সোহাগ আহমদে
সিনিয়র রিপোর্টার
কেন দেশে ফিরতে পারছেন না তারেক রহমান
রাজনৈতিক প্রতিবেদক: গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের চরম সংকটের সময়েও তার পাশে নেই পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে তার দেশে ফিরতে কোনো বিধিনিষেধ নেই, কিন্তু তারেক রহমান নিজেই ফেসবুক স্ট্যাটাসে ইঙ্গিত দিলেন—তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্তটি তাঁর একক নিয়ন্ত্রণে নেই। এই ঘটনা দেশের রাজনীতিতে এক গভীর রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
তারেক রহমানের নীরব স্বীকারোক্তি: 'একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নেই'
মায়ের অসুস্থতার এই মুহূর্তে তারেক রহমানের দেশে না আসা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে যখন প্রশ্নের ঝড়, তখন তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক পাতায় একটি ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন:
"এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু... এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবাড়িত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।"
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি, জানিয়েছেন—তারেক রহমানের স্ট্যাটাসেই সব ব্যাখ্যা রয়েছে।
সরকারের আপত্তি নেই, তবে বাধা কোথায়
তারেক রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাস প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পরই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিধিনিষেধ অথবা কোনো ধরনের আপত্তি নেই।
এই ঘোষণার পরেও তারেক রহমানের দেশে না আসা এটাই প্রমাণ করে যে, আইনি বা সরকারি বাধা না থাকা সত্ত্বেও কোনো 'গভীর খেলা' বা আলাদা কোনো অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এই সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দায়ের হওয়া সব মামলা থেকে তারেক রহমান আইনি প্রক্রিয়ায় অব্যাহতি পেয়েছেন।
মাইনাস টু ফর্মুলা ও বিদেশি প্রভাবের জল্পনা
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ মনে করেন, তারেক রহমানের এই স্ট্যাটাস ইঙ্গিত দেয় যে, দেশে আসার বিষয়টি তার নিজের উপর নির্ভর করে না। তিনি মনে করিয়ে দেন যে উইকিলিক্সের ফাঁস হওয়া প্রতিবেদনে তারেক রহমানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির বিষয়টি সামনে এসেছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, যেখানে দৃশ্যত কোনো আইনি বাধা নেই, সেখানে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো প্রভাবশালী দেশের নীতির পরিবর্তন না হলে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন কি না, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকে যায়।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার এই অনিশ্চয়তা বহুল আলোচিত 'মাইনাস টু ফর্মুলা'কে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। অনেকে মনে করছেন, দেশের রাজনীতিকে নির্বাচনের আগে একটি নতুন মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিতে দেশের ভেতরে এবং বাইরে এমন কিছু অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ কাজ করছে, যার নিয়ন্ত্রণ তারেক রহমানের হাতেও নেই।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- নির্বাচনের আগেই হচ্ছে পে-স্কেল!
- নতুন পে স্কেল ঝুলে থাকলেও মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন কর্মচারীরা
- নতুন পে স্কেলের আগে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে বড় সুখবর
- নবম পে স্কেল চূড়ান্ত: সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন কত বাড়ল
- পে স্কেলে ১:৮ অনুপাতে বেতন নির্ধারণ: চূড়ান্ত ঘোষণা ২১ জানুয়ারি
- স্কেল নয়; গ্রেডভিত্তিক মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
- সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে ২১ হাজার; অপেক্ষার অবসান হতে পারে কালই
- নির্বাচনের আগে মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
- পে স্কেলের আগে ১৫ ও ২০ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা সরকারি চাকরিজীবীরা
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা ৪ দিনের ছুটির দারুণ সুযোগ
- পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালেন অর্থ উপদেষ্টা
- কাল চূড়ান্ত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল: সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সুখবর
- নির্বাচন থেকে সরে দাড়াচ্ছেন বিএনপির যেসব বিদ্রোহী প্রার্থীরা
- যে কারনে দুই ঘণ্টা আগে ১১ দলের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত
- ১ দিন ম্যানেজ করলেই টানা টানা ৪ দিনের ছুটির দারুণ সুযোগ
