| ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

নিজের নামে কত জমি আছে, মোবাইলেই জানবেন যেভাবে

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ অক্টোবর ২৭ ১২:১২:০৭
নিজের নামে কত জমি আছে, মোবাইলেই জানবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিজের নামে কতটুকু জমি রেকর্ড রয়েছে, কোন মৌজায় জমি আছে কিংবা খতিয়ানে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না—এসব তথ্য এখন ঘরে বসেই অনলাইনে অনুসন্ধান করা যায়। সরকারি ভূমিসেবা পোর্টাল ও খতিয়ান অনুসন্ধান ব্যবস্থার মাধ্যমে জমির রেকর্ড, দাগ নম্বর এবং মালিকানাসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।

পৈতৃক সম্পত্তি, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি কিংবা কেনা জমির হিসাব জানতে অনেকেই অনলাইনে খোঁজ করেন। কিন্তু কোথা থেকে অনুসন্ধান শুরু করবেন, কী কী তথ্য প্রয়োজন এবং অনলাইনে রেকর্ড না পাওয়া গেলে কী করবেন—তা জানা না থাকায় অনেকে সমস্যায় পড়েন।

নিজের নামে জমির সঠিক হিসাব জানতে প্রথমে সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে খতিয়ান অনুসন্ধান করতে হবে। এরপর দলিল, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও নামজারির তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে। তবে শুধু নিজের নাম লিখে বাংলাদেশের সব জেলা ও মৌজায় থাকা সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা একসঙ্গে পাওয়া যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

নিজের নামে জমি আছে কি না দেখবেন যে ওয়েবসাইটে

অনলাইনে জমির তথ্য অনুসন্ধানের জন্য সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করাই ভালো। এ ক্ষেত্রে নিচের সেবাগুলো কাজে আসতে পারে।

১. জাতীয় ভূমি তথ্য ও সেবা পোর্টাল

ভূমি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অনলাইন সেবা, নির্দেশনা ও ভূমিসংক্রান্ত তথ্য জানতে এই পোর্টালে প্রবেশ করতে পারেন।

ওয়েবসাইট: https://land.gov.bd/

২. অনলাইন খতিয়ান অনুসন্ধান

খতিয়ান অনুসন্ধানের সরকারি পোর্টালে নির্ধারিত তথ্য দিয়ে জমির রেকর্ড খুঁজতে পারবেন। পোর্টালে উপলভ্য বিকল্প অনুযায়ী বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা, জরিপ ও মালিকের নাম ব্যবহার করে অনুসন্ধান করা যায়।

ওয়েবসাইট: https://settlement.gov.bd/Khatian/

৩. ই-নামজারি সেবা

জমির নামজারির আবেদন, আবেদনের অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করতে ই-নামজারি পোর্টাল ব্যবহার করতে পারেন।

ওয়েবসাইট: https://mutation.land.gov.bd/

মনে রাখবেন, খতিয়ান অনুসন্ধান, খতিয়ানের কপি সংগ্রহ এবং নামজারি যাচাই আলাদা সেবা। কোন সেবায় কী তথ্য পাওয়া যাবে, তা সংশ্লিষ্ট পোর্টালের সুবিধা ও রেকর্ডের ধরনের ওপর নির্ভর করে।

ধাপে ধাপে অনলাইনে নিজের জমির তথ্য দেখার নিয়ম

ধাপ ১: খতিয়ান অনুসন্ধানের ওয়েবসাইট খুলুন

প্রথমে মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে https://settlement.gov.bd/Khatian/ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। সেখানে খতিয়ানের তথ্য অনুসন্ধানের জন্য নির্ধারিত ফর্ম বা বিকল্প খুঁজে নিন।

ধাপ ২: জমির অবস্থান নির্বাচন করুন

অনুসন্ধানের ফর্মে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভাগ, জেলা, উপজেলা বা থানা, জরিপ এবং মৌজার তথ্য নির্বাচন করুন।

জমিটি কোন এলাকায় অবস্থিত, তা জানা থাকলে সঠিক রেকর্ড খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। তাই অনুসন্ধানের আগে দলিল বা পুরোনো খতিয়ান থেকে জমির অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে রাখুন।

