স্বর্ণের দাম কেন বাড়ছে কোটিপতি হওয়ার বিরাট সুযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক; আজ আমরা যে টাকা দিয়ে বাজার করি, সেটা আসলে কাগজের টুকরা। এই কাগজের টাকা দিনকে দিন তার মূল্য হারাচ্ছে। ধরুন, প্রায় পনেরো-বিশ বছর আগে সোনার দাম ছিল মাত্র ২২-২৫ হাজার টাকা প্রতি ভরি। এখন সেটা প্রায় এক লাখ টাকা ছুঁয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই সময়ে কী ঘটেছে?
ধরুন, আপনি এক লাখ টাকা দিয়ে এক ভরি সোনা কিনলেন এবং সেটা স্ত্রীর কাছে রেখে দিলেন। অন্যদিকে আপনার বন্ধু সেই এক লাখ টাকা নগদ রেখেছে। দশ বছর পর আপনি আপনার সোনা বের করলেন, আর আপনার বন্ধু তার টাকা বের করল।
আপনি দেখলেন, আপনার সোনার দাম এখন হয়েছে দুই লাখ টাকা। আর আপনার বন্ধুর সেই এক লাখ টাকার এখনকার মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭০-৮০ হাজার টাকায়। তাহলে কে চালাক হলো? আপনি, নাকি আপনার বন্ধু?
এই ব্যবধান আসলে আমাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটা প্রতারণা। এই ব্যবস্থা মানুষের ঘাম, শ্রম, সময়—সবকিছুকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। কাগজের টাকা ধীরে ধীরে মূল্যহীন হয়ে যাচ্ছে। আর এভাবেই আমাদের সম্পদ গায়েব হয়ে যাচ্ছে।
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে: "ওয়ালা তাবখাসুন নাসা আশইয়াআহুম" অর্থাৎ, মানুষের অধিকার হরণ কোরো না। কিন্তু কাগজের টাকার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আমাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এটা ইসলামের অর্থনৈতিক নীতিমালার বিরুদ্ধে।
রাসূল (সা.)-এর সময় চলত দিরহাম ও দিনার, অর্থাৎ রূপা ও সোনার মুদ্রা। সেই মুদ্রার মান কখনো কমত না, কারণ তা ছিল প্রকৃত সম্পদ। যেমন, কোরআনের আশহাবে কাহাফ তিনশ নয় বছর ঘুমিয়ে থাকার পরও তাদের মুদ্রা দিয়ে খাবার কেনা সম্ভব হয়েছিল। কেন? কারণ তা ছিল প্রকৃত, মূল্যবান ধাতুর মুদ্রা।
আধুনিক কাগজের টাকায় এমনটা হয় না। আপনি যদি আজ ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করেন, আর দশ বছর পর সেই টাকার ক্রয়ক্ষমতা নেমে আসে ২০ হাজারে, তাহলে আপনি এক মাসের পরিশ্রম হারালেন। এটা কি ন্যায়সঙ্গত?
আর যখন সেই টাকার দাম কমে, তখন সেই সম্পদ বাতাসে মিশে যায় না। বরং তা চলে যায় ধনী কোনো গোষ্ঠীর হাতে। আর ধনী দেশগুলো আরও ধনী হয়, গরিব দেশ গরিবই থেকে যায়। এটা হচ্ছে বৈশ্বিক লুটপাটের একটা কৌশল।
এই কারণেই ইসলামিক কারেন্সি বা প্রকৃত সম্পদের ভিত্তিতে গড়া মুদ্রা গুরুত্বপূর্ণ। সোনা-রূপা কখনোই তাদের মূল্য হারায় না। তাই এখনই সময় নিজের সম্পদকে সোনায় রূপান্তর করার, কারণ সোনা হারায় না—বরং দিনকে দিন তার মূল্য বাড়ে।
সিদ্দিকা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- নবম পে-স্কেল: ৯০% বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ, রিপোর্ট জমা আগামী সপ্তাহেই
- পে স্কেল: ৭ ইস্যু নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বসছেন কর্মচারীরা
- নবম পে স্কেল কাঠামো আসছে ৩ ধাপে, জানুয়ারির শেষে কার্যকর
- পে-স্কেল নিয়ে সুখবর পেলেন যেসব কর্মকর্তারা
- নবম পে স্কেলে যত বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন
- রাতে টানা দুবার ভূমিকম্পে কেপে উঠলো বাংলাদেশ
- হাড়কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহ: ৭ জেলায় আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বার্তা
- পে স্কেল নিয়ে তারেক রহমানের দ্বারস্থ সরকারি কর্মচারীরা
- যে ভিটামিনের অভাবে শীতে বেশি ঠান্ডা লাগে
- কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প: উৎপত্তিস্থল ও মাত্রা জানুন
- সয়াবিন তেল নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
- ৮ জানুয়ারি পে-কমিশনের মেগা বৈঠক: চূড়ান্ত হতে পারে নবম পে-স্কেল
- নবম পে স্কেল নিয়ে এলো বড় সুখবর
- হাড়কাঁপানো শীতে জবুথবু দেশ: কতদিন চলবে এই শৈত্যপ্রবাহ
