প্রাইজ বন্ডের ১২৫তম ড্র আজ, ফল জানবেন যেভাবে
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১০০ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ প্রাইজ বন্ডের ১২৫তম ড্র অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ রোববার (১ নভেম্বর)। এ ড্রয়ে প্রথম পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী পাবেন ৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া দ্বিতীয় পুরস্কার ৩ লাখ ২৫ হাজার, তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার এবং পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।
সাধারণত প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর প্রাইজ বন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। তবে এবার নির্ধারিত তারিখ ৩১ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে পড়ায় পরবর্তী কার্যদিবস ১ নভেম্বর ড্র অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কোন পুরস্কারে কত টাকা পাবেন?
১২৫তম ড্রয়ের পুরস্কারের তালিকা হলো:
-
প্রথম পুরস্কার: ৬ লাখ টাকা
-
দ্বিতীয় পুরস্কার: ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা
-
তৃতীয় পুরস্কার: ১ লাখ টাকা
-
চতুর্থ পুরস্কার: ৫০ হাজার টাকা
-
পঞ্চম পুরস্কার: ১০ হাজার টাকা
ঘোষিত প্রতিটি বিজয়ী নম্বরের বিপরীতে প্রাইজ বন্ডের প্রতিটি সিরিজ থেকে একটি করে বন্ড পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে। অর্থাৎ শুধু নম্বর নয়, নিজের বন্ডের সিরিজও মিলিয়ে দেখা জরুরি।
কোন প্রাইজ বন্ড ড্রয়ের আওতায় থাকবে?
ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখের ৬০ দিন আগে পর্যন্ত বিক্রি হওয়া প্রাইজ বন্ড এ ড্রয়ের আওতায় থাকবে। তাই বন্ড কেনার তারিখও যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।
পুরস্কার জিতলে ঘোষিত পুরো অর্থ হাতে পাওয়া যাবে না। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হবে।
প্রাইজ বন্ডের ফল জানবেন যেভাবে
ড্রয়ের ফল প্রকাশের পর ঘরে বসেই কয়েকটি উপায়ে নিজের বন্ডের নম্বর মিলিয়ে নিতে পারবেন।
১. সরকারি ওয়েবসাইটে: জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের প্রাইজ বন্ডের ওয়েবসাইট prizebond.ird.gov.bd থেকে ফল দেখা যাবে।
২. PBRIS অ্যাপে: অ্যান্ড্রয়েড ফোনে PBRIS অ্যাপ ব্যবহার করে বন্ড নম্বর লিখে অথবা নম্বরের তালিকা আপলোড করে ফল যাচাই করা যাবে।
৩. বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ফল: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত গেজেট বা পিডিএফ তালিকা থেকেও বিজয়ী নম্বর মিলিয়ে নেওয়া যাবে।
৪. জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়: ড্রয়ের ফল পরদিন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার কথা।
নম্বর মেলানোর সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন
প্রাইজ বন্ডের ফল যাচাই করার সময় বন্ডের সম্পূর্ণ নম্বর ও সিরিজ ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। একই নম্বরের সঙ্গে সিরিজের তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ। ভুল নম্বর বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে যাচাই করলে ফল সম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
তাই ফল প্রকাশের পর সরকারি ওয়েবসাইট বা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তালিকার সঙ্গে নিজের বন্ডের তথ্য মিলিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।
সিদ্দিকা/
