‘আমি জানি কীভাবে রান করতে হয়’
এই বিষয় নিয়ে মুমিনুল মনে করেন, "তার এই রান খরা সাময়িক এবং রান খরা তার অফ ফর্মের অর্থও বহন করে না। দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই টেস্টে চার ইনিংসে মুমিনুল করেছেন মোটে ১৩ রান। তবে তাতে নিজের ফর্ম নিয়ে উদ্বিগ্ন নন অধিনায়ক।"
তিনি আরও বলেন, ‘দুই-এক ম্যাচ খারাপ খেলতেই পারেন। তার মানে এই না যে আমি আমার জায়গায় নাই। আমি খুব একটা উদ্বিগ্ন না। আমি জানি কীভাবে রান করতে হয়। আমি এর আগেও এমন (রান খরায়) ছিলাম, বড় রান করেছি এরপরও।’
মুমিনুল অবশ্য অকপটে স্বীকার করলেন, বাজে ব্যাটিংয়ের কারণেই বাজেভাবে হোয়াইটওয়াশ হতে হয়েছে টেস্ট সিরিজে। তার ভাষায়, ‘ব্যাখ্যা একটাই- বাজে ব্যাটিং করেছি। আমার কাছেও মনে হয়, খুব বাজে ব্যাটিং করেছি আমরা। দলগতভাবে ভালো খেলতে পারিনি। কোনোভাবে ভালো খেলতে পারিনি। আগের টেস্টগুলোও যদি দেখেন, প্রথম টেস্টও হেরেছি, কিন্তু প্রথম ইনিংসে ভালো ব্যাটিং করেছিলাম। সেগুলোর পুনরাবৃত্তি করতে পারিনি। সেশন ধরে ধরে ব্যাটিং করা, লম্বা সময় ধরে ব্যাটিং করা, ওই জিনিসগুলোতে ঘাটতি ছিল।’
অধিনায়ক হিসেবে তুলনামূলক কম শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে না পারার আক্ষেপও ঝরেছে মুমিনুলের কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘ক্যাপ্টেন হিসেবে হতাশাজনক। অন্তত একটা টেস্ট জেতার সুযোগ ছিল।’
