| ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯

ইউসুফ ৪০৫, জাদেজা ৩৫৪, বাটলার সহ দেখে নিন বাকিদের অবস্থা

২০২২ জুন ২৩ ১৫:২৬:৩০
ইউসুফ ৪০৫, জাদেজা ৩৫৪, বাটলার সহ দেখে নিন বাকিদের অবস্থা

৭০ বলে অপরাজিত ১৬২ প্রথম ম্যাচে। এটাই শেষ না, শেষ ম্যাচে ৬৪ বলে অপরাজিত ৮৬। তিন ম্যাচ সিরিজের দুটিতে ব্যাট করে রান ২৪৮। দুটিতে অপরাজিত থাকায় গড় নেই! নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষের দারুণ এক সিরিজ কাটালেন জস বাটলার। ইংল্যান্ডের এই কিপার-ব্যাটারের পারফরম্যান্স

মনে করিয়ে দিল মোহাম্মদ ইউসুফকেও। এই সিরিজে বাটলারের গড় নেই, তাই সমীকরণও নেই। তবে গড় থাকাদের মধ্যে ওয়ানডেতে এক সিরিজ বা টুর্নামেন্টে সেরার রেকর্ড ইউসুফের। ২০০২ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাকিস্তানের এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং গড় ছিল ৪০৫!

জিম্বাবুয়েতে ৫ ম্যাচের সেই সিরিজে ৪টিতে ব্যাট করেছিলেন ইউসুফ। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন তিনি অপরাজিত ১৪১। পরের ম্যাচে ৩৪ বলে অপরাজিত ৭৬, তৃতীয় ম্যাচে ৬৮ বলে অপরাজিত ১০০। পরের ম্যাচে ব্যাটিং পাননি। শেষ ম্যাচেও তাকে কোনো বোলার আউট করতে পারেননি। তবে রান আউট হয়ে যান তিনি ৮৮ রান করে।

সিরিজে তার রান ৪০৫, গোটা সিরিজে কেবল একটিতে আউট হওয়ায় ব্যাটিং গড়ও ৪০৫!

ইউসুফ পেছনে ফেলেছিলেন অজয় জাদেজাকে। ১৯৯৮ সালে ভারতে অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজে ৫ ম্যাচে২ সেঞ্চুরিতে জাদেজা রান করেছিলেন ৩৫৪। আউট হয়েছিলেন স্রেফ এক ম্যাচে। তাই তার গড় ছিল ৩৫৪।

জাদেজা এখনও আছেন এই রেকর্ডের দুইয়ে। তিনে জায়গা নিয়ে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এখনকার প্রধান নির্বাচক ডেসমন্ড হেইন্স। ১৯৮৪ সালে অস্ট্রেলিয়াতে ৪ ম্যাচ সিরিজের ৩টিতে সেঞ্চুরি করেছিলেন সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ওপেনারদের একজন। অপরাজিত ছিলেন ৩টিতেই! একটিতে আউট হন ১ রান করে। সিরিজে তার রান ছিল ৩৪০, গড়ও একই।

বাটলারের মতো যাদের সিরিজে কোনো গড় নেই, সেই তালিকাও বেশ সমৃদ্ধ।

১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কায় চার দেশীয় সিরিজে (অন্য তিন দল অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও ভারত) ৪ ম্যাচে ব্যাট করে অরবিন্দ ডি সিলভার রান ছিল ৩৩৪। একটি ম্যাচেও তিনি আউট হননি, কাজেই কোনো ব্যাটিং গড় নেই!

ডি সিলভা ও বাটলারের মতো সিরিজে দুইশর বেশি রান করে ব্যাটিং গড় নেই আরও তিনজনের। ২০০৭ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে দুটিতে ব্যাট করে রিকি পন্টিং করেছিলেন অপরাজিত ১০৭ ও অপরাজিত ১৩৪। সিরিজে রান ২৪১, গড় নেই।

১৯৮২ সালে পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াঁদাদ ভারতের বিপক্ষে সিরিজে করেছিলেন ২৩৪ রান। ৪ ম্যাচের সবকটিতে অপরাজিত থাকায় ছিল না কোনো গড়।

২০১১ সালে এই তালিকায় নাম ওঠে মহেন্দ্র সিং ধোনির। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে তার রান ছিল ২১২। ৫ ম্যাচ সিরিজের ৪টিতে ব্যাট করে কোনোবারই আউট না হওয়ায় সেই সময়ের ভারত অধিনায়কের ছিল না কোনো গড়।

টেস্টে এক সিরিজে সর্বোচ্চ গড়ের রেকর্ড টিকে আছে ৮৯ বছর ধরে। ১৯৩৩ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টে দুই ইনিংসে ব্যাট করে ইংলিশ কিংবদন্তি ওয়ালি হ্যামন্ড খেলেছিলেন ২২৭ ও অপরাজিত ৩৩৬ রানের ইনিংস। রান ৫৬৩, গড়ও ৫৬৩!

টি-টোয়েন্টিতে এই রেকর্ড গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। ২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে দুই ম্যাচে তিনি খেলেছিলেন অপরাজিত ১৪৫ ও ৬৬ রানের ইনিংস। মোট রান ছিল ২১১, গড়ও ২১১।

তবে ম্যাক্সওয়েলের আগে বলতে হবে ডেভিড ওয়ার্নারের কথা। বেশি রান করেও যার গড় ছিল না! ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজেই তিন ম্যাচে তার রান ছিল ১০০, ৬০ ও ৫৭। অপরাজিত ছিলেন তিনটিতেই। সিরিজে ২১৭ রান করলেও তাই ছিল না কোনো গড়! এই সিরিজে বাটলারের গড় নেই, তাই সমীকরণও নেই। তবে গড় থাকাদের মধ্যে ওয়ানডেতে এক সিরিজ বা টুর্নামেন্টে সেরার রেকর্ড ইউসুফের। ২০০২ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাকিস্তানের এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং গড় ছিল ৪০৫!

জিম্বাবুয়েতে ৫ ম্যাচের সেই সিরিজে ৪টিতে ব্যাট করেছিলেন ইউসুফ। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন তিনি অপরাজিত ১৪১। পরের ম্যাচে ৩৪ বলে অপরাজিত ৭৬, তৃতীয় ম্যাচে ৬৮ বলে অপরাজিত ১০০। পরের ম্যাচে ব্যাটিং পাননি। শেষ ম্যাচেও তাকে কোনো বোলার আউট করতে পারেননি। তবে রান আউট হয়ে যান তিনি ৮৮ রান করে।

সিরিজে তার রান ৪০৫, গোটা সিরিজে কেবল একটিতে আউট হওয়ায় ব্যাটিং গড়ও ৪০৫!

ইউসুফ পেছনে ফেলেছিলেন অজয় জাদেজাকে। ১৯৯৮ সালে ভারতে অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজে ৫ ম্যাচে২ সেঞ্চুরিতে জাদেজা রান করেছিলেন ৩৫৪। আউট হয়েছিলেন স্রেফ এক ম্যাচে। তাই তার গড় ছিল ৩৫৪।

জাদেজা এখনও আছেন এই রেকর্ডের দুইয়ে। তিনে জায়গা নিয়ে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এখনকার প্রধান নির্বাচক ডেসমন্ড হেইন্স। ১৯৮৪ সালে অস্ট্রেলিয়াতে ৪ ম্যাচ সিরিজের ৩টিতে সেঞ্চুরি করেছিলেন সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ওপেনারদের একজন। অপরাজিত ছিলেন ৩টিতেই! একটিতে আউট হন ১ রান করে। সিরিজে তার রান ছিল ৩৪০, গড়ও একই।

বাটলারের মতো যাদের সিরিজে কোনো গড় নেই, সেই তালিকাও বেশ সমৃদ্ধ।

১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কায় চার দেশীয় সিরিজে (অন্য তিন দল অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও ভারত) ৪ ম্যাচে ব্যাট করে অরবিন্দ ডি সিলভার রান ছিল ৩৩৪। একটি ম্যাচেও তিনি আউট হননি, কাজেই কোনো ব্যাটিং গড় নেই!

ডি সিলভা ও বাটলারের মতো সিরিজে দুইশর বেশি রান করে ব্যাটিং গড় নেই আরও তিনজনের। ২০০৭ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে দুটিতে ব্যাট করে রিকি পন্টিং করেছিলেন অপরাজিত ১০৭ ও অপরাজিত ১৩৪। সিরিজে রান ২৪১, গড় নেই।

১৯৮২ সালে পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াঁদাদ ভারতের বিপক্ষে সিরিজে করেছিলেন ২৩৪ রান। ৪ ম্যাচের সবকটিতে অপরাজিত থাকায় ছিল না কোনো গড়।

২০১১ সালে এই তালিকায় নাম ওঠে মহেন্দ্র সিং ধোনির। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে তার রান ছিল ২১২। ৫ ম্যাচ সিরিজের ৪টিতে ব্যাট করে কোনোবারই আউট না হওয়ায় সেই সময়ের ভারত অধিনায়কের ছিল না কোনো গড়।

টেস্টে এক সিরিজে সর্বোচ্চ গড়ের রেকর্ড টিকে আছে ৮৯ বছর ধরে। ১৯৩৩ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টে দুই ইনিংসে ব্যাট করে ইংলিশ কিংবদন্তি ওয়ালি হ্যামন্ড খেলেছিলেন ২২৭ ও অপরাজিত ৩৩৬ রানের ইনিংস। রান ৫৬৩, গড়ও ৫৬৩!

টি-টোয়েন্টিতে এই রেকর্ড গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। ২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে দুই ম্যাচে তিনি খেলেছিলেন অপরাজিত ১৪৫ ও ৬৬ রানের ইনিংস। মোট রান ছিল ২১১, গড়ও ২১১।

তবে ম্যাক্সওয়েলের আগে বলতে হবে ডেভিড ওয়ার্নারের কথা। বেশি রান করেও যার গড় ছিল না! ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজেই তিন ম্যাচে তার রান ছিল ১০০, ৬০ ও ৫৭। অপরাজিত ছিলেন তিনটিতেই। সিরিজে ২১৭ রান করলেও তাই ছিল না কোনো গড়!

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ক্রিকেট এর সর্বশেষ খবর

ক্রিকেট - এর সব খবর



রে