| ঢাকা, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

৬৫০ দিন পরও সেঞ্চুরি নেই বাংলাদেশের

ক্রিকেট ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৪ সেপ্টেম্বর ২৭ ২১:৩৮:৫৯
৬৫০ দিন পরও সেঞ্চুরি নেই বাংলাদেশের

বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে ওপেনিং জুটির বড় রানের অভাব ক্রমশ চিন্তার বিষয় হয়ে উঠছে। সর্বশেষ ৬৫০ দিন ধরে কোনো ওপেনিং জুটি সেঞ্চুরির দেখা পায়নি, যা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এক বড় রকমের সমস্যা। ওপেনারদের সাফল্যহীনতা এ দলের ব্যাটিং লাইনআপের অন্যতম দুর্বল দিক হয়ে উঠেছে, আর এই খরা চলছেই।

জাকির হাসান এবং সাদমান ইসলাম সম্প্রতি বাংলাদেশ দলের হয়ে ওপেনিংয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পাকিস্তান সিরিজ থেকে শুরু করে তারা নিয়মিত ওপেনার হিসেবে মাঠে নামলেও, বিগত ৭ ইনিংসে তারা একবারও ৬২ রানের বেশি জুটি গড়তে পারেননি। এর মধ্যে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটিতে সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া যায়নি, যা বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটি দীর্ঘ সময়ের খরা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ওপেনিং ব্যর্থতার দীর্ঘ তালিকা:

বাংলাদেশের সর্বশেষ ওপেনিং সেঞ্চুরি এসেছিল ২০২২ সালে ভারতের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে। জাকির হাসান তার অভিষেক টেস্টে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে ১২৪ রানের জুটি গড়েন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ দল ওপেনিংয়ে কোনো সেঞ্চুরি জুটি গড়তে পারেনি। এই সময়ের মধ্যে ২১টি ইনিংস পার হয়েছে, যেখানে ৫টি ভিন্ন ওপেনিং জুটি চেষ্টা করেও কোনো সাফল্য পায়নি।

মাহমুদুল হাসান জয় এবং জাকির হাসান সবচেয়ে বেশি ১০টি ইনিংসে একসঙ্গে ওপেন করেছেন। কিন্তু তারা সর্বোচ্চ ৪৭ রানের জুটিই গড়তে পেরেছেন, যা মোটেও সন্তোষজনক নয়। জয়ের চোটের পর সাদমান ইসলামের সুযোগ মেলে, কিন্তু তার সঙ্গে জাকিরের জুটিও বড় রান করতে ব্যর্থ হয়।

বড় জুটির আশার আলো মেলে না:

ভারতের বিপক্ষে চেন্নাই টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে সাদমান এবং জাকির ৬২ রানের জুটি গড়েছিলেন, যা সামান্য আশার আলো দেখালেও সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া যায়নি। এমনকি আজ কানপুরের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসেও বাংলাদেশ মাত্র ২৬ রানেই ওপেনিং জুটি হারায়। ওপেনিং ব্যাটসম্যানদের এই ধারাবাহিক ব্যর্থতা বাংলাদেশের টেস্ট পারফরম্যান্সে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কোচের ব্যাখ্যা ও অনুশীলনের অভাব:

ওপেনারদের ব্যর্থতা নিয়ে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্পও সঠিক উত্তর দিতে পারছেন না। তিনি জানান, "আমরা এ বিষয়ে কথা বলছি এবং অনুশীলনে কাজ করছি।" তবে সমস্যা সমাধানের দিকেও ইঙ্গিত দেন তিনি। তার মতে, ভালো শুরু করলেই সেটা লম্বা ইনিংসে পরিণত করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, "৪০ থেকে ৬০ বল খেলার পর লক্ষ্য হতে হবে ১২০ বল খেলা। যদি আপনি এটা করতে পারেন, তবে প্রাপ্য পুরস্কার পাবেন।"

কোচের পরামর্শ সত্ত্বেও বাংলাদেশের ওপেনাররা এখন পর্যন্ত ব্যর্থ, যার ফলে দলের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশ দলকে ওপেনিং জুটি গড়ার এই ধারাবাহিক ব্যর্থতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আরও সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং ধারাবাহিক উন্নতি প্রয়োজন।

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে ইতিহাসের সেরা অবস্থানে বাংলাদেশ

টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে ইতিহাসের সেরা অবস্থানে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে এক জয় ও এক ...

সাব্বিরের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার টানা জয় বাংলাদেশের

সাব্বিরের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার টানা জয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাব্বির রহমানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে হোবার্ট হারিকেন্স একাডেমিকে হারিয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স ...

ফুটবল

মেসির সামনে এবার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে রেকর্ড

মেসির সামনে এবার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে রেকর্ডের কমতি নেই। অসংখ্য কীর্তি গড়েছেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা। তবে ...

আসিয়ান কাপের প্রাথমিক দলে নেই হামজা চৌধুরী

আসিয়ান কাপের প্রাথমিক দলে নেই হামজা চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফিফা আসিয়ান কাপ সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে আগামী ...