জেল থেকেই দেওয়া যাবে ভোট: কারাবন্দিদের জন্য নতুন নির্দেশিকা
কারাবন্দিদের ভোট দেওয়ার নিয়ম: নতুন নির্দেশিকা জারি করল ইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের জেলখানা বা আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা ভোটার তালিকায় নাম থাকলে এখন থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত বুধবার এই ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করেছে এবং তা কারা মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো হয়েছে। ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং বা আইসিপিভি পদ্ধতির মাধ্যমে বন্দিরা তাদের এই সাংবিধানিক অধিকার পালন করবেন।
নিবন্ধন ও তথ্য আপলোড প্রক্রিয়া
কারাগারে আটক যেসব ভোটার ভোট দিতে আগ্রহী, তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা জেলখানা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। এজন্য একটি বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা পোর্টাল ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি জেলখানা থেকে দুজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করা হবে, যারা বন্দিদের তথ্য সংগ্রহ করে পোর্টালে আপলোড করবেন। নিবন্ধিত ভোটারদের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ সেটি সিল ও স্বাক্ষরসহ নির্বাচন কমিশনে পাঠাবে।
ভোটের সরঞ্জাম ও ব্যালট পেপার
নিবন্ধিত ভোটাররা জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালটের একটি বিশেষ খাম পাবেন। এই খামের ভেতরে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য দুটি আলাদা ব্যালট পেপার থাকবে। এছাড়া থাকবে ভোট দেওয়ার নির্দেশিকা, একটি ঘোষণাপত্র এবং রিটার্নিং অফিসারের ঠিকানা লেখা একটি ফেরত খাম। পোস্টাল ব্যালটে কোনো প্রার্থীর নাম থাকবে না, কেবল প্রতীক এবং প্রতীকের পাশে ফাঁকা ঘর থাকবে। এ কারণে জেল কর্তৃপক্ষ ভোটারদের কাছে তাদের নিজ নিজ এলাকার প্রার্থীদের নাম ও প্রতীকের তালিকা সরবরাহ করবে।
ভোট প্রদানের পদ্ধতি
ভোট দেওয়ার জন্য কারাগারের ভেতরেই একটি গোপন কক্ষ বা উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করবে কর্তৃপক্ষ। ভোটাররা ব্যালট পেপারে তাদের পছন্দের প্রতীকের পাশের ঘরে টিক চিহ্ন বা ক্রস চিহ্ন দিয়ে ভোট দেবেন। ভোট দেওয়ার আগে ঘোষণাপত্রে নিজের নাম ও এনআইডি নম্বর লিখে স্বাক্ষর করতে হবে। যদি কেউ স্বাক্ষর করতে না পারেন, তবে অন্য একজন ভোটার তা সত্যায়ন করে দেবেন।
ব্যালট পাঠানো ও ডাক মাশুল
ভোট দেওয়া শেষে ব্যালট পেপারগুলো ছোট খামে ভরে এবং ঘোষণাপত্রসহ একটি বড় হলুদ খামে আটকে জেল কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত বক্সে জমা দিতে হবে। এরপর কর্তৃপক্ষ সেই খামগুলো সংগ্রহ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডাক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করবে। ডাক বিভাগ এই ব্যালটগুলো সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছে দেবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় ডাক পাঠানোর জন্য ভোটারকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না, সরকার এই ব্যয় বহন করবে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- নবম পে স্কেল; চিকিৎসা ভাতা বাড়ল যত
- পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত
- জানুয়ারিতেই নতুন পে-স্কেল: সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে দ্বিগুণ
- নতুন বেতন কাঠামোতে কার বেতন কত বাড়ছে
- আজকের সোনার বাজারদর: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
- নতুন পে-স্কেল: সর্বনিম্ন বেতন ১৮ হাজার টাকা করার প্রস্তাব
- রেকর্ড ভেঙে সোনার দামে নতুন ইতিহাস
- নতুন পে-স্কেল ২০২৬: জানুয়ারি থেকেই বেতন বাড়ছে সরকারিদের
- দেশের বাজারে আজকের স্বর্ণের দাম
- প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে অধিদপ্তর যা জানাল
- পে স্কেল; বেতন বেড়ে হচ্ছে ‘দ্বিগুণ’, সর্বনিম্ন ২০ হাজার
- আজকের সোনার বাজারদর: ২০ জানুয়ারি ২০২৬
- নতুন পে-স্কেলে বড় সুখবরের অপেক্ষায় সরকারি চাকরিজীবীরা
- ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: ধসে পড়ল ঘরবাড়ি
- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা যে দিন; একক্লিকে যেভাবে দেখবেন
