সোহাগ আহমদে
সিনিয়র রিপোর্টার
ভাঙনের মুখে জামায়াতের ইসলামী জোট; ৪০ আসনেও নাখোশ চরমোনাই
ভাঙনের মুখে ১১ দলীয় জোট: ৪০ আসনেও মানছে না চরমোনাই, অনড় মামুনুল হক
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এখন খাদের কিনারায়। মূলত আসন সমঝোতা নিয়ে শরিক দলগুলোর অনমনীয় অবস্থানের কারণে জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ৪০টি সংসদীয় আসন ছেড়ে দেওয়ার জামায়াতের প্রস্তাবেও সন্তুষ্ট হতে পারেনি চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
চরমোনাই ও মামুনুল হকের অনড় অবস্থান
ইসলামী আন্দোলনের দাবি, দেশজুড়ে তাদের একটি বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে। তাই জামায়াতের দেওয়া ৪০টি আসনের প্রস্তাবকে তারা অপর্যাপ্ত মনে করছে। সমঝোতার জন্য জামায়াত এই আসনের বাইরে আরও কিছু আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দিলেও তাতে সায় দেননি সৈয়দ রেজাউল করিম। অন্যদিকে, মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও তাদের সাংগঠনিক শক্তির চেয়ে অতিরিক্ত আসন দাবি করছে বলে জানা গেছে। দফায় দফায় বৈঠকের পরও এই দুই দলের সঙ্গে জামায়াতের বনিবনা না হওয়ায় তারা জোট থেকে বেরিয়ে আলাদা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গুঞ্জন উঠেছে।
আসন ভাগাভাগি ও এনসিপি ফ্যাক্টর
জোটের ভেতরের অস্থিরতা শুরু হয় মূলত নতুন তিনটি দল— এনসিপি, এলডিপি এবং এবি পার্টি জোটে যুক্ত হওয়ার পর। এনসিপিকে ইতোমধ্যে ৩০টি আসন ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত, যা তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এনসিপি সহ নতুন দলগুলো আসার পর জামায়াতের কাছে ইসলামী দলগুলোর আগের গুরুত্ব কমে গেছে। ফলে জোটে নিজেদের অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কায় ইসলামী দলগুলো এখন বেঁকে বসেছে।
মনোনয়ন নিয়ে বিভ্রান্তি
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জোটবদ্ধ নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হলেও পরদিন দেখা যায়, ৩০০ আসনের বিপরীতে জোটের পক্ষ থেকে প্রায় ৬০০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তখন জোটের পক্ষ থেকে সময় স্বল্পতার অজুহাত দেওয়া হলেও মূলত অভ্যন্তরীণ কোন্দলই ছিল এর প্রধান কারণ। ১৩ জানুয়ারি চূড়ান্ত ঘোষণার কথা থাকলেও তা সফল হয়নি।
বর্তমান প্রেক্ষাপট
বর্তমানে জামায়াত কৌশলী অবস্থান নিয়ে ইসলামী আন্দোলন ও মামুনুল হকের দলের কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর আসনে নিজেদের কোনো প্রার্থী দেয়নি। তবে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দল দুটি এখন জামায়াতের ওপর বাড়তি চাপ প্রয়োগের কৌশল নিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস জোটে থাকে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চরম কৌতূহল বিরাজ করছে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- নির্বাচনের আগেই হচ্ছে পে-স্কেল!
- নতুন পে স্কেল ঝুলে থাকলেও মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন কর্মচারীরা
- নতুন পে স্কেলের আগে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে বড় সুখবর
- নবম পে স্কেল চূড়ান্ত: সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন কত বাড়ল
- পে স্কেলে ১:৮ অনুপাতে বেতন নির্ধারণ: চূড়ান্ত ঘোষণা ২১ জানুয়ারি
- স্কেল নয়; গ্রেডভিত্তিক মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
- নির্বাচনের আগে মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
- সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে ২১ হাজার; অপেক্ষার অবসান হতে পারে কালই
- পে স্কেলের আগে ১৫ ও ২০ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা সরকারি চাকরিজীবীরা
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা ৪ দিনের ছুটির দারুণ সুযোগ
- পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালেন অর্থ উপদেষ্টা
- কাল চূড়ান্ত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল: সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সুখবর
- নির্বাচন থেকে সরে দাড়াচ্ছেন বিএনপির যেসব বিদ্রোহী প্রার্থীরা
- যে কারনে দুই ঘণ্টা আগে ১১ দলের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত
- ১ দিন ম্যানেজ করলেই টানা টানা ৪ দিনের ছুটির দারুণ সুযোগ
