কীভবে গণনা করা হবে পোস্টাটের ব্যালট
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পোস্টাল ব্যালটের গণনা ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করতে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করতেই এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, পোস্টাল ব্যালট গণনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিম্নোক্ত নিয়মাবলি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে—
গণনা শুরুর প্রস্তুতি
ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রিজাইডিং অফিসারকে পোস্টাল ভোট গণনায় উপস্থিতি ফরমে স্বাক্ষর করতে হবে। গণনা চলাকালে আসনভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষে একজন করে পোলিং এজেন্ট উপস্থিত থাকতে পারবেন।
ভোটগ্রহণের দিন বিকেল সাড়ে চারটার পর রিটার্নিং অফিসার পোস্টাল ব্যালটভর্তি ব্যালট বাক্স প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন। এ সময় উপস্থিত পরিদর্শক, সাংবাদিক ও পোলিং এজেন্টদের সামনে ব্যালট বাক্সের বারকোড নম্বর উচ্চস্বরে পাঠ করতে হবে।প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশে পোলিং অফিসাররা পোস্টাল ব্যালট ও ঘোষণাপত্রসংবলিত খাম খুলবেন এবং ঘোষণাপত্র ও ব্যালটসম্বলিত ছোট খামগুলো আলাদা করে রাখবেন।
ব্যালট ও ঘোষণাপত্র যাচাই
প্রবাসী ভোটারদের জন্য ফর্ম-৭ ব্যবহার করা হবে, যেখানে প্রার্থীর নাম না থাকলেও রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীক মুদ্রিত থাকবে। দেশে অবস্থানরত ভোটারদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে ফর্ম-৭(ক), যেখানে প্রার্থীর নাম ও প্রতীক উভয়ই থাকবে।ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর রয়েছে কি না তা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করতে হবে। ঘোষণাপত্র না থাকলে বা স্বাক্ষর অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট পোস্টাল ব্যালট বাতিল হিসেবে গণ্য হবে এবং তাতে ‘বাতিল’ সিল দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ‘ঘোষণাপত্র নাই’ অথবা ‘ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর নাই’ উল্লেখ করে প্রিজাইডিং অফিসার স্বাক্ষর করবেন।
ভোট গণনা ও ফলাফল লিপিবদ্ধ
প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশনায় পোলিং অফিসাররা সাধারণ ভোট ও গণভোট আলাদাভাবে গণনা করবেন। আসনভিত্তিক প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ব্যালট পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
সাধারণ ভোটের ফলাফল ফর্ম-১৬(ক)-তে এবং গণভোটের ফলাফল (হ্যাঁ/না অনুযায়ী) ফর্ম-৪-এ লিপিবদ্ধ করতে হবে। ফলাফল ফরমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের পক্ষে উপস্থিত পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর গ্রহণ করতে হবে।
প্যাকেটজাতকরণ ও সংরক্ষণ
* প্যাকেট ১: প্রার্থীদের পক্ষে প্রদত্ত সকল বৈধ ব্যালট
* প্যাকেট ২: অবৈধ বা বাতিলকৃত ব্যালট ও ফর্ম-৭
* প্যাকেট ৩: প্যাকেট ১ ও ২ একত্রে সংরক্ষণ
* প্যাকেট ৯: পোস্টাল ব্যালট পেপারের রেজিস্টার (ফর্ম-১২)
* প্যাকেট ১৪: ফলাফল বিবরণী (ফর্ম-১৬ ক)
* প্যাকেট ১৬: ফেরত খাম (ফর্ম-১০ ও ১০-খ), স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণাপত্র (ফর্ম-৮), ত্রুটিপূর্ণ বাতিল ঘোষণাপত্র ও সাদা খাম (ফর্ম-১০ ক)
গণভোটের ক্ষেত্রে বৈধ ব্যালট প্যাকেট ১-এ, অবৈধ ব্যালট প্যাকেট ২-এ এবং ফলাফল বিবরণী (ফর্ম-৪) প্যাকেট ৬-এ সংরক্ষণ করতে হবে।
সবশেষে, সব প্যাকেট একটি হেশিয়ান বা চটের ব্যাগে ভরে ভালোভাবে মুখ আটকে সিলগালা করতে হবে। প্রিজাইডিং অফিসার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সিলগালাকৃত ব্যাগ এবং ফলাফল বিবরণীসংবলিত প্যাকেট ১৪ রিটার্নিং অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন।
নির্বাচন কমিশনের মতে, নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালট গণনা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা: ফেব্রুয়ারি থেকেই ৪ থেকে ৮ হাজার টাকা বেতন বাড়ছে সরকারি কর্মচারীদের
- নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে একধাপ এগোল সরকার
- পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
- নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে বড় ধাপ: যা জানা গেল
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- নির্বাচনের ফলাফল কবে; সময় জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন
- টানা ৪৬ দিনের লম্বা ছুটিতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- পে-স্কেল: ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিল সরকারি কর্মচারীরা
- দেশের বাজারে আজ এক ভরি স্বর্ণের দাম
- মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা: ৪ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন বাড়ছে
- আজকের সোনার বাজারদর: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- যে দিন থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ
- আজই প্রকাশিত হতে পারে প্রাথমিকের চূড়ান্ত ফল: একক্লিকে দেখুন এখানে
- নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি গঠন
- নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন কেন জরুরি: যা জানাল BASA
