জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬: বেতন-ভাতার হিসাব যেভাবে হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন, বিভিন্ন ভাতা এবং অবসরভোগীদের পেনশন নির্ধারণে নতুন বিধান নিয়ে তৈরি হয়েছে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর তথ্যভান্ডার। এতে গ্রেডভিত্তিক মূল বেতন, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, উচ্চতর গ্রেড, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা, বকেয়া হিসাব এবং পেনশন পুনর্নির্ধারণের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের গেজেট তালিকায় ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ প্রকাশের তথ্য রয়েছে। আদেশটি ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করার বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রতিবেদনেও নতুন বেতনকাঠামো কার্যকরের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের তথ্য জানানো হয়।
তবে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং বর্ধিত মূল বেতনের পুরো সুবিধা পাওয়ার সময় এক নয়। ধাপে ধাপে বেতন কার্যকরের বিধান, ব্যক্তির গ্রেড এবং প্রযোজ্য নিয়মের ওপর নির্ভর করবে প্রকৃত বেতন নির্ধারণ।
২০টি গ্রেডে মূল বেতন কত?
তথ্যভান্ডারে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত প্রারম্ভিক মূল বেতনের যে অঙ্ক দেওয়া হয়েছে, তা নিচে তুলে ধরা হলো। সরকারি কাজে ব্যবহারের আগে প্রতিটি অঙ্ক মূল গেজেটের সংশ্লিষ্ট তফসিলের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
| গ্রেড | উল্লেখিত প্রারম্ভিক মূল বেতন |
|---|---|
| ১ম | ১,৫৬,০০০ টাকা |
| ২য় | ১,৩২,০০০ টাকা |
| ৩য় | ১,১৩,০০০ টাকা |
| ৪র্থ | ১,০০,০০০ টাকা |
| ৫ম | ৮৬,০০০ টাকা |
| ৬ষ্ঠ | ৭১,০০০ টাকা |
| ৭ম | ৫৮,০০০ টাকা |
| ৮ম | ৪৬,০০০ টাকা |
| ৯ম | ৪৪,০০০ টাকা |
| ১০ম | ৩২,০০০ টাকা |
| ১১তম | ২৫,০০০ টাকা |
| ১২তম | ২৪,৩০০ টাকা |
| ১৩তম | ২৪,০০০ টাকা |
| ১৪তম | ২৩,৫০০ টাকা |
| ১৫তম | ২২,৮০০ টাকা |
| ১৬তম | ২১,৯০০ টাকা |
| ১৭তম | ২১,৪০০ টাকা |
| ১৮তম | ২১,০০০ টাকা |
| ১৯তম | ২০,৫০০ টাকা |
| ২০তম | ২০,০০০ টাকা |
তথ্যভান্ডারে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও সমমর্যাদার পদের জন্য ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা এবং সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার পদের জন্য ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকার নির্ধারিত বেতনের কথাও উল্লেখ রয়েছে। এসব পদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আদেশের বিধান অনুসরণ করতে হবে।
তিন ধাপে কার্যকরের হিসাব
নতুন মূল বেতনের সম্পূর্ণ সুবিধা একবারে কার্যকর না হয়ে ধাপে ধাপে যুক্ত হওয়ার সময়সূচি তথ্যভান্ডারে তুলে ধরা হয়েছে। বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ পাবেন।
তথ্যভান্ডারে পরবর্তী ধাপগুলোর যে সময়সূচি উল্লেখ করা হয়েছে, তা হলো—
| সময়কাল | ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব | ১০ম–২০তম গ্রেড |
|---|---|---|
| ১ জুলাই–৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ | পার্থক্যের ৪০% | পার্থক্যের ৫০% |
| ১ জানুয়ারি–৩০ জুন ২০২৭ | পার্থক্যের ৭০% | পার্থক্যের ৭৫% |
| ১ জুলাই ২০২৭ থেকে | পূর্ণ নতুন মূল বেতন | পূর্ণ নতুন মূল বেতন |
এখানে শতাংশের হিসাব নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্যের ওপর প্রযোজ্য বলে তথ্যভান্ডারে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল আদেশের প্রযোজ্য অনুচ্ছেদ ও হিসাবরক্ষণ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা যাচাই করা জরুরি।
উদাহরণে বুঝুন বেতন বৃদ্ধির হিসাব
ধরা যাক, কোনো কর্মচারীর পুরোনো মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন ৩০ হাজার টাকা।
-
দুই বেতনের পার্থক্য: ১০ হাজার টাকা।
-
পার্থক্যের ৫০ শতাংশ: ৫ হাজার টাকা।
-
পার্থক্যের ৭৫ শতাংশ: ৭ হাজার ৫০০ টাকা।
-
পূর্ণ নতুন মূল বেতন কার্যকর হলে: ৩০ হাজার টাকা।
এটি কেবল হিসাব বোঝানোর উদাহরণ। প্রকৃত বেতন নির্ধারণে কর্মচারীর গ্রেড, বেতনধাপ, ইনক্রিমেন্ট এবং প্রযোজ্য বিধান বিবেচনা করতে হবে।
১ জুলাই থেকে বকেয়া বেতন কীভাবে হিসাব হবে?
