অবশেষে জানা গেল যে কারনে রান পাচ্ছে না মুমিনুল
শুধু তাই নয়, এতো কিছু পরেও যার সঙ্গে যুক্ত হয় নিজের পারফরম্যান্সও ঠিক রাখা। কেউ কেউ নেতৃত্ব পেলে আগের জ্বলে ওঠেন, আবার কেউ বা চাপ সামলাতে না পেরে নিজের পারফর্মটাও হারিয়ে ফেলেন।
২০১৯ সালে ফিক্সিং বিতর্কে জড়িয়ে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন সাকিব আল হাসান। এরপর অনেকটা হুট করেই নেতৃত্ব পেয়ে যান মুমিনুল হক। নেতৃত্ব পেয়ে হারিয়েছেন নিজের পারফরম্যান্স।
তেমনটাই দেখাচ্ছে মুমিনুল হকের পরিসংখ্যান। অধিনায়ক হওয়ার আগে মুমিনুলের ব্যাটিং গড় ছিল ৬৭ ইনিংসে ৪১.৪৮। অধিনায়কত্ব পাবার পর ১৭ টেস্টে ৩১.৪৪ গড়ে করেছেন ২ ফিফটি আর ৩ সেঞ্চুরিতে মাত্র ৯১২ রান। তার ৫৩ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে মোট রান ৩ হাজার ৫২৫। মোট ১১টি সেঞ্চুরি করা মুমিনুল অধিনায়ক হওয়ার পর পেয়েছেন মাত্র ৩টি। এই সময়ে ডাক মেরেছেন ছয়বার। শেষ ৮ ইনিংসে দুই অঙ্কের রানের ঘরই পার হতে পারেননি। এই সময়ে তার ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ৯ রান।
এমন অবস্থায় মুমিনুল নেতৃত্ব ধরে রাখবেন কী না এই সিদ্ধান্ত তার ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রধান নাজমুল হাসান পাপন। মুমিনুলকে নেতৃত্ব দেয়াটা ছিল অনেকটা চমক। বলা যায় অবিশ্বাস্য ব্যাপার।
অধিনায়কত্ব আর নিজের পারফরম্যান্স মিলে অনেকটা পেরে উঠতে পারছেন না টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক। অবশ্য তার নেতৃত্বে অনেক বড় সাফল্য এসেছে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম জয়টি।
