তাগিদে রাস্তার ধারে চা বিক্রি করেন। শীতের তীব্রতায় শারীরিক অস্বস্তি সত্ত্বেও তিনি গরম কাপড় পেঁচিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। শীতকাল মানেই শ্রমজীবী মানুষের জন্য কাঁথা বা কম্বল জড়িয়ে বসে থাকা নয়, বরং পেটের দায়ে কাজে বের হতে হয়। গরম কাপড় না থাকলে দুটো শার্ট জড়িয়ে কিংবা মাফলার না পেলে গামছা মুড়িয়ে কাজে বেরিয়ে পড়েন তারা।
তবে নাগরিক জীবনে শীতের আরেকটি দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কুয়াশার চাদর ঘন হলে অনেকের জীবনে কিছুটা আয়েশও আসে। শীত উপভোগ করতে বা পিঠে-পুলি খুঁজতে পরিবারসহ বেরিয়ে পড়েন কিছু মানুষ।
ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী জানুয়ারি মাসকে সাধারণত বছরের শীতলতম মাস হিসেবে ধরা হয়। বছরের প্রথমেই বেড়েছে কুয়াশা এবং শীতল হাওয়া। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, এই শীতের অবস্থা আরও তিন দিন স্থায়ী হতে পারে। এছাড়াও, পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে, এই মাসে মৃদু থেকে মাঝারি কিংবা মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- স্কুলে রমজানের ছুটি শুরু কবে
- দেড় থেকে দুই বছরে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে!
- আজকের সোনার বাজারদর: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- বিএনপির টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রি হবেন যারা
- দেড় থেকে দুই বছরে বাস্তবায়ন হতে পারে নতুন পে-স্কেল
- এক ধাক্কায় কমে গেল সোনার দাম
- মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সুখবর: ৪ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ছে বেতন
- ১২ মন্ত্রী ১৮ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে বিএনপি সরকারের যাত্রা
- রমজানে স্কুল বন্ধের নির্দেশ স্থগিত: যা জানা গেলো
- ২০ শতাংশ কমে গেল এলপি গ্যাসের দাম
- সবার আগে রোজা শুরুর তারিখ ঘোষণা করলো ৬ দেশ
- যে কারনে শপথ নেননি রুমিন ফারহানা
- পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এলো বড় সুখবর
- দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি পালনের নির্দেশ
- আজ ১৮, ২১, ২২,ক্যারেট এক ভরি স্বর্ণের দাম