তথ্যভান্ডারে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাওয়ার বিধানের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে বকেয়ার পরিমাণ নির্ধারণে নতুন স্কেলের সম্পূর্ণ মূল বেতন ধরে সরাসরি হিসাব করলেই হবে না।
সাধারণভাবে যেসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন—
-
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত বা প্রাপ্য মূল বেতন।
-
নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন।
-
সংশ্লিষ্ট গ্রেডের জন্য প্রযোজ্য বর্ধিত বেতনের হার।
-
ইতোমধ্যে পরিশোধিত বেতন ও ভাতা।
-
প্রযোজ্য সমন্বয়, কর্তন এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের যাচাই।
বিশেষ সুবিধা বা অন্য কোনো অর্থ সমন্বয়ের বিধান প্রযোজ্য হলে সেটিও হিসাবের মধ্যে আনতে হবে। তাই বকেয়ার নির্ভুল অঙ্ক জানতে ব্যক্তিগত বেতন বিবরণী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।
পুরোনো বেতন থেকে নতুন বেতন নির্ধারণ
নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের সময় কর্মচারী পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপে ছিলেন, নাকি তার চেয়ে বেশি মূল বেতন পেতেন—তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তথ্যভান্ডারে দেওয়া উদাহরণ অনুযায়ী, পুরোনো ১৬তম গ্রেডে ৯ হাজার ৩০০ টাকা মূল বেতন পাওয়া কর্মচারীর নতুন মূল বেতন ২১ হাজার ৯০০ টাকা নির্ধারণের কথা উল্লেখ রয়েছে।
প্রারম্ভিক ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পুরোনো মূল বেতন ও পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের পার্থক্য হিসাব করে নতুন স্কেলের সঙ্গে সমন্বয়ের উদাহরণও দেওয়া হয়েছে। যোগফল নতুন স্কেলের কোনো নির্ধারিত ধাপের সঙ্গে না মিললে পরবর্তী উচ্চতর ধাপ প্রযোজ্য হতে পারে বলে তথ্যভান্ডারে উল্লেখ রয়েছে।
তবে পদোন্নতি, প্রেষণ, ছুটি, সাময়িক বরখাস্ত এবং অবসর-উত্তর ছুটির মতো ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান থাকতে পারে। এসব পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট আদেশের অনুচ্ছেদ অনুসরণ করা প্রয়োজন।
বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ও উচ্চতর গ্রেড
তথ্যভান্ডারে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধির নির্ধারিত তারিখ ১ জুলাই উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণ এবং ২০২৭ সালের ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ইনক্রিমেন্টের যোগ্যতা নির্ধারণে চাকরির মেয়াদসহ সংশ্লিষ্ট শর্তও বিবেচ্য হতে পারে।
একই পদে দীর্ঘদিন কর্মরত কর্মচারীদের জন্য উচ্চতর গ্রেডের বিধানও তথ্যভান্ডারে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে পদোন্নতি ছাড়া একই পদে আট বছর পূর্ণ হওয়ার পর নির্দিষ্ট শর্তে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড এবং প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর আরও ছয় বছর পদোন্নতি ছাড়া কর্মরত থাকলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেডের কথা বলা হয়েছে।
তবে উচ্চতর গ্রেড ও পদোন্নতি এক বিষয় নয়। উচ্চতর গ্রেডের সুবিধা পাওয়া মানেই উচ্চতর পদে পদোন্নতি নিশ্চিত হওয়া নয়। কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ, পদোন্নতির ইতিহাস এবং আগে পাওয়া আর্থিক সুবিধা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার হিসাব
তথ্যভান্ডারে বাড়িভাড়া ভাতার হার গ্রেড ও কর্মস্থলের অবস্থান অনুযায়ী আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে নতুন হারে বাড়িভাড়া ভাতা কার্যকরের সময় হিসেবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ উল্লেখ রয়েছে। এর আগে কোন হারে ভাতা প্রাপ্য হবে, তা সংশ্লিষ্ট আদেশ ও পরবর্তী নির্দেশনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।
চিকিৎসা ভাতার ক্ষেত্রে কর্মরত কর্মচারী, অবসরভোগী এবং আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীদের জন্য বয়সভিত্তিক আলাদা অঙ্কের কথা তথ্যভান্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে। কর্মচারীর বয়স, অবসরের অবস্থা এবং পেনশনের ধরন অনুযায়ী প্রাপ্য অর্থের হিসাব ভিন্ন হতে পারে।
এ ছাড়া টিফিন, যাতায়াত, মোবাইল, ধোলাই, শিক্ষা সহায়ক এবং বিশেষ এলাকার ভাতার বিভিন্ন হারও তথ্যভান্ডারে সংকলিত রয়েছে। এসব ভাতা সব কর্মচারীর জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নয়; পদ, গ্রেড, কর্মস্থল ও নির্ধারিত শর্ত যাচাই করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ: অর্থ বিভাগের ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের একটি নির্দেশনায় নতুন বেতন আদেশের আওতাবহির্ভূত মূল বেতনের শতাংশভিত্তিক প্রচলিত কিছু ভাতা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতে নির্ধারণ ও প্রদানের কথা বলা হয়েছে। তাই ভাতার হিসাব করার সময় পরবর্তী নির্দেশনাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
পেনশন পুনর্নির্ধারণে কী জানা দরকার?
তথ্যভান্ডারে অবসরভোগী ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীদের নিট পেনশন বৃদ্ধির জন্য একাধিক স্ল্যাব উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান নিট পেনশনের পরিমাণ অনুযায়ী বৃদ্ধির হার ও নির্ধারিত সীমা আলাদা হতে পারে।
তথ্যভান্ডারে উল্লেখিত স্ল্যাবগুলো হলো—
| বর্তমান নিট পেনশন | উল্লেখিত বৃদ্ধির হার |
|---|---|
| সর্বনিম্ন থেকে ৯,০০০ টাকা | ১০০% |
| ৯,০০১–২০,০০০ টাকা | ৭৫% |
| ২০,০০১–৩০,০০০ টাকা | ৬৫% |
| ৩০,০০১–৪০,০০০ টাকা | ৬০% |
| ৪০,০০১ টাকা ও তদূর্ধ্ব | ৫৫% |
এগুলো তথ্যভান্ডারে সংকলিত অঙ্ক। চূড়ান্ত পেনশন নির্ধারণে প্রযোজ্য সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা, পেনশন সমর্পণের তথ্য, অবসরের তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা জরুরি।
তথ্যভান্ডারে পেনশন বৃদ্ধির সুবিধাও ধাপে ধাপে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত পেনশনের চূড়ান্ত অঙ্ক নির্ধারণে কেবল বৃদ্ধির শতাংশ ব্যবহার করা যথেষ্ট নয়; সংশ্লিষ্ট আদেশের বিধান অনুসরণ করতে হবে।
iBAS++-এ বেতন নির্ধারণের আগে যা যাচাই করবেন
বেতন নির্ধারণের সময় পরিচয়, পদ, গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ, বর্তমান মূল বেতন এবং চাকরির রেকর্ডের তথ্য সঠিক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য জমা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট নথির সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে নেওয়া উচিত।
বিশেষভাবে যাচাই করুন—
১. জাতীয় পরিচয়পত্র ও চাকরির রেকর্ডের তথ্য সঠিক কি না।
২. ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কি না।
৩. ইনক্রিমেন্ট ও উচ্চতর গ্রেডের প্রযোজ্য তথ্য যুক্ত হয়েছে কি না।
৪. বেতন নির্ধারণী বিবরণী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই ও অনুমোদিত হয়েছে কি না।
কোনো অমিল বা জটিলতা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট ডিডিও, হিসাবরক্ষণ অফিস বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়া উচিত।
কারা আদেশের আওতার বাইরে থাকতে পারেন?
তথ্যভান্ডারে কিছু শ্রেণির কর্মচারী ও নিয়োগের ধরনকে আদেশের আওতাবহির্ভূত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে নির্দিষ্ট বিচার বিভাগীয় ও প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট পদ, পুলিশ ও বিজিবির কর্মচারী, কিছু রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, আউটসোর্সিংয়ে নিযুক্ত ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট চুক্তিভিত্তিক বা খণ্ডকালীন কর্মী অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে।
তবে কোনো ব্যক্তি আদেশের আওতায় পড়বেন কি না, তা তাঁর পদ, নিয়োগের ধরন, প্রতিষ্ঠান এবং প্রযোজ্য বিধান দেখে নিশ্চিত হতে হবে।
সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের করণীয়
জাতীয় বেতন আদেশ ২০২৬ অনুযায়ী নিজের বেতন বা পেনশনের হিসাব বুঝতে হলে প্রথমে বর্তমান বেতন বিবরণী, গ্রেড, ইনক্রিমেন্ট, চাকরির ইতিহাস এবং প্রযোজ্য ভাতার তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। অবসরভোগীদের ক্ষেত্রে বর্তমান নিট পেনশন, অবসরের তারিখ ও পেনশনসংক্রান্ত নথিও গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যভান্ডারটি প্রাথমিক ধারণা পেতে সহায়ক হতে পারে। তবে ব্যক্তিগত বেতন, বকেয়া বা পেনশনের চূড়ান্ত অঙ্ক নির্ধারণের জন্য মূল সরকারি গেজেট, অর্থ বিভাগের সর্বশেষ নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্তৃপক্ষের যাচাই করা তথ্য অনুসরণ করাই নিরাপদ।
সূত্র যাচাই: বাংলাদেশ সরকারের মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের গেজেট তালিকা এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন।
সোহাগ/