ধাপ ৩: মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করুন

পোর্টালে মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধানের সুযোগ থাকলে সেখানে নিজের নাম লিখুন। অতিরিক্ত তথ্য দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে পিতার নাম, খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বরের মতো প্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যবহার করতে পারেন।

কোন কোন তথ্য দিয়ে অনুসন্ধান করা যাবে, তা পোর্টালের ফর্ম ও নির্বাচিত রেকর্ডের ওপর নির্ভর করবে। তাই পোর্টালের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

ধাপ ৪: পাওয়া খতিয়ানের তথ্য মিলিয়ে দেখুন

অনুসন্ধানের ফলাফলে নিজের নামের সঙ্গে মিল থাকা কোনো খতিয়ান পাওয়া গেলে সেটির তথ্য সতর্কভাবে যাচাই করুন।

বিশেষভাবে দেখুন—

- মালিকের নাম ও পরিচয়।

- পিতার নাম বা অন্যান্য পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য, যদি থাকে।

- খতিয়ান নম্বর।

- দাগ নম্বর।

- মৌজার নাম।

- রেকর্ডে উল্লেখ করা জমির পরিমাণ।

একই নামে একাধিক ব্যক্তি থাকতে পারেন। তাই শুধু নামের মিল দেখে কোনো জমিকে নিজের বলে ধরে নেবেন না। দলিল, ঠিকানা, মৌজা ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।

ধাপ ৫: প্রয়োজন হলে খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করুন

অনলাইনে রেকর্ড পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী খতিয়ানের কপি সংগ্রহের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত আবেদনপ্রক্রিয়া ও বর্তমান ফি অনুসরণ করুন।

মনে রাখবেন, অনলাইনে কোনো রেকর্ড দেখা এবং সেই রেকর্ডের কপি বা প্রত্যয়িত নথি সংগ্রহ করা এক বিষয় নয়।

শুধু নাম দিয়ে কি নিজের সব জমির তালিকা পাওয়া যাবে?

এ বিষয়ে অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে। অনলাইনে মালিকের নাম দিয়ে খতিয়ান অনুসন্ধান করা গেলেও শুধু নাম লিখে দেশের সব জেলা ও মৌজায় থাকা নিজের সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

এর কয়েকটি কারণ রয়েছে।

বিভিন্ন এলাকায় জমি থাকলে: প্রতিটি জমির জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজা ও জরিপের রেকর্ড আলাদাভাবে খুঁজতে হতে পারে।

পূর্বপুরুষের নামে রেকর্ড থাকলে: উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি এখনো বাবা, মা বা অন্য পূর্ববর্তী মালিকের নামে রেকর্ডভুক্ত থাকতে পারে।

নামের বানানে পার্থক্য থাকলে: দলিল ও খতিয়ানে নামের বানান আলাদা হলে অনুসন্ধানে সমস্যা হতে পারে।

পুরোনো রেকর্ড হলে: কিছু পুরোনো রেকর্ড অনলাইনে সহজে পাওয়া নাও যেতে পারে।

যৌথ মালিকানা থাকলে: একই খতিয়ানে একাধিক মালিকের নাম থাকলে নিজের প্রকৃত অংশ আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।

তাই নিজের নামে জমির সঠিক হিসাব করতে হলে কেনা জমি, পৈতৃক সম্পত্তি এবং উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির রেকর্ড প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদাভাবে অনুসন্ধান করুন।

খতিয়ান থেকে নিজের জমির পরিমাণ হিসাব করবেন যেভাবে

খতিয়ানে জমির মোট পরিমাণ উল্লেখ থাকলে রেকর্ডভুক্ত জমির পরিমাণ জানা যায়। তবে যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে পুরো জমির পরিমাণ নিজের বলে ধরে নেওয়া যাবে না।

ধরা যাক, একটি খতিয়ানে মোট জমির পরিমাণ ৬০ শতক। সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী ওই জমিতে আপনার বৈধ মালিকানার অংশ এক-চতুর্থাংশ হলে হিসাব হবে—

