একটু আগে শেষ হল বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ, দেখে নিন ফলাফল
শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে দলের শতক পূর্ণ করেছিল বাংলাদেশ। রান তাড়ায় সহজেই জয় পাওয়ার পথে এগোচ্ছিল নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দলটি। কিন্তু, ৩ উইকেটে ১৩১ থেকে মাত্র ১২ রান যোগ করতেই বাকি ৭ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে যায় টাইগাররা, যার ফলে এক অবিশ্বাস্য পরাজয়ের সম্মুখীন হয় বাংলাদেশ।
বুধবার (৬ নভেম্বর) আফগানিস্তান টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৪ ওভারে ২৩৫ রানে অলআউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেন নবি, এবং শাহিদি ৫১ রান করে ফিফটি পূর্ণ করেন। বাংলাদেশের হয়ে ৪টি করে উইকেট শিকার করেছেন তাসকিন আহমেদ এবং মুস্তাফিজুর রহমান।
এরপর, ২৩৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৪.৩ ওভারে ১৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আফগানিস্তানের পক্ষে একাই ৬ উইকেট শিকার করেছেন গাজনাফার।
লিটন দাস না থাকায় ওপেনিংয়ে সৌম্য সরকারের সঙ্গী ছিলেন তানজিদ তামিম। তবে, ব্যর্থ হন তরুণ ওপেনার তানজিদ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে আল্লাহ মোহাম্মদ গাজনাফারের ক্যারম বলের শিকার হয়ে তিনি মাত্র ৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।
তানজিদের বিদায়ের পর সৌম্য সরকার বেশ দারুণ ব্যাটিং করেন। নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৩ রান যোগ করেন। সৌম্য ৩৩ রান করে ফিরে যাওয়ার পর বাংলাদেশ শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়ে ছিল।
বাংলাদেশের সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে ম্যান অফ দ্য সিরিজ ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে খুব বেশি ভালো সময় কাটাতে পারেননি তিনি। ৭ মাস পর ওয়ানডেতে ফিরে আবারও রান করেন শান্ত। ৬৮ বলের মোকাবিলায় ৪৭ রান করে তিনি ফিফটি হাতছাড়া করেন। শান্তর বিদায়ের পর ৫৫ রানের জুটি ভাঙে, এবং বাংলাদেশে ইনিংসের পতন শুরু হয়।
শান্তর পরই মেহেদি হাসান মিরাজ ফিরে যান। চারে ব্যাট করতে নেমে তিনি থিতু হলেও বড় ইনিংস খেলে উঠতে পারেননি, ২৮ রানেই সাজঘরে ফিরে যান। এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, রিশাদ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়সহ অন্যান্য ব্যাটাররা। শেষ দিকে তাসকিন আহমেদ এবং শরিফুল ইসলামের দ্রুত আউট হওয়া নিশ্চিত করে বাংলাদেশের অলআউট হয়ে যাওয়া।
এর আগে আফগানিস্তান টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৪ ওভারে ২৩৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেন নবি এবং শাহিদি করেন ৫১ রান। বাংলাদেশের হয়ে ৪টি করে উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ এবং মুস্তাফিজুর রহমান।