৬০ ÷ ৪ = ১৫ শতক।

অর্থাৎ, হিসাব অনুযায়ী আপনার অংশ ১৫ শতক।

তবে প্রকৃত মালিকানার অংশ নির্ধারণের জন্য খতিয়ানের বিবরণ, দলিল, উত্তরাধিকারসংক্রান্ত নথি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বণ্টননামা যাচাই করা প্রয়োজন। শুধু খতিয়ানে মোট জমির পরিমাণ দেখে নিজের অংশ নির্ধারণ করবেন না।

জমির হিসাব করতে যেসব তথ্য মিলিয়ে দেখবেন

নিজের নামে জমির পরিমাণ ও রেকর্ড যাচাই করার সময় নিচের তথ্যগুলো কাজে লাগবে।

- মালিকের নাম ও পরিচয়: সঠিক ব্যক্তির রেকর্ড শনাক্ত করতে।

- খতিয়ান নম্বর: সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড খুঁজতে।

- দাগ নম্বর: মৌজা মানচিত্রে জমির অবস্থান শনাক্ত করতে।

- মৌজার নাম ও জরিপ: সঠিক এলাকার রেকর্ড খুঁজতে।

- জমির মোট পরিমাণ: রেকর্ডে কত জমি উল্লেখ রয়েছে, তা জানতে।

- মালিকানার অংশ: যৌথ জমিতে নিজের হিস্যা বুঝতে।

- দলিল ও নামজারির তথ্য: মালিকানা হস্তান্তর ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ড যাচাই করতে।

খতিয়ানে নাম থাকলেই কি জমির মালিকানা নিশ্চিত?

খতিয়ান জমির রেকর্ড যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথি। তবে শুধু খতিয়ানে নাম থাকা কিংবা নামজারি সম্পন্ন হওয়ার ভিত্তিতে সব ক্ষেত্রে চূড়ান্ত মালিকানা নিশ্চিত করা যায় না।

জমি কেনা, উত্তরাধিকার, দান বা অন্য কোনো বৈধ উপায়ে পাওয়া হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট দলিল, খতিয়ান, নামজারি এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি একসঙ্গে যাচাই করা উচিত।

একইভাবে, নামজারি না থাকলেই কোনো ব্যক্তি যে জমির মালিক নন—এমন সিদ্ধান্তও সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মালিকানা নিয়ে বিরোধ বা নথির মধ্যে অসংগতি থাকলে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।

অনলাইনে জমির তথ্য না পেলে কী করবেন?

অনলাইনে নিজের নাম খুঁজে না পেলেই ধরে নেওয়া যাবে না যে আপনার নামে কোনো জমি নেই। ভুল মৌজা নির্বাচন, নামের বানানে পার্থক্য, পুরোনো রেকর্ড কিংবা জরিপের বিভিন্ন পর্যায়ের কারণে তথ্য পাওয়া নাও যেতে পারে।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে পারেন—

১. পুরোনো দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর ও জমির অন্যান্য কাগজপত্র সংগ্রহ করুন।

২. দলিলে উল্লেখ করা জেলা, উপজেলা ও মৌজার তথ্য মিলিয়ে আবার অনুসন্ধান করুন।

৩. উত্তরাধিকারসূত্রে জমি পেয়ে থাকলে পূর্ববর্তী মালিকের নামেও রেকর্ড খুঁজুন।

৪. নামজারি করা থাকলে https://mutation.land.gov.bd/ ওয়েবসাইটে আবেদনের অগ্রগতি ও প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করুন।

৫. তাতেও তথ্য না মিললে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলা ভূমি অফিস বা রেকর্ড সংরক্ষণকারী দপ্তরে যোগাযোগ করুন।

ভূমিসেবা-সংক্রান্ত সহায়তার জন্য সরকারি পোর্টালে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিসেবা সহায়তা নম্বর ১৬১২২-এ যোগাযোগ করার বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারেন।

এক নজরে নিজের নামে জমি যাচাইয়ের নিয়ম

- প্রথমে খতিয়ান অনুসন্ধান করুন: সরকারি পোর্টালে জমির অবস্থান ও মালিকের তথ্য দিয়ে অনুসন্ধান করুন।

- রেকর্ডের তথ্য মিলিয়ে নিন: খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজার নাম ও জমির পরিমাণ যাচাই করুন।

- দলিল ও নামজারি পরীক্ষা করুন: নিজের প্রকৃত মালিকানার অংশ বুঝতে সংশ্লিষ্ট নথির সঙ্গে রেকর্ড মিলিয়ে দেখুন।

- উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি খুঁজুন: প্রয়োজন হলে পূর্ববর্তী মালিকের নামেও অনুসন্ধান করুন।

- প্রয়োজনে ভূমি অফিসে যান: অনলাইনে তথ্য না মিললে সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে রেকর্ড যাচাই করুন।

পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. নিজের নামে কত জমি আছে, তা কি মোবাইল দিয়ে দেখা যায়?

হ্যাঁ। মোবাইলের ব্রাউজার থেকে সরকারি খতিয়ান অনুসন্ধান পোর্টালে প্রবেশ করে অনলাইনে উপলভ্য জমির রেকর্ড খুঁজতে পারবেন।

২. শুধু নাম দিয়ে কি নিজের সব জমি খুঁজে পাওয়া যাবে?

না, সব ক্ষেত্রে নয়। নাম দিয়ে খতিয়ান অনুসন্ধান করা গেলেও সারাদেশে নিজের নামে থাকা সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা একসঙ্গে পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই।

৩. অনলাইনে নিজের নাম না পেলে কী করবেন?

প্রথমে মৌজা, জরিপ ও নামের বানান ঠিক আছে কি না যাচাই করুন। এরপর পুরোনো দলিল বা খতিয়ান দেখে আবার অনুসন্ধান করুন। তাতেও তথ্য না মিললে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন।

৪. খতিয়ান থেকে কি নিজের জমির পরিমাণ জানা যায়?

হ্যাঁ। খতিয়ানে জমির পরিমাণ উল্লেখ থাকলে তা দেখা যায়। তবে যৌথ খতিয়ানের মোট জমির পরিমাণ এবং আপনার ব্যক্তিগত মালিকানার অংশ আলাদা হতে পারে।

৫. অনলাইনে জমির তথ্য দেখতে কি টাকা লাগে?

অনলাইনে রেকর্ড অনুসন্ধান এবং খতিয়ানের কপি সংগ্রহ আলাদা বিষয়। নির্দিষ্ট কপি বা প্রত্যয়িত নথির জন্য সরকারি ফি প্রযোজ্য হতে পারে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে বর্তমান ফি যাচাই করুন।

নিজের নামে কত জমি আছে, তা জানার কার্যকর উপায় হলো সরকারি ভূমি রেকর্ড পোর্টালে অনুসন্ধান করে পাওয়া তথ্য দলিল, খতিয়ান ও নামজারির নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা। তবে একবারে সারা দেশে নিজের সব জমির তালিকা পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

বিশেষ করে পৈতৃক সম্পত্তি, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি ও যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে প্রতিটি এলাকার রেকর্ড প্রয়োজন অনুযায়ী যাচাই করুন। অনলাইনে তথ্য না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের সহায়তা নিন। এতে জমির সঠিক হিসাব বুঝতে এবং ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য পাবেন।

সিদ্দিকা/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

বিগ ব্যাশে দল পাচ্ছেন মুস্তাফিজ, খেলবেন যে দলে

বিগ ব্যাশে দল পাচ্ছেন মুস্তাফিজ, খেলবেন যে দলে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নতুন খবর সামনে এসেছে। ...

লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ৪৪৩

লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ৪৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন বাংলাদেশের লিটন দাস। ...

ফুটবল

ব্যালন ডি’অর ২০২৬: কে কোন পুরস্কার জিতলেন

ব্যালন ডি’অর ২০২৬: কে কোন পুরস্কার জিতলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে পুরুষ ও নারী ফুটবলের তারকাদের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগে ...

ইয়ামাল, এমবাপে নাকি কেইন, ব্যালন ডি’অর জিতবেন কে

ইয়ামাল, এমবাপে নাকি কেইন, ব্যালন ডি’অর জিতবেন কে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে, তা নিয়ে ...